ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের ‘মহিমান্বিত’ করে শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে সংসদ: ছাত্র ইউনিয়ন-ফ্রন্টের প্রতিবাদ
সংসদে রাজাকারদের জন্য শোক প্রস্তাব: ৪১ বিশিষ্ট নাগরিকের প্রতিবাদ
ইউনূসের পদাঙ্ক অনুসরণে তারেক: দিবসের তালিকায় ফেরেনি ৭ই মার্চ, ১৫ই আগস্ট ও সংবিধান দিবস
দেশের জন্য রাশিয়া থেকে জ্বালানি ক্রয় নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতির ওপর: রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী
উপদেষ্টার শিশুকন্যার ‘ছাগল চোর নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী’ বনাম মির্জা আব্বাস: রাজনীতির বাকবাঁদল
৭৪ কারাগারে ২৩ অ্যাম্বুলেন্স: সংকটের অজুহাতে পথেই রাজনৈতিক বন্দিদের মৃত্যু
আসিফ মাহমুদসহ ৪২ জনকে পুলিশ হত্যার আসামি করার আবেদন আদালতে নাকচ
ড. ইউনূসকে ‘সবচেয়ে বড় রাজাকার’ আখ্যা সাংবাদিক পান্নার, পাঠ্যপুস্তকে নাম অন্তর্ভুক্তির দাবি
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বাংলাদেশের ৫৫ বছরের ইতিহাসে ‘প্রধানতম শত্রু ও বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা দিয়েছেন সাংবাদিক মনজুরুল আলম পান্না। একই সঙ্গে তিনি পাঠ্যপুস্তকে ড. ইউনূসের নাম ‘সবচেয়ে বড় রাজাকার ও লুটেরা’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।
সম্প্রতি দেওয়া এক বক্তব্যে সাংবাদিক মনজুরুল আলম পান্না প্রধান উপদেষ্টার কড়া সমালোচনা করে এসব কথা বলেন।
বক্তব্যে মনজুরুল আলম পান্না বলেন, ‘৫৫ বছরের ইতিহাসে এই মাটি-মানুষ-মুক্তিযুদ্ধের প্রধানতম শত্রু এই ব্যক্তি। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দেশের সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতক, সবচেয়ে বড় রাজাকার, লুটেরা হিসেবে পাঠ্যপুস্তকে ড. ইউনূসের নাম অন্তর্ভুক্তির দাবি করছি।’
ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে এই সাংবাদিক আরও বলেন, ‘পুরো বিশ্বের সামনে
তাঁর মুখোশ উন্মোচনের দায় আমাদের সবার। যদিও কিছু রাজাকার শাবকের কাছে তাঁর জুড়ি মেলা ভার।’ সাংবাদিক মনজুরুল আলম পান্না মূলত ‘মানচিত্র’ নামের একটি ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনা করেন। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক টক শোতে আলোচক হিসেবে অংশ নিয়ে থাকেন। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত বছরের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের নিয়মিত সমালোচনা করতে দেখা যায় তাঁকে। এর আগে গত বছরের আগস্টের শেষ দিকে মতপ্রকাশ ও সরকারের সমালোচনার অভিযোগে তাঁকেসহ আরও কয়েকজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওই গ্রেপ্তারের ঘটনায় সে সময় মানবাধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ জানিয়েছিল। পরে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি জামিনে মুক্তি পান। কারামুক্তির পর থেকেই তিনি বর্তমান সরকার
এবং বিশেষ করে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের নীতির বিরুদ্ধে সরব রয়েছেন। তাঁর এই সাম্প্রতিক মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তাঁর মুখোশ উন্মোচনের দায় আমাদের সবার। যদিও কিছু রাজাকার শাবকের কাছে তাঁর জুড়ি মেলা ভার।’ সাংবাদিক মনজুরুল আলম পান্না মূলত ‘মানচিত্র’ নামের একটি ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনা করেন। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক টক শোতে আলোচক হিসেবে অংশ নিয়ে থাকেন। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত বছরের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের নিয়মিত সমালোচনা করতে দেখা যায় তাঁকে। এর আগে গত বছরের আগস্টের শেষ দিকে মতপ্রকাশ ও সরকারের সমালোচনার অভিযোগে তাঁকেসহ আরও কয়েকজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওই গ্রেপ্তারের ঘটনায় সে সময় মানবাধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ জানিয়েছিল। পরে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি জামিনে মুক্তি পান। কারামুক্তির পর থেকেই তিনি বর্তমান সরকার
এবং বিশেষ করে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের নীতির বিরুদ্ধে সরব রয়েছেন। তাঁর এই সাম্প্রতিক মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।



