পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহিদ সেনা কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বিনম্র চিত্তে স্মরণ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহিদ সেনা কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বিনম্র চিত্তে স্মরণ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
২০০৯ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি পিলখানা হত্যাকাণ্ড নামে পরিচিত বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিডিআর-এ সৈনিক বিদ্রোহের ঘটনায় নিহত সকল শহিদের প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছে। বিডিআর (পরে বিজিবি)-এর তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ নিহত ৫৭ জন বীর সেনা কর্মকর্তা এবং ১৭ জন বেসামরিক নাগরিক মিলিয়ে মোট ৭৪ শহিদের জীবন ও কর্মের প্রতি আমাদের সশ্রদ্ধ সালাম। ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে সাধারণ নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের দেড় মাসের মাথায় দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়ে নতুন সরকারকে উৎখাত করতে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ ও কৌশলী নেতৃত্ব ও তত্বাবধানে বিদ্রোহীরা

অস্ত্র সমর্পণ করে এবং জিম্মিদের মুক্তি দেয়’ পরিণতিতে বিদ্রোহের অবসান ঘটে। শোকাবহ নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত, মামলা ও বিচার কাজ দ্রুততম সময়ে স্বচ্ছ্ব প্রক্রিয়া মেনে শুরু হয়। ২০১৩ সালের ৫ই নভেম্বর বিচারিক আদালত বিদ্রোহীদের ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ২৭ই নভেম্বর হাইকোর্ট ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায়ে ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে; ১৮৫ জনের যাবজ্জীবন এবং ২২৮ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়। প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনার সরকার ঘটনার শুধু বিচারই করেনি। সকল শহিদ পরিবারের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা এবং সম্মান নিশ্চিত করেছেন। প্রতিটি পরিবারকে বসবাসের জন্য ফ্ল্যাট এবং অন্যান্য সকল রকমের

সুযোগ-সুবিধা দেয়। যদিও কোন মৃত্যুরই কোন প্রতিদান হয় না, কিন্তু সমব্যথী ও সহানুভূতি প্রদানে সরকারের কোন কার্পণ্য ছিল না। দুঃখ ও পরিতাপের বিষয়, সদ্যবিদায়ী অসাংবিধানিক ড. ইউনূসের তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকার ২৯৩ জন শাস্তিপ্রাপ্ত ও দণ্ডিত আসামীকে অন্যায়ভাবে ছেড়ে দেয়। শহিদ পরিবারের কোন সদস্যকে এই বিষয়ে প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি। রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে নতুন তদন্ত ও বিচারের দাবি তুলে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়। ইউনূসের মনোবাঞ্ছা পূরণে একটি তদন্ত প্রতিবেদনও জমা সেই কমিটি। সেই তদন্ত প্রতিবেদন অপ্রকাশিতই রয়েছে। এদিকে ইউনূস সরকার মুক্তি দিয়েছে প্রায় সকল আসামীদের। বিচার প্রক্রিয়াকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে হ্যাকাণ্ডের দায় বর্তানো হচ্ছে আওয়ামী লীগের কাঁধে। আমরা

এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই বেদনার দিনে কারও বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নয়, বরং একটি সংবেদনশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সকল শহিদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছে এবং শহিদ পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছে। আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে হলে পিলখানার ঘটনা নিয়ে ইউনূস সরকারের মববাজি ও রাজনীতির অবসান ঘটাতে হবে। বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা বা ক্রিমিনাল জাস্টিস সিস্টেমের ওপর আস্থা রাখতে হবে। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। আঁধার কেটে ভোর হোক বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
হরমুজ মিশনে যোগ দিতে দক্ষিণ কোরিয়াকে ট্রাম্পের চাপ পুলিশে ডিআইজি-এসপি পদে বড় রদবদল বিজয়ের মুখ্যমন্ত্রী হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা ঈদ ঘিরে চামড়া ব্যবসায়ীদের অনুকূলে ঋণ বিতরণের নির্দেশ ঝড়-বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাস চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম আমি ভোটে হারিনি, পদত্যাগ কেন করব : মমতা ‘সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কোনো বিচারিক ক্ষমতা নেই’ চীনে আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১ গুপ্তচরবৃত্তির সন্দেহে ৩ রুশ কূটনীতিক বহিষ্কার পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির ৫ কারণ ব্রাদার্সকে হারিয়ে ফের ফাইনালে কিংস পদত্যাগ না করার ঘোষণা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতার আমিরাতে হামলার জন্য ‘মার্কিন সামরিক দুঃসাহসিকতা’ দায়ী পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলেও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি বদলাবে না বিজেপি নয়, তৃণমূলের লড়াই ছিল নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে: মমতা বিদ্যুতের দাম কত বাড়ছে হাম ও উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৪৪৫ জন তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা, আইনজীবী জানালেন ‘স্মৃতি শক্তি নেই’ ঈদ সামনে রেখে শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি