ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মেয়াদ শেষ চসিকের: সরতে নারাজ মেয়র শাহাদাত, দাবি ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকার
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে চিফ প্রসিকিউটর তাজুলকে
সংবিধান রক্ষায় অবিচল রাষ্ট্রপতি: ড. ইউনূসের চরম স্বেচ্ছাচারিতা ও অসাংবিধানিক ষড়যন্ত্র ফাঁস
‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন, আজ নিজেই মিথ্যা মামলায় বন্দী’: ব্যারিস্টার সুমনের নিঃশর্ত মুক্তি চাইলেন স্ত্রী
গণভবনের মতো বঙ্গভবনেও লুটপাটের পরিকল্পনা ছিল ইউনূস গংয়ের!
রাষ্ট্রপতিকে না জানিয়ে আমেরিকার সঙ্গে দেশবিরোধী চুক্তি করেছিলেন ইউনূস
দেড় বছরে দেশ থেকে কী কী নিয়ে গেলেন ইউনূস
ড. ইউনূসের বিদায় ‘নাটক’, ১৮ মাসে ৪ লাখ কোটি টাকা ঋণ
সদ্য বিদায়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের মেয়াদের তীব্র সমালোচনা করেছে ‘আম জনতা দল’। দলটির অভিযোগ, ক্ষমতা ছাড়ার সময় বৃষ্টিতে ভিজে ছোট একটি স্যুটকেস হাতে হেঁটে বিদায় নেওয়ার যে দৃশ্য দেখা গেছে, তা স্রেফ ‘নাটক’। প্রকৃতপক্ষে ড. ইউনূস অল্প সময়ে নিজের ব্যবসার জন্য নজিরবিহীন সুবিধা নিয়েছেন। পাশাপাশি এই ১৮ মাসে দেশে কোনো বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন না হলেও সরকার চার লাখ কোটি টাকা ঋণ করেছে।
আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে আম জনতা দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান এসব অভিযোগ করেন। ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা ও মানবাধিকার পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে বলে
দাবি করেন। ফেসবুক স্ট্যাটাসে তারেক রহমান বলেন, ‘এ দেশে ক্ষমতা ছেড়ে গেলে নাকি নিজের বলে কিছু থাকে না। কিন্তু ড. ইউনূস বৃষ্টিতে ভেজার অভিনয় করে, নিজের ব্যবসার জন্য ডজনখানেক লাইসেন্স, ৬৬৬ কোটি টাকার কর ফাঁকি এবং গ্রামীণ ব্যাংকে সরকারের অংশীদারত্ব ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশে আনার সুবিধা নিয়ে একটি ছোট স্যুটকেস হাতে হেঁটে যাওয়ার নাটক করলেন। পরদিন হাসিমুখে নিজের মাল্টিমিলিয়ন ডলারের ব্যবসায় ফিরে গেছেন তিনি। অল্প সময়ে এত অধিক ব্যবসায়িক সুবিধা অন্য কোনো সরকারপ্রধান নিয়েছেন কি না, তার নজির নেই।’ স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলে তিনি আরও লেখেন, ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের তাঁর এক বান্ধবীকে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা এবং নিজের স্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসককে প্রাথমিক
ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা করেছিলেন। অথচ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অনেক যোদ্ধাকে বিনা চিকিৎসায় মারা যেতে হয়েছে। স্মৃতিসৌধে বৃষ্টিতে ভিজলেও শহীদ মিনারে তাঁকে দেখা যায়নি উল্লেখ করে তারেক রহমান একে ‘দেশপ্রেম নয়, নিজের স্বার্থের প্রেম’ বলে মন্তব্য করেন। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের অর্থনীতির চিত্র তুলে ধরে স্ট্যাটাসে বলা হয়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ১৭ বছরে ১৮ লাখ কোটি টাকা ঋণ করেছিল, যার বার্ষিক গড় ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে অন্তর্বর্তী সরকার কোনো বড় প্রকল্প হাতে না নিলেও মাত্র ১৮ মাসে ৪ লাখ কোটি টাকা ঋণ করেছে। বার্ষিক হিসাবে এই ঋণ ২ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা। গত ৪০ বছরের মধ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রথমবারের
মতো সরকারের নিয়মিত কার্যাবলি চালাতেই ঋণ করতে হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যুৎ খাতে ১৪ হাজার কোটি টাকার জ্বালানি বকেয়া, পদ্মা সেতুর টোল আদায় সত্ত্বেও কিস্তি পরিশোধ না করা এবং শেয়ারবাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে লুটপাটের অভিযোগ করা হয় দলটির পক্ষ থেকে। নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে তারেক রহমান তাঁর স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘এক প্রচণ্ড লোভী ব্যক্তির এই শাসনকালকে সবচেয়ে বেশি মানুষ ফেরেশতার শাসনামল হিসেবে সমর্থন করেছিল, যেখানে ১২ কেজি গ্যাসের দাম ২ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত ঠেকেছিল।’ চালের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে উল্লেখ করে বলা হয়, এই সময়ে নতুন করে ৩০ লাখ পরিবার গরিব হয়েছে এবং ১৮ লাখ নারীসহ মোট ২৪ লাখ মানুষ
কর্মহীন হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির বিষয়ে স্ট্যাটাসে বলা হয়, এই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন তোফাজ্জলকে ভাত খাইয়ে নির্মমভাবে হত্যা, হাদী হত্যা এবং পাথর নিক্ষেপ করে হত্যার মতো ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া বনানীতে বিএনপি নেতাকে প্রকাশ্যে হত্যার পর থানা হেফাজতে খুনির মৃত্যু, ময়মনসিংহে হিন্দু সম্প্রদায়ের একজনকে পুড়িয়ে হত্যা, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোছাব্বিরকে হত্যা এবং কবর থেকে লাশ তুলে পোড়ানোর মতো ঘটনা ঘটেছে। শিল্প খাতে অস্থিরতার কথা উল্লেখ করে আম জনতা দলের সদস্যসচিব বলেন, মব সন্ত্রাস ও অগ্নিসংযোগে গাজী গ্রুপ, বেক্সিমকো ও অসংখ্য পোশাক কারখানা মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হলেও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উল্টো হাজার হাজার রাজনৈতিক কর্মীকে ‘মব’
সৃষ্টি করে মিথ্যা মামলায় জেলে পাঠানো হয়েছে। একেকটি মামলায় ভৌতিকভাবে ১৫০ থেকে ২০০ জনের বেশি মানুষকে আসামি করা হয়েছে।
দাবি করেন। ফেসবুক স্ট্যাটাসে তারেক রহমান বলেন, ‘এ দেশে ক্ষমতা ছেড়ে গেলে নাকি নিজের বলে কিছু থাকে না। কিন্তু ড. ইউনূস বৃষ্টিতে ভেজার অভিনয় করে, নিজের ব্যবসার জন্য ডজনখানেক লাইসেন্স, ৬৬৬ কোটি টাকার কর ফাঁকি এবং গ্রামীণ ব্যাংকে সরকারের অংশীদারত্ব ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশে আনার সুবিধা নিয়ে একটি ছোট স্যুটকেস হাতে হেঁটে যাওয়ার নাটক করলেন। পরদিন হাসিমুখে নিজের মাল্টিমিলিয়ন ডলারের ব্যবসায় ফিরে গেছেন তিনি। অল্প সময়ে এত অধিক ব্যবসায়িক সুবিধা অন্য কোনো সরকারপ্রধান নিয়েছেন কি না, তার নজির নেই।’ স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলে তিনি আরও লেখেন, ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের তাঁর এক বান্ধবীকে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা এবং নিজের স্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসককে প্রাথমিক
ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা করেছিলেন। অথচ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অনেক যোদ্ধাকে বিনা চিকিৎসায় মারা যেতে হয়েছে। স্মৃতিসৌধে বৃষ্টিতে ভিজলেও শহীদ মিনারে তাঁকে দেখা যায়নি উল্লেখ করে তারেক রহমান একে ‘দেশপ্রেম নয়, নিজের স্বার্থের প্রেম’ বলে মন্তব্য করেন। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের অর্থনীতির চিত্র তুলে ধরে স্ট্যাটাসে বলা হয়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ১৭ বছরে ১৮ লাখ কোটি টাকা ঋণ করেছিল, যার বার্ষিক গড় ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে অন্তর্বর্তী সরকার কোনো বড় প্রকল্প হাতে না নিলেও মাত্র ১৮ মাসে ৪ লাখ কোটি টাকা ঋণ করেছে। বার্ষিক হিসাবে এই ঋণ ২ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা। গত ৪০ বছরের মধ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রথমবারের
মতো সরকারের নিয়মিত কার্যাবলি চালাতেই ঋণ করতে হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যুৎ খাতে ১৪ হাজার কোটি টাকার জ্বালানি বকেয়া, পদ্মা সেতুর টোল আদায় সত্ত্বেও কিস্তি পরিশোধ না করা এবং শেয়ারবাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে লুটপাটের অভিযোগ করা হয় দলটির পক্ষ থেকে। নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে তারেক রহমান তাঁর স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘এক প্রচণ্ড লোভী ব্যক্তির এই শাসনকালকে সবচেয়ে বেশি মানুষ ফেরেশতার শাসনামল হিসেবে সমর্থন করেছিল, যেখানে ১২ কেজি গ্যাসের দাম ২ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত ঠেকেছিল।’ চালের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে উল্লেখ করে বলা হয়, এই সময়ে নতুন করে ৩০ লাখ পরিবার গরিব হয়েছে এবং ১৮ লাখ নারীসহ মোট ২৪ লাখ মানুষ
কর্মহীন হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির বিষয়ে স্ট্যাটাসে বলা হয়, এই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন তোফাজ্জলকে ভাত খাইয়ে নির্মমভাবে হত্যা, হাদী হত্যা এবং পাথর নিক্ষেপ করে হত্যার মতো ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া বনানীতে বিএনপি নেতাকে প্রকাশ্যে হত্যার পর থানা হেফাজতে খুনির মৃত্যু, ময়মনসিংহে হিন্দু সম্প্রদায়ের একজনকে পুড়িয়ে হত্যা, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোছাব্বিরকে হত্যা এবং কবর থেকে লাশ তুলে পোড়ানোর মতো ঘটনা ঘটেছে। শিল্প খাতে অস্থিরতার কথা উল্লেখ করে আম জনতা দলের সদস্যসচিব বলেন, মব সন্ত্রাস ও অগ্নিসংযোগে গাজী গ্রুপ, বেক্সিমকো ও অসংখ্য পোশাক কারখানা মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হলেও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উল্টো হাজার হাজার রাজনৈতিক কর্মীকে ‘মব’
সৃষ্টি করে মিথ্যা মামলায় জেলে পাঠানো হয়েছে। একেকটি মামলায় ভৌতিকভাবে ১৫০ থেকে ২০০ জনের বেশি মানুষকে আসামি করা হয়েছে।



