ডিবি হেফাজতে বিএনপি নেতার মৃত্যু, সাবেক ২ এমপি ও পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে মামলা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৮ জুন, ২০২৫
     ৫:০৪ পূর্বাহ্ণ

ডিবি হেফাজতে বিএনপি নেতার মৃত্যু, সাবেক ২ এমপি ও পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৮ জুন, ২০২৫ | ৫:০৪ 97 ভিউ
২০১২ সালে শেরপুরে ডিবি হেফাজতে শেরপুর জেলা কৃষকদলের সহ-সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিকী বাচ্চু হত্যার ঘটনায় সাবেক দুই এমপি, সাবেক পুলিশ সুপার, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডিবির সাবেক ওসিসহ ৩৪ জনের নামে মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ জুন) শেরপুর সদর সি.আর আমলী আদালতে মামলাটি করেন নিহতের ছেলে মোকারুল ইসলাম মহন। শুনানী শেষে আদালতের বিচারক সুলতান মাহমুদ মিলন মামলাটি গ্রহণ করে পিবিআই পুলিশ সুপার জামালপুরকে তদন্তের আদেশ দেন। আসামিরা হলেন- সাবেক এমপি ও হুইপ মো. আতিউর রহমান আতিক, সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক এমপি ফাতেমাতুজহুরা শ্যামলী, শেরপুরের সাবেক পুলিশ সুপার মো. আনিছুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মহিবুল ইসলাম খান, শেরপুর গোয়েন্দা

সংস্থার (ডিবি) সাবেক ওসি মো. নজরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক পরিদর্শক মো. জহুরুল ইসলাম, শেরপুর সদর পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক মো. নজরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক উপ-পরিদর্শক মো. রিয়াদ হোসেন, মো. আরিফ রেজা, মো. শুভ রেজা, মো. আনোয়ারুল হাসান উৎপল, শ্রী চন্দন সাহা, তরিকুল ইসলাম রাজু, আমিরুল ইসলাম, শরিফুর রহমান শরিফ, মোহাম্মদ আলী, মো. শহিদুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম, মো. আব্দুল আলিম, মো. জাহাঙ্গীর আলম, আশীষ কুমার সুর, মাসুদ রানা, বেলাল হোসেন, মো. সাইদুল ইসলাম সাইদ, মাহবুবা রহমান শিমু, মনিরুজ্জামান মিলন তালুকদার, মো. আব্দুল হামিদ, শামীম আরা বেগম, হাজী মোশারফ, চানু মিয়া, সেতু দত্তসহ আরও অনেকে। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৩ ডিসেম্বর তৎকালীন

পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান ও সাবেক এমপি আতিউর রহমান আতিকের নির্দেশে তৎকালীন ডিবি ওসি ও কয়েকজন কনস্টেবলসহ শহরের সজবরখিলা মহল্লার তার নিজ বাড়ি থেকে বাচ্চুকে ডেকে নিয়ে যায়। ৪ ডিসেম্বর রাত আড়াইটার দিকে বাচ্চুর নিথর দেহটি তার বাড়িতে রেখে যায় পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, বাচ্চু ডিস ক্যাবলের ব্যবসা করতেন। এছাড়া তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার নামে আগে কোনো মামলা ছিল না। তাকে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও পুলিশ প্রশাসনের লোকজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে ডিবি হেফাজতে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে। আমরা সরকারের কাছে এই হত্যায় জড়িত আসামিদের কঠিন শাস্তির দাবি করছি। নিহতের ছেলে মোকারুল ইসলাম মোহন সাংবাদিকদের বলেন, আমার বাবাকে হত্যা করার পর পুলিশ

পাহারায় জানাজা এবং দাফন সম্পন্ন করা হয়। আমরা মামলা করতে পারি নাই। মামলা না করার জন্য পুলিশ সব সময় আমাদেরকে ভয়ভীতি দেখাতো এবং আমাদের তিন ভাইকে বিভিন্ন মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে।আমি আমার বাবার হত্যার বিচার চাই। বাদী পক্ষের আইনজীবী আব্দুল আজিজ সজীব রানা বলেন, এই ঘটনায় নিহতের ছেলে মোহন বাদী হয়ে সাবেক পুলিশ সুপার, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং সাবেক ডিবির ওসি ও কয়েকজন কনস্টেবলসহ ৩৪ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে একটি মামলা করেছেন। শেরপুর সদর সিআর আমলী আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআই জামালপুর পুলিশ সুপারকে তদন্তের আদেশ দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
দশ দিনে ডুবল অর্থনীতি, নাকি মঞ্চ তৈরি হচ্ছে লুটের? মার্চ ১৯৭১: স্বাধীনতা ঘোষণার প্রথম আনুষ্ঠানিকতা আলু ফলায় কৃষক, দাম পায় ফড়িয়া, ক্ষমতা ভোগ করে বিএনপি ইউনূসের সংস্কার : পোশাক বদলাও, সিন্ডিকেট বাঁচাও যাওয়ার আগে যা করে গেছেন ইউনূস, তার হিসাব কে দেবে? ছিনতাইয়ের স্বর্ণযুগ: ১০ শতাংশের দিন শেষ, ৩০ শতাংশের বাংলাদেশ ইরানে হামলা ও খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে জামায়াতের ‘ডামি বিক্ষোভ’ পুলিশ হত্যা তদন্ত শুরু হলে পালানোর পরিকল্পনায় হান্নান মাসুদ লোডশেডিং-ই কি এখন বিএনপি সরকারের সরকারি নীতি? জাতিকে ভুল বুঝিয়ে আমেরিকার সঙ্গে দেশবিক্রির চুক্তি করেছেন ইউনূস ‘কোরবানি-ভাগাভাগির’ নির্বাচনে ক্ষমতা দখলে নিয়েছে বিএনপি মার্কিন দূতাবাসসহ কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তা জোরদার ইরানকে সমর্থন জানাল চীন সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরু‌রি বিজ্ঞ‌প্তি সংঘাতে জড়াতে চায় না যুক্তরাজ্য, চটলেন ট্রাম্প ইসরায়েলে আবারও হামলা, সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ৩৮ হাজার ‘ছাত্র’কে দেখানো হয়েছে ‘ছাত্রী’ প্রকাশ্যে এলেন আলভী, দায়ী করলেন ইকরার পরিবারকেই মধ্যপ্রাচ্যে দুই দেশে নাগরিকদের জরুরি বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের এবার ইরানের পরমাণু স্থাপনায় যৌথ হামলা