ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘পুলিশ মারা হবে, ম্যাসাকার হবে—ড. ইউনূস আগেই জানতেন’, দায় এড়াতেই দেরিতে দেশে ফেরেন তিনি: শামীম হায়দার পাটোয়ারী
আবারো কারাগারে মৃত্যুর মিছিল: বিনা বিচারে মারা গেলেন দুমকি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক
ড. ইউনূসকে ‘লোভী’ ও ‘অপদার্থ’ আখ্যা দিলেন রনি, বিদায়ের পেছনে আমেরিকার হাত থাকার দাবি
অন্তর্বর্তী সরকারের বড় সিদ্ধান্ত আসত ‘কিচেন কেবিনেট’ থেকে: বিস্ফোরক মন্তব্যে সাখাওয়াত হোসেন
আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে বাইরে রাখা যাবে না, হাবিবুর রহমান হাবিব
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলামের ইন্তেকাল: শেখ হাসিনার গভীর শোক
‘ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হবেন জানলে রাস্তায় নামতাম না’: আবদুন নূর তুষার
ড. ইউনূস অসম চুক্তি বাতিল না করে ভারতবিদ্বেষী সেন্টিমেন্ট কাজে লাগিয়েছেন: মাহবুব কামাল
বঙ্গবন্ধু ইন্দিরা গান্ধীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ওআইসি-র সদস্য হয়েছিলেন
ড. ইউনূস ভারতের সঙ্গে হওয়া অসম চুক্তিগুলো প্রকাশ বা বাতিল করেননি
কেবল মানুষের ভারতবিদ্বেষী আবেগকে কাজে লাগিয়েছেন ড. ইউনূস
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভারতের চোখে চোখ রেখে কথা বলেছেন, কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূস তা পারেননি। উল্টো তিনি ভারতের সঙ্গে হওয়া অসম চুক্তিগুলো বাতিল বা প্রকাশ না করে কেবল দেশের মানুষের ভারতবিদ্বেষী সেন্টিমেন্টকে (আবেগ) কাজে লাগিয়েছেন।
সম্প্রতি সমসাময়িক রাজনীতি ও পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আয়োজিত একটি আলোচনায় অংশ নিয়ে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মাহবুব কামাল এসব কথা বলেন।
বঙ্গবন্ধুর স্বাধীন ও দৃঢ় পররাষ্ট্রনীতির দৃষ্টান্ত তুলে ধরে মাহবুব কামাল বলেন, "বঙ্গবন্ধু ভারতের চোখে চোখ রেখে কথা বলেছেন। তিনি ইন্দিরা গান্ধীকে সৈন্য সরিয়ে
নিতে বলেছিলেন এবং তারা সৈন্য নিয়ে গেছে। এমনকি ইন্দিরা গান্ধীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধু ওআইসি-র (অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন) সদস্য হয়েছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী মাইন্ড করবেন জেনেও তিনি জুলফিকার আলী ভুট্টোকে বাংলাদেশে এনেছিলেন।" অন্যদিকে ড. ইউনূসের পররাষ্ট্রনীতির কঠোর সমালোচনা করেন এই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক। ড. ইউনূস ভারতের চোখে চোখ রেখে কথা বলেছেন—এমন দাবিকে অবাস্তব আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, "ড. ইউনূস যদি সত্যিই ভারতের চোখে চোখ রেখে কথা বলতেন, তাহলে সামিটের সাইডলাইনে একটি সাক্ষাতের জন্য এত দৌড়াদৌড়ি করতেন না। তিনি ভারতের সঙ্গে হওয়া অসম বা দাসত্বমূলক চুক্তিগুলো বাতিল তো করেনইনি, এমনকি দেশবাসীকে দেখানওনি।" মাহবুব কামালের মতে, ড. ইউনূস ভেতরে ভেতরে ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখে
কেবল দেশের মানুষের ভারতবিদ্বেষী আবেগকে (অ্যান্টি-ইন্ডিয়ান সেন্টিমেন্ট) ব্যবহার করে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। আলোচনায় তিনি আরও উল্লেখ করেন, ড. ইউনূস দেশের পররাষ্ট্রনীতিকে অত্যন্ত বাজে একটি জায়গায় নিয়ে গেছেন। তাঁর আমলের বিভিন্ন গোপন চুক্তি (নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট) বর্তমানে দেশ শাসনে তারেক রহমানের ঘাড়ে ‘বোঝার ওপর শাকের আঁটি’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এ কারণেই বিদেশি চাপে বাধ্য হয়ে একজন ‘আদর্শহীন’ টেকনোক্র্যাটকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বানাতে হয়েছে বিএনপিকে। বর্তমান যুগকে ‘সত্য-পরবর্তী যুগ’ (পোস্ট-ট্রুথ এরা) আখ্যা দিয়ে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, এখন সত্যের চেয়ে ‘ন্যারেটিভ’ বা বয়ান বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে এবং এসব মনগড়া বয়ানের আড়ালে প্রকৃত সত্য ঢাকা পড়ে যাচ্ছে।
নিতে বলেছিলেন এবং তারা সৈন্য নিয়ে গেছে। এমনকি ইন্দিরা গান্ধীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধু ওআইসি-র (অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন) সদস্য হয়েছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী মাইন্ড করবেন জেনেও তিনি জুলফিকার আলী ভুট্টোকে বাংলাদেশে এনেছিলেন।" অন্যদিকে ড. ইউনূসের পররাষ্ট্রনীতির কঠোর সমালোচনা করেন এই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক। ড. ইউনূস ভারতের চোখে চোখ রেখে কথা বলেছেন—এমন দাবিকে অবাস্তব আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, "ড. ইউনূস যদি সত্যিই ভারতের চোখে চোখ রেখে কথা বলতেন, তাহলে সামিটের সাইডলাইনে একটি সাক্ষাতের জন্য এত দৌড়াদৌড়ি করতেন না। তিনি ভারতের সঙ্গে হওয়া অসম বা দাসত্বমূলক চুক্তিগুলো বাতিল তো করেনইনি, এমনকি দেশবাসীকে দেখানওনি।" মাহবুব কামালের মতে, ড. ইউনূস ভেতরে ভেতরে ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখে
কেবল দেশের মানুষের ভারতবিদ্বেষী আবেগকে (অ্যান্টি-ইন্ডিয়ান সেন্টিমেন্ট) ব্যবহার করে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। আলোচনায় তিনি আরও উল্লেখ করেন, ড. ইউনূস দেশের পররাষ্ট্রনীতিকে অত্যন্ত বাজে একটি জায়গায় নিয়ে গেছেন। তাঁর আমলের বিভিন্ন গোপন চুক্তি (নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট) বর্তমানে দেশ শাসনে তারেক রহমানের ঘাড়ে ‘বোঝার ওপর শাকের আঁটি’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এ কারণেই বিদেশি চাপে বাধ্য হয়ে একজন ‘আদর্শহীন’ টেকনোক্র্যাটকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বানাতে হয়েছে বিএনপিকে। বর্তমান যুগকে ‘সত্য-পরবর্তী যুগ’ (পোস্ট-ট্রুথ এরা) আখ্যা দিয়ে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, এখন সত্যের চেয়ে ‘ন্যারেটিভ’ বা বয়ান বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে এবং এসব মনগড়া বয়ানের আড়ালে প্রকৃত সত্য ঢাকা পড়ে যাচ্ছে।



