ঢাকায় আসছেন পল কাপুর: নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে ১৮ মাস পর গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন কর্মকর্তার সফর – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২ মার্চ, ২০২৬

ঢাকায় আসছেন পল কাপুর: নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে ১৮ মাস পর গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন কর্মকর্তার সফর

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২ মার্চ, ২০২৬ |
যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিভাগের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. পল কাপুর (S. Paul Kapur) আগামী মঙ্গলবার (৩ মার্চ) থেকে তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসছেন। এটি নতুন সরকার গঠনের পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোনো জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার প্রথম সফর, যা ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্ককে নতুন করে জোরদার ও পুনর্গঠনের সংকেত বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। পল কাপুর একজন খ্যাতনামা ভারতীয়-আমেরিকান একাডেমিক ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ। তিনি নিউ দিল্লিতে জন্মগ্রহণ করেন (ভারতীয় পিতা ও আমেরিকান মাতা) এবং দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা, পারমাণবিক অস্ত্র প্রসার, ইসলামী জঙ্গিবাদ, ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক ও ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল নিয়ে গবেষণা ও বই লিখেছেন। তার উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে Dangerous Deterrent: Nuclear Weapons Proliferation and Conflict in South

Asia (২০০৭) এবং Jihad as Grand Strategy (২০১৬)। তিনি যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী পোস্টগ্র্যাজুয়েট স্কুলের (US Naval Postgraduate School) জাতীয় নিরাপত্তা বিভাগের অধ্যাপক এবং স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির হুভার ইনস্টিটিউশনে ভিজিটিং ফেলো ছিলেন। ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম মেয়াদে তিনি স্টেট ডিপার্টমেন্টের পলিসি প্ল্যানিং স্টাফে কাজ করেছেন, যেখানে ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল ও যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্ক নিয়ে কাজ করেন। ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর তিনি দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন এবং ডোনাল্ড লুর স্থলাভিষিক্ত হন। তার কার্যপরিধি মূলত দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলো (বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, কাজাখস্তানসহ অন্যান্য) নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি, কূটনীতি, নিরাপত্তা সহযোগিতা, বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা চুক্তি, রোহিঙ্গা সংকট, সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ ও ভূ-রাজনৈতিক

ভারসাম্য নিয়ে কাজ করা। বাংলাদেশে তার সফরের সম্ভাব্য কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে: নতুন সরকারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা ও পুনর্গঠন। বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা। ভূ-রাজনৈতিক বিষয়, বিশেষ করে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অংশীদারত্ব। সীমান্ত নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মার্কিন দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, সফরকালে ৩ থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও সম্ভবত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন। এই সফরকে ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের শুরু হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আইন বনাম মানবিকতা: মালয়েশিয়ায় ‘অপস ওমনিপ্রেজেন্ট’ অভিযান নিয়ে তীব্র বিতর্ক জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি ইরানে হামলা অব্যাহত রাখতে ট্রাম্পের ওপর চাপ দিচ্ছেন সৌদি যুবরাজ ১৭ বছর লড়াইয়ের পরও কেন বহিষ্কার, মুখ খুললেন রুমিন ফারহানা ডিএমপির ৪ থানায় ওসিকে বদলি ও পদায়ন হাদি হত্যার মূল ২ আসামিকে দিল্লি নিয়ে গেছে এনআইএ ঈদের রাতে বিএনপি নেতা মিন্টুর ‘সিক্স স্টার’ বাহিনীর তাণ্ডব আ.লীগ ছাড়া সংসদ, যা বললেন রুমিন ফারহানা নিজের ক্রাশের নাম প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী মাহিরা সাকিবকে যে বার্তা দিলেন প্রধান নির্বাচক পুরোনো রাউটার নিয়ে যে সতর্কবার্তা দিল এফবিআই এসএসসি পাসে আড়ংয়ে নিয়োগ, আবেদন করবেন যেভাবে মাইকে ঘোষণা দিয়ে ২ গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ইমামসহ নিহত ২ যে মামলায় জামিন পেলেন ইনু, মেনন ও বিচারপতি মানিক ‘নির্বাচকদের ভুল ধরার প্রবণতা আমাদের দেশে বেশি’ ৪ ঘণ্টা দাঁড়িয়েও তেল পেলেন না নাসীরুদ্দীন নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত, ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস ২৬ মার্চ প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট লালপুরে ট্রাক ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত ইরান কি আসলেই অপরাজেয় এফ-৩৫ ভূপাতিত করেছিল