ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যেসব কারণে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ
২০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন ভবনে হামলা, ককটেল নিক্ষেপ
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২২টি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক চুরি
গুরু পাপে লঘু দণ্ড পুঁজিবাজারে, উৎসাহিত হচ্ছে কারসাজি চক্র
সুন্দরবনে থামছে না হরিণ শিকার, ৩৪৫৩ কেজি মাংস উদ্ধার!
কে হচ্ছেন নতুন রাষ্ট্রপতি
আগস্টে পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন না হলে সরকারি কর্মচারীদের বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা
ড. ইউনুস সরকারকে ‘শিশু খুনি’ আখ্যা দিলেন ইমি
জুলাই বিপ্লবের রক্তক্ষয়ী স্মৃতি এখনো টাটকা। সেই গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার মৃত্যুর দায়ে যদি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ছাত্র খুনি’ বলা হয়। তবে বর্তমান সময়ে হামের প্রকোপে শত শত শিশুর অকাল মৃত্যুর দায়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে কেন ‘শিশু খুনি’ বলা হবে না—এমন বিস্ফোরক প্রশ্ন তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি তাসনিম আফরোজ ইমি।
কারাগার থেকে মুক্তির পরপরই একের পর এক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ড এবং রাষ্ট্রীয় অব্যবস্থাপনা নিয়ে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভ ঝেড়েছেন তিনি।
ইমি তাঁর বক্তব্যে সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন যে, প্রতিদিন আমাদের সন্তানেরা রাষ্ট্রের ব্যর্থতার কারণে অকালে প্রাণ হারাচ্ছে। তাঁর মতে, দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া হামের প্রকোপ এবং প্রয়োজনীয়
টিকাদান কর্মসূচির স্থবিরতা মূলত এক ধরনের ‘রাষ্ট্রীয় অপরাধ’। সড়ক দুর্ঘটনায় লাশের মিছিল এবং ভেঙে পড়া আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়ে সরকার এখন কেবল ‘লোকদেখানো’ কার্যক্রমে ব্যস্ত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক কিছু সামাজিক কর্মকাণ্ডের দিকে ইঙ্গিত করে কড়া সমালোচনা করেছেন এই ছাত্রনেত্রী। গত ১০ মে প্রধানমন্ত্রীর হঠাৎ বিয়ের দাওয়াতে যাওয়া, নবদম্পতিকে উপহার পাঠানো এবং বৃষ্টিতে ভেজা বা ড্রাইভ করার মতো বিষয়গুলো যখন তাঁর পিআর টিম ‘সফলতা’ হিসেবে প্রচার করছে। তখন ইমি সেগুলোকে ‘কুৎসিত’ ও ‘অমানবিক’ বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর ভাষায় “ভোরবেলা স্ত্রীকে নিয়ে বৃষ্টিতে ভেজা বা ড্রাইভ করা সুন্দর হতে পারে, কিন্তু যখন মৃত্যুর
কোলে ঢলে পড়া শিশুদের যন্ত্রণা কিংবা সড়কে লাশের সারি সামনে থাকে, তখন এই ‘সুন্দর’ বিষয়গুলোকেও চোখের বিষ মনে হয়।” বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর জনসংযোগ বা পিআর টিমের সমালোচনা করে ইমি বলেন, তাঁরা জনগণের প্রকৃত সমস্যা আড়াল করে সরকারের একটি ‘উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি’ তুলে ধরার ব্যর্থ চেষ্টা করছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যখন দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে এবং শিশুরা ধুঁকছে, তখন এ ধরনের ‘সফট ইমেজ’ তৈরির রাজনীতি মূলত জনগণের সাথে এক ধরনের পরিহাস। তাসনিম আফরোজ ইমি’র এই পোস্টটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, ড. ইউনুস সরকারের আমলে স্বাস্থ্য খাতের এই বেহাল দশা এবং হামের মতো প্রতিরোধযোগ্য রোগে শত শত শিশুর মৃত্যু অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর
ব্যক্তিগত জীবনের মুহূর্তগুলোকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের চেয়ে রাষ্ট্রীয় সংকটে আরও বেশি মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সাধারণ নেটিজেনরা। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দেশে হামের প্রকোপে এ পর্যন্ত ৪০০-এর বেশি শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। যা সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন ও বর্তমান সরকারের প্রশাসনিক দক্ষতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।
টিকাদান কর্মসূচির স্থবিরতা মূলত এক ধরনের ‘রাষ্ট্রীয় অপরাধ’। সড়ক দুর্ঘটনায় লাশের মিছিল এবং ভেঙে পড়া আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়ে সরকার এখন কেবল ‘লোকদেখানো’ কার্যক্রমে ব্যস্ত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক কিছু সামাজিক কর্মকাণ্ডের দিকে ইঙ্গিত করে কড়া সমালোচনা করেছেন এই ছাত্রনেত্রী। গত ১০ মে প্রধানমন্ত্রীর হঠাৎ বিয়ের দাওয়াতে যাওয়া, নবদম্পতিকে উপহার পাঠানো এবং বৃষ্টিতে ভেজা বা ড্রাইভ করার মতো বিষয়গুলো যখন তাঁর পিআর টিম ‘সফলতা’ হিসেবে প্রচার করছে। তখন ইমি সেগুলোকে ‘কুৎসিত’ ও ‘অমানবিক’ বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর ভাষায় “ভোরবেলা স্ত্রীকে নিয়ে বৃষ্টিতে ভেজা বা ড্রাইভ করা সুন্দর হতে পারে, কিন্তু যখন মৃত্যুর
কোলে ঢলে পড়া শিশুদের যন্ত্রণা কিংবা সড়কে লাশের সারি সামনে থাকে, তখন এই ‘সুন্দর’ বিষয়গুলোকেও চোখের বিষ মনে হয়।” বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর জনসংযোগ বা পিআর টিমের সমালোচনা করে ইমি বলেন, তাঁরা জনগণের প্রকৃত সমস্যা আড়াল করে সরকারের একটি ‘উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি’ তুলে ধরার ব্যর্থ চেষ্টা করছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যখন দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে এবং শিশুরা ধুঁকছে, তখন এ ধরনের ‘সফট ইমেজ’ তৈরির রাজনীতি মূলত জনগণের সাথে এক ধরনের পরিহাস। তাসনিম আফরোজ ইমি’র এই পোস্টটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, ড. ইউনুস সরকারের আমলে স্বাস্থ্য খাতের এই বেহাল দশা এবং হামের মতো প্রতিরোধযোগ্য রোগে শত শত শিশুর মৃত্যু অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর
ব্যক্তিগত জীবনের মুহূর্তগুলোকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের চেয়ে রাষ্ট্রীয় সংকটে আরও বেশি মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সাধারণ নেটিজেনরা। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দেশে হামের প্রকোপে এ পর্যন্ত ৪০০-এর বেশি শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। যা সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন ও বর্তমান সরকারের প্রশাসনিক দক্ষতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।



