ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গুপ্ত হামলার ছক: ড্রোন-অস্ত্রসহ নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ‘আকসা’র চার সদস্য গ্রেপ্তার
জ্বালানী নিরাপত্তাঃ শেখ হাসিনার এনার্জি ডিপ্লোম্যাসি বনাম ইউনুস-তারেকের উচ্চমূল্যের বিদেশী স্বার্থরক্ষা চুক্তি
রূপপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট নিয়ে সংসদের বিরোধীদল এনসিপির অপতথ্য ও মিথ্যার ফ্লাডিং: জুলাই এর মতো গুজব ছড়িয়ে জনমানুষকে ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা
এবার ঢাকায় ভারতীয় কাশ্মীরি নাগরিকের অস্বাভাবিক মৃত্যু: সন্দেহজনক ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে সর্বহারাদের পুনরুত্থান: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বলতার সুযোগ নিচ্ছে চরমপন্থীরা
রুপপুরে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রে ফুয়েল লোড: ইউরেনিয়াম দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ কেমন হতে পারে?
পশ্চিম পাকিস্তানের বৈষম্যে বাতিল হয়েছিল রূপপুর: বিরোধীদের সকল বাধা উপেক্ষা করে বঞ্চিত বাংলাদেশের ৬৫ বছরের স্বপ্ন পূরণের দ্বারপ্রান্তে
তসলিমা নাসরিনের সাহসি উচ্চারণ:মৌলবাদিদের গুরু ইউনূসকে না সরালে দেশের উন্নতি হবে না
নিউজার্সির প্লেইন্সবরো সিটিতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিজ্ঞানী দম্পতি ড. নুরুন নবীর বাড়ির আঙ্গিনায় একাত্তরের প্রহরি, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন, বঙ্গবন্ধু পরিষদ-সহ জয় বাংলা স্লোগানে ব্শ্বিাসী প্রবাসীদের ভিন্নধর্মী এক সমাবেশে কবি-লেখক-ঔপন্যাসিক-শক্তিমান কলামিস্ট তসলিমা নাসরিন উদাত্ত কন্ঠে উচ্চারণ করলেন, ‘আমি ধন্য হয়েছি এখানে এসে। ড. নুরুন নবী ভাইকে আমার শ্রদ্ধা এবং কৃতজ্ঞতা। বকুল আপার জন্যেও আমার অনেক শ্রদ্ধা এবং কৃতজ্ঞতা এত গুণিজনের মধ্যে আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্যে। সেই বইমেলায় (বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা) দেখা হয়েছিল, আজ আবার দেখা হলো অনেকের সঙ্গে। এবং যে কথা বলা হয়েছে যে, এখানে আমরা সবাই ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবো। এই কর্মসূচির সাথে আমার একশত
ভাগ সমর্থন আছে। আমি লিখছি, আমি প্রতিবাদ করছি এই জিহাদি সরকারর বিরুদ্ধে। আমি বলি এটি মৌলবাদিদের গুরু, একে না সরালে দেশের কোন উন্নতি হবে না। আমরা সবাই মিলে সেই প্রতিবাদ করলে সেটির জোর অনেক বেশী থাকে। আজকের দিনে এখানে জড়ো হয়ে আমরা সবাই আনন্দ করলাম, সবার সঙ্গে দেখা হলো, খাবার-দাবার হলো। আবারো বকুল আপা ও নবী ভাইকে ধন্যবাদ এত সুন্দর খাবার আয়োজন করার জন্য। এবং এটা স্মৃতি হিসেবে থাকবো যদি আমরা একটা ভালো উদ্যোগ নেই এই অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের জন্যে। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন , আবার দেখা হবে’।
২২ জুন ভরদুপুরে
অ্যাপেটাইজার দিয়ে শুরু এ সমাবেশে অংশগ্রহণকারির প্রায় সকলেই ছিলেন গত ২৪-২৫ মে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা’র নেপথ্য সংগঠক। মেলার চেতনা উজ্জীবিত রেখে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশকে হায়েনা মুক্ত করতে নিজেদের ইস্পাতদৃঢ় ঐক্যকে শানিত করার অভিপ্রায়ে রোববারের এ মিলনমেলা পরিপূর্ণতা পায় তসলিমা নাসরিনের পদভারে। ১৯৯৪ সাল থেকে নির্বাসিত জীবন-যাপনে বাধ্য ময়মনসিংহের মেয়ে তসলিমা এখনো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করছেন এবং সকল লেখালেখিতে তা দৃশ্যমান হচ্ছে। গত জুলাই-আগস্টের জঙ্গি তৎপরতায় বেআইনীভাবে ক্ষমতা গ্রহণকারি মুহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার কর্তৃক বাংলাদেশকে জঙ্গিরাষ্ট্রে পরিণত করার বিরুদ্ধেও তসলিমা সরব থাকার সংকল্প ব্যক্ত করলেন এই সমাবেশে। সমাবেশের পর নিজের ফেসবুকে তসলিমা লিখেছেন, ‘আজ শ্রদ্ধাভাজন নুরুন নবী আর জিনাত বকুলের
বাড়িতে কেটেছে সুন্দর একটি দিন। সারাদিন কেটেছে গান, কবিতা, খাওয়া, আর আড্ডায়। আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়, জয় বাংলায়, ধর্মনিরপেক্ষতায়, নারীর সমানাধিকারে, মানবাধিকারে, গণতন্ত্রে বিশ্বাস করা মানুষ।’
তসলিমা নাসরিন অনুষ্ঠানের মধ্যমণি থাকলেও বইমেলার উদ্বোধনকারি বেলাল বেগ ছিলেন সর্বজন শ্রদ্ধার আসনেই। স্বীকৃতি বড়ুয়ার সমন্বয়ে বাচিক শিল্পী গোপন সাহার সাবলিল উপস্থাপনায় কম্যুনিটি ব্যক্তিত্ব, কবি-লেখক-কলামিস্ট আর সমাজ-সংগঠকের সকলেই বাংলাদেশে চলমান অন্যায়-অবিচার আর বিচারের নামে প্রহসনে নিন্দা-প্রতিবাদ জানান। বহুজাতিক এ সমাজে নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রতিবাদের এ সংকল্পকে বাস্তবায়িত করা নিয়েও কথা বলেন। যা দমাতে পারেনি অসহনীয় তাপদাহ।
ভাগ সমর্থন আছে। আমি লিখছি, আমি প্রতিবাদ করছি এই জিহাদি সরকারর বিরুদ্ধে। আমি বলি এটি মৌলবাদিদের গুরু, একে না সরালে দেশের কোন উন্নতি হবে না। আমরা সবাই মিলে সেই প্রতিবাদ করলে সেটির জোর অনেক বেশী থাকে। আজকের দিনে এখানে জড়ো হয়ে আমরা সবাই আনন্দ করলাম, সবার সঙ্গে দেখা হলো, খাবার-দাবার হলো। আবারো বকুল আপা ও নবী ভাইকে ধন্যবাদ এত সুন্দর খাবার আয়োজন করার জন্য। এবং এটা স্মৃতি হিসেবে থাকবো যদি আমরা একটা ভালো উদ্যোগ নেই এই অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের জন্যে। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন , আবার দেখা হবে’।
২২ জুন ভরদুপুরে অ্যাপেটাইজার দিয়ে শুরু এ সমাবেশে অংশগ্রহণকারির প্রায় সকলেই ছিলেন গত ২৪-২৫ মে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা’র নেপথ্য সংগঠক। মেলার চেতনা উজ্জীবিত রেখে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশকে হায়েনা মুক্ত করতে নিজেদের ইস্পাতদৃঢ় ঐক্যকে শানিত করার অভিপ্রায়ে রোববারের এ মিলনমেলা পরিপূর্ণতা পায় তসলিমা নাসরিনের পদভারে। ১৯৯৪ সাল থেকে নির্বাসিত জীবন-যাপনে বাধ্য ময়মনসিংহের মেয়ে তসলিমা এখনো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করছেন এবং সকল লেখালেখিতে তা দৃশ্যমান হচ্ছে। গত জুলাই-আগস্টের জঙ্গি তৎপরতায় বেআইনীভাবে ক্ষমতা গ্রহণকারি মুহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার কর্তৃক বাংলাদেশকে জঙ্গিরাষ্ট্রে পরিণত করার বিরুদ্ধেও তসলিমা সরব থাকার সংকল্প ব্যক্ত করলেন এই সমাবেশে। সমাবেশের পর নিজের ফেসবুকে তসলিমা লিখেছেন, ‘আজ শ্রদ্ধাভাজন নুরুন নবী আর জিনাত বকুলের
বাড়িতে কেটেছে সুন্দর একটি দিন। সারাদিন কেটেছে গান, কবিতা, খাওয়া, আর আড্ডায়। আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়, জয় বাংলায়, ধর্মনিরপেক্ষতায়, নারীর সমানাধিকারে, মানবাধিকারে, গণতন্ত্রে বিশ্বাস করা মানুষ।’
তসলিমা নাসরিন অনুষ্ঠানের মধ্যমণি থাকলেও বইমেলার উদ্বোধনকারি বেলাল বেগ ছিলেন সর্বজন শ্রদ্ধার আসনেই। স্বীকৃতি বড়ুয়ার সমন্বয়ে বাচিক শিল্পী গোপন সাহার সাবলিল উপস্থাপনায় কম্যুনিটি ব্যক্তিত্ব, কবি-লেখক-কলামিস্ট আর সমাজ-সংগঠকের সকলেই বাংলাদেশে চলমান অন্যায়-অবিচার আর বিচারের নামে প্রহসনে নিন্দা-প্রতিবাদ জানান। বহুজাতিক এ সমাজে নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রতিবাদের এ সংকল্পকে বাস্তবায়িত করা নিয়েও কথা বলেন। যা দমাতে পারেনি অসহনীয় তাপদাহ।



