ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গ্যাস সংকটে লাখো মানুষের জীবন-জীবিকা হুমকিতে : ইউনুসের অদক্ষতার মাসুল গুনছে সাধারণ মানুষ
“ড. মুহাম্মদ ইউনূস জীবনে কোনদিন ট্যাক্স দিয়েছে? জিজ্ঞেস করেন! ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়া— এটা সে খুব ভালো জানে” –জননেত্রী শেখ হাসিনা
“দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, নিরাপত্তা ঝুঁকিতে বাংলাদেশের মানুষ; কিন্তু বলবে কে? সত্য কথা বললে জেলে যেতে হয়” – জনতার ক্ষোভ
বাংলাদেশ : বাতাসে এখন শুধু লাশের গন্ধ
লুট হওয়া হাজার অস্ত্র এখন বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীদের হাতে : নির্বাচনের আগে রক্তস্নাত বাংলাদেশ, নির্বিকার সুদখোর ইউনূসের মূল লক্ষ্য কি?
তারেক রহমানের ‘অসম্ভব’ তত্ত্ব ভুল প্রমাণ করে শেখ হাসিনার হাত ধরেই আলোকিত বাংলাদেশ
উপকৃত ১ কোটি পরিবার
তারেক রহমানের ‘অসম্ভব’ তত্ত্ব ভুল প্রমাণ করে শেখ হাসিনার হাত ধরেই আলোকিত বাংলাদেশ
একসময়ের ‘বিলাসিতা’ আজ মৌলিক অধিকারে রূপ নিয়েছে। অথচ দেড় যুগ আগেও দেশের রাষ্ট্রযন্ত্রের শীর্ষ পর্যায় থেকে প্রচার করা হতো—বাসাবাড়ি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে একসঙ্গে বিদ্যুৎ দেওয়া কোনো সরকারের পক্ষেই সম্ভব নয়। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একটি পুরনো ভিডিও এবং গত ১৫ বছরে (২০০৯-২০২৪) বিদ্যুৎ খাতে শেখ হাসিনা সরকারের অর্জিত সাফল্যের পরিসংখ্যান—এই দুইয়ের তুলনামূলক চিত্র সেই ‘অসম্ভব’ ও ‘বাস্তবতার’ ব্যবধান স্পষ্ট করে দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি প্রমাণ করে যে, তৎকালীন নেতৃত্বের দূরদর্শিতার অভাবেই দেশ একসময় অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। অন্যদিকে, শেখ হাসিনার সাহসী ও পরিকল্পিত পদক্ষেপে বাংলাদেশ আজ শতভাগ বিদ্যুতায়নের মাইলফলক স্পর্শ করেছে।
‘একসাথে বিদ্যুৎ দেওয়া সম্ভব না’: তারেক
রহমানের পুরনো স্বীকারোক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ক্লিপটিতে তারেক রহমানকে বলতে শোনা যায়, “সন্ধ্যার পরে পরে আপনি বাসায়ও কারেন্ট চাচ্ছেন, অ্যাট দ্য সেইম টাইম আপনি চাচ্ছেন শপিংমলগুলোতে কারেন্ট। এটা কোনো সরকারের পক্ষেই কিন্তু সম্ভব না।” তিনি বিদ্যুৎ নিয়ে এই প্রত্যাশাকে ‘খামাখা জোর করে কথা বলা’ বলেও অভিহিত করেছিলেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও চাহিদার মধ্যে বিশাল ঘাটতি ছিল। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, তারেক রহমানের এই বক্তব্যে মূলত তৎকালীন সরকারের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতা এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অভাবই ফুটে উঠেছিল। জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণকে ‘অসম্ভব’ আখ্যা দিয়ে তখন দায় এড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল বলে মনে করছেন তারা। অন্ধকার
ঘুচিয়ে আলোর পথে: পরিসংখ্যানের চিত্র তারেক রহমান যা কল্পনাও করতে পারেননি, গত দেড় দশকে আওয়ামী লীগ সরকার তা বাস্তবে রূপ দিয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ ও পিডিবির (BPDB) সর্বশেষ তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি তুলনামূলক চিত্রটি নিম্নরূপ: উৎপাদন সক্ষমতা: ২০০৬ সাল পর্যন্ত দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ছিল মাত্র ৩,৭৮২ মেগাওয়াট, যেখানে প্রকৃত উৎপাদন ছিল ৩০০০-৩২০০ মেগাওয়াটের ঘরে। বিদ্যুৎ বিভাগের সর্বশেষ তথ্য (২০২৪) অনুযায়ী, বর্তমানে ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৩০,২৭৭ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। গ্রাহক সংখ্যা ও সংযোগ: ২০০৬ সালে বিদ্যুৎ গ্রাহক ছিল মাত্র ১ কোটি ৮ লাখ। বর্তমানে এই সংখ্যা ৪ গুণেরও বেশি বেড়ে প্রায় ৪ কোটি ৭০ লাখে দাঁড়িয়েছে। শতভাগ বিদ্যুতায়ন: ভিডিওতে যে স্বপ্নকে
‘অসম্ভব’ বলা হয়েছিল, ২০২২ সালের ২১ মার্চ পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে ‘শতভাগ বিদ্যুতায়িত দেশ’ হিসেবে ঘোষণা করেন। সাবমেরিন ক্যাবল ও সোলার প্যানেলের মাধ্যমে দুর্গম চরাঞ্চল থেকে পাহাড়ি এলাকা—সব জায়গাই এখন আলোকিত। সঞ্চালন লাইন: ২০০৬ সালে সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন ছিল ২ লাখ কিলোমিটারের কিছু বেশি। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৪৩ হাজার কিলোমিটারে। মেগা প্রকল্পে সক্ষমতার জানান শুধুমাত্র উৎপাদন বৃদ্ধি নয়, কাঠামগত উন্নয়নেও এসেছে আমূল পরিবর্তন। পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র (১৩২০ মেগাওয়াট), রামপাল ও মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র জাতীয় গ্রিডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো মেগা প্রকল্প, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ পারমাণবিক যুগে প্রবেশ
করেছে এবং গ্রিডে ২৪০০ মেগাওয়াট সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায়। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও বাস্তবতা সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৪০ ভাগ নবায়নযোগ্য বা ক্লিন এনার্জি উৎস থেকে নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। পাশাপাশি সিস্টেম লস কমাতে স্মার্ট গ্রিড ও প্রিপেইড মিটার নিশ্চিত করার উদ্যোগ চলমান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটির শেষে নেটিজেনদের জুড়ে দেওয়া ‘Wake Up To Reality’ বার্তাটি মূলত সেই পুরনো নেতিবাচক রাজনীতির প্রতি একটি শক্ত জবাব। বিশ্লেষকরা বলছেন, তারেক রহমান যখন শপিংমল ও বাসায় একসাথে বিদ্যুৎ দেওয়াকে অসম্ভব বলেছিলেন, শেখ হাসিনা সরকার তখন রূপপুর ও পায়রার মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন করে প্রমাণ করেছে—সঠিক নেতৃত্ব ও সদিচ্ছা থাকলে ‘অসম্ভব’ শব্দটিকেও ভুল প্রমাণ করা
সম্ভব।
রহমানের পুরনো স্বীকারোক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ক্লিপটিতে তারেক রহমানকে বলতে শোনা যায়, “সন্ধ্যার পরে পরে আপনি বাসায়ও কারেন্ট চাচ্ছেন, অ্যাট দ্য সেইম টাইম আপনি চাচ্ছেন শপিংমলগুলোতে কারেন্ট। এটা কোনো সরকারের পক্ষেই কিন্তু সম্ভব না।” তিনি বিদ্যুৎ নিয়ে এই প্রত্যাশাকে ‘খামাখা জোর করে কথা বলা’ বলেও অভিহিত করেছিলেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও চাহিদার মধ্যে বিশাল ঘাটতি ছিল। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, তারেক রহমানের এই বক্তব্যে মূলত তৎকালীন সরকারের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতা এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অভাবই ফুটে উঠেছিল। জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণকে ‘অসম্ভব’ আখ্যা দিয়ে তখন দায় এড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল বলে মনে করছেন তারা। অন্ধকার
ঘুচিয়ে আলোর পথে: পরিসংখ্যানের চিত্র তারেক রহমান যা কল্পনাও করতে পারেননি, গত দেড় দশকে আওয়ামী লীগ সরকার তা বাস্তবে রূপ দিয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ ও পিডিবির (BPDB) সর্বশেষ তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি তুলনামূলক চিত্রটি নিম্নরূপ: উৎপাদন সক্ষমতা: ২০০৬ সাল পর্যন্ত দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ছিল মাত্র ৩,৭৮২ মেগাওয়াট, যেখানে প্রকৃত উৎপাদন ছিল ৩০০০-৩২০০ মেগাওয়াটের ঘরে। বিদ্যুৎ বিভাগের সর্বশেষ তথ্য (২০২৪) অনুযায়ী, বর্তমানে ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৩০,২৭৭ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। গ্রাহক সংখ্যা ও সংযোগ: ২০০৬ সালে বিদ্যুৎ গ্রাহক ছিল মাত্র ১ কোটি ৮ লাখ। বর্তমানে এই সংখ্যা ৪ গুণেরও বেশি বেড়ে প্রায় ৪ কোটি ৭০ লাখে দাঁড়িয়েছে। শতভাগ বিদ্যুতায়ন: ভিডিওতে যে স্বপ্নকে
‘অসম্ভব’ বলা হয়েছিল, ২০২২ সালের ২১ মার্চ পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে ‘শতভাগ বিদ্যুতায়িত দেশ’ হিসেবে ঘোষণা করেন। সাবমেরিন ক্যাবল ও সোলার প্যানেলের মাধ্যমে দুর্গম চরাঞ্চল থেকে পাহাড়ি এলাকা—সব জায়গাই এখন আলোকিত। সঞ্চালন লাইন: ২০০৬ সালে সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন ছিল ২ লাখ কিলোমিটারের কিছু বেশি। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৪৩ হাজার কিলোমিটারে। মেগা প্রকল্পে সক্ষমতার জানান শুধুমাত্র উৎপাদন বৃদ্ধি নয়, কাঠামগত উন্নয়নেও এসেছে আমূল পরিবর্তন। পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র (১৩২০ মেগাওয়াট), রামপাল ও মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র জাতীয় গ্রিডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো মেগা প্রকল্প, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ পারমাণবিক যুগে প্রবেশ
করেছে এবং গ্রিডে ২৪০০ মেগাওয়াট সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায়। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও বাস্তবতা সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৪০ ভাগ নবায়নযোগ্য বা ক্লিন এনার্জি উৎস থেকে নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। পাশাপাশি সিস্টেম লস কমাতে স্মার্ট গ্রিড ও প্রিপেইড মিটার নিশ্চিত করার উদ্যোগ চলমান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটির শেষে নেটিজেনদের জুড়ে দেওয়া ‘Wake Up To Reality’ বার্তাটি মূলত সেই পুরনো নেতিবাচক রাজনীতির প্রতি একটি শক্ত জবাব। বিশ্লেষকরা বলছেন, তারেক রহমান যখন শপিংমল ও বাসায় একসাথে বিদ্যুৎ দেওয়াকে অসম্ভব বলেছিলেন, শেখ হাসিনা সরকার তখন রূপপুর ও পায়রার মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন করে প্রমাণ করেছে—সঠিক নেতৃত্ব ও সদিচ্ছা থাকলে ‘অসম্ভব’ শব্দটিকেও ভুল প্রমাণ করা
সম্ভব।



