ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ২ গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ইমামসহ নিহত ২
যে মামলায় জামিন পেলেন ইনু, মেনন ও বিচারপতি মানিক
২৬ মার্চ প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট
২৫ মার্চ দেশে এক মিনিটের ‘ব্ল্যাক আউট’
ঈদের ছুটি শেষ, অফিস খুলছে আজ
২৫ ও ২৬ মার্চ আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ করল সরকার
ড. ইউনূসকে ‘লোভী’ ও ‘অপদার্থ’ আখ্যা দিলেন রনি, বিদায়ের পেছনে আমেরিকার হাত থাকার দাবি
সাবেক সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট গোলাম মাওলা রনি ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ড. ইউনূসকে পশ্চিমা বিশ্ব সমর্থন দিলেও পরে তারা বুঝতে পারে যে তিনি একটি 'লায়াবিলিটি' বা বোঝা। এছাড়া তাঁর বিদায়ের পেছনে খোদ আমেরিকারও হাত ছিল বলে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি। সম্প্রতি একটি টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
'মব' বা উচ্ছৃঙ্খলতাকে প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ
ড. ইউনূসের শাসনামলের কড়া সমালোচনা করে গোলাম মাওলা রনি বলেন, তাঁর সরকার দেশে 'মব জাস্টিস' বা উচ্ছৃঙ্খল জনতার শাসনকে প্রশ্রয় দিয়েছিল। তিনি বলেন, "ইউনূস সরকারের মধ্যে একটা ভালো দিক ছিল, তারা কিন্তু এই মুনাফিকিটা করে
নাই। তারা সরাসরি বলেছে মব আমাদের খুব ভালো লাগে, এটা একটা প্রেসার গ্রুপ।" তবে রাষ্ট্র পরিচালনায় ড. ইউনূসের বড় ব্যর্থতা এই মব নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 'পাঁচ দিনেই মোহভঙ্গ' ড. ইউনূসকে 'লোভী' আখ্যা দিয়ে রনি বলেন, "ড. ইউনুস যে কাজ করতে পারবেন না, সে যে লোভী মানুষ, আমরা অনেক আগের থেকেই জানতাম, বুঝতাম।" তিনি আরও বলেন, "মানুষ প্রথমে তাঁকে পাঁচ বছরের জন্য মেনে নিয়েছিল। ভেবেছিল একটা মানুষ আসছে থাকুক না। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার পাঁচ দিন পরই তাঁর কর্মকাণ্ড ও কথাবার্তা দেখে মানুষের মনে হয়েছে—এই ব্যাটা আজকেই চলে যাক।" বিদায়ের পেছনে আমেরিকার হাত পশ্চিমাদের ভূমিকা নিয়ে রনি বলেন, ড. ইউনূসের একটি
আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং ছিল যার কারণে অনেকেই তাঁর প্রতি শুরুতে নমনীয় ছিলেন। পশ্চিমা বিশ্ব তাঁকে সাহায্য করারও চেষ্টা করেছিল। কিন্তু কিছুদিন পরেই তাদের মোহভঙ্গ হয়। রনির ভাষায়, "কয়দিন পরে তারা দেখলো যে আরে, আমরা তো ডলার ও টাকা-পয়সা খরচ করে পেলে-পুষে একটা 'অপদার্থ' মানুষ করেছি! এ তো আমাদের জন্য লায়াবিলিটিস হয়ে গেছে! ফলে এই যে সে চলে গেলো, এর পেছনে খালি আমাদের হাত না, আমেরিকারও হাত আছে। তারাও চাচ্ছিল না যে এই লোক থাকুক।" শক্তিশালী রাজনৈতিক ক্যাবিনেটের অভাব রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকার কথা উল্লেখ করে এই বিশ্লেষক বলেন, "আমরা আশা করেছিলাম রাজনৈতিক দলগুলো একত্রে বসে তাঁকে একটি শক্তিশালী ক্যাবিনেট উপহার দেবে। সেই ক্যাবিনেটটা যদি স্ট্রং
থাকতো, তাহলে ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস ব্যক্তিস্বার্থে যে ভুল বা অন্যায়গুলো করেছেন, সেগুলো হয়তো তিনি করতে পারতেন না।" একইসাথে তিনি ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক নেতৃত্বের (বিশেষ করে তারেক রহমানের প্রসঙ্গে) প্রতি ইঙ্গিত করে সতর্ক করেন যে, দেশে যদি আবারও 'মব' বা উচ্ছৃঙ্খলতা শুরু হয় এবং তা নিয়ন্ত্রণ করা না যায়, তবে কোনো নেতাই আর ১০০ দিনের 'হানিমুন পিরিয়ড' পাবেন না। গোলাম মাওলা রনির এই তীক্ষ্ণ ও বিস্ফোরক মন্তব্যগুলো রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
নাই। তারা সরাসরি বলেছে মব আমাদের খুব ভালো লাগে, এটা একটা প্রেসার গ্রুপ।" তবে রাষ্ট্র পরিচালনায় ড. ইউনূসের বড় ব্যর্থতা এই মব নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 'পাঁচ দিনেই মোহভঙ্গ' ড. ইউনূসকে 'লোভী' আখ্যা দিয়ে রনি বলেন, "ড. ইউনুস যে কাজ করতে পারবেন না, সে যে লোভী মানুষ, আমরা অনেক আগের থেকেই জানতাম, বুঝতাম।" তিনি আরও বলেন, "মানুষ প্রথমে তাঁকে পাঁচ বছরের জন্য মেনে নিয়েছিল। ভেবেছিল একটা মানুষ আসছে থাকুক না। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার পাঁচ দিন পরই তাঁর কর্মকাণ্ড ও কথাবার্তা দেখে মানুষের মনে হয়েছে—এই ব্যাটা আজকেই চলে যাক।" বিদায়ের পেছনে আমেরিকার হাত পশ্চিমাদের ভূমিকা নিয়ে রনি বলেন, ড. ইউনূসের একটি
আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং ছিল যার কারণে অনেকেই তাঁর প্রতি শুরুতে নমনীয় ছিলেন। পশ্চিমা বিশ্ব তাঁকে সাহায্য করারও চেষ্টা করেছিল। কিন্তু কিছুদিন পরেই তাদের মোহভঙ্গ হয়। রনির ভাষায়, "কয়দিন পরে তারা দেখলো যে আরে, আমরা তো ডলার ও টাকা-পয়সা খরচ করে পেলে-পুষে একটা 'অপদার্থ' মানুষ করেছি! এ তো আমাদের জন্য লায়াবিলিটিস হয়ে গেছে! ফলে এই যে সে চলে গেলো, এর পেছনে খালি আমাদের হাত না, আমেরিকারও হাত আছে। তারাও চাচ্ছিল না যে এই লোক থাকুক।" শক্তিশালী রাজনৈতিক ক্যাবিনেটের অভাব রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকার কথা উল্লেখ করে এই বিশ্লেষক বলেন, "আমরা আশা করেছিলাম রাজনৈতিক দলগুলো একত্রে বসে তাঁকে একটি শক্তিশালী ক্যাবিনেট উপহার দেবে। সেই ক্যাবিনেটটা যদি স্ট্রং
থাকতো, তাহলে ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস ব্যক্তিস্বার্থে যে ভুল বা অন্যায়গুলো করেছেন, সেগুলো হয়তো তিনি করতে পারতেন না।" একইসাথে তিনি ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক নেতৃত্বের (বিশেষ করে তারেক রহমানের প্রসঙ্গে) প্রতি ইঙ্গিত করে সতর্ক করেন যে, দেশে যদি আবারও 'মব' বা উচ্ছৃঙ্খলতা শুরু হয় এবং তা নিয়ন্ত্রণ করা না যায়, তবে কোনো নেতাই আর ১০০ দিনের 'হানিমুন পিরিয়ড' পাবেন না। গোলাম মাওলা রনির এই তীক্ষ্ণ ও বিস্ফোরক মন্তব্যগুলো রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।



