ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঈদযাত্রায় বাড়তি নয়, কম ভাড়া নিচ্ছে বাস: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী
দুই মহাসড়কে যাত্রীর চাপ, স্থবির যানবাহন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে ‘কুরুচিপূর্ণ’ পোস্ট শেয়ার, বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা বরখাস্ত
গোপালগঞ্জের সন্তান- হেমায়েত বাহিনীর ক্যাপ্টেন হেমায়েত বীর বিক্রম, যাঁর নামে কলজে শুকিয়ে যেত পাকিস্তানিদের
ঈদে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরানো নিয়েও ইউনুসের ছলচাতুরী
বাংলার মাটি ও মানুষের প্রতি মমতায় গড়া এক নেতৃত্বের নাম শেখ মুজিব
স্কুলে এসে শিশুরা যেন পাঠ্যপুস্তকে বৈষম্য না দেখে—এই অবদান শেখ হাসিনার একান্ত
ডিবি পরিচয়ে অপহরণ, লুটপাট ও মব ভায়োলেন্স: শতাধিক অভিযোগে বহিষ্কার সায়মন
রাজধানীর মগবাজার ও হাতিরঝিল এলাকায় ডিবি (গোয়েন্দা পুলিশ) পরিচয়ে অপহরণ, টর্চার সেলে নির্যাতন, চাঁদাবাজি, লুটপাট ও মব ভায়োলেন্সসহ শতাধিক অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অবশেষে যুবদল নেতা ফেরদৌস আহমেদ সায়মনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাঁকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানায়।
বহিষ্কৃত ফেরদৌস আহমেদ সায়মন হাতিরঝিল থানার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক পদে ছিলেন। দলীয় পদ ব্যবহার করে তিনি এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র গড়ে তুলেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় ভুক্তভোগী ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সায়মন এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। তাঁর দাবিকৃত চাঁদা দিতে কেউ অস্বীকৃতি জানালে বা দরকষাকষি করলেই ‘সায়মন
বাহিনী’র সদস্যরা ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ওই ব্যক্তিকে তুলে নিয়ে যেত। অভিযোগ রয়েছে, গোপন টর্চার সেলে আটকে রেখে ভুক্তভোগীর ওপর চালানো হতো পৈশাচিক নির্যাতন। মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ পেলে ভুক্তভোগীকে ছেড়ে দেওয়া হতো। আর টাকা না দিলে হাত-পা বেঁধে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলার হুমকি দেওয়া হতো। ভয়ে অনেকে জমি বা সম্পদ বিক্রি করে সায়মনের হাতে টাকা তুলে দিতে বাধ্য হতেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, কেবল অপহরণ কিংবা মুক্তিপণ আদায়ই নয়—সায়মনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, লুটপাট, চুরি ও ছিনতাইয়ের মতো শতাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে তিনি মগবাজার এলাকায় ‘মব জাস্টিস’ বা মব ভায়োলেন্সের নাটক সাজিয়ে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে আসছিলেন। বাসাবাড়ি
ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট এবং চুরির ঘটনাতেও তাঁর বাহিনীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সায়মনের অপকর্মের সর্বশেষ শিকার হন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের নেতা কাজী রিয়াদ হাসনাত। ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে তাঁকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে রাতভর নির্যাতন করা হয়, যার ক্ষতচিহ্ন প্রকাশিত ছবিতে স্পষ্ট দেখা গেছে। সায়মনের এসব অপকর্ম এবং শতাধিক অভিযোগ কেন্দ্রীয় নেতাদের নজরে আসার পর আজ তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ফেরদৌস আহমেদ সায়মনকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ
দলের সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো। দীর্ঘদিন ধরে সায়মনের ভয়ে তটস্থ থাকা মগবাজার ও হাতিরঝিল এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে বহিষ্কারের খবরে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে ভুক্তভোগীরা বলছেন, কেবল বহিষ্কারই যথেষ্ট নয়; গুম, অপহরণ ও লুটপাটের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত সায়মনকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
বাহিনী’র সদস্যরা ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ওই ব্যক্তিকে তুলে নিয়ে যেত। অভিযোগ রয়েছে, গোপন টর্চার সেলে আটকে রেখে ভুক্তভোগীর ওপর চালানো হতো পৈশাচিক নির্যাতন। মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ পেলে ভুক্তভোগীকে ছেড়ে দেওয়া হতো। আর টাকা না দিলে হাত-পা বেঁধে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলার হুমকি দেওয়া হতো। ভয়ে অনেকে জমি বা সম্পদ বিক্রি করে সায়মনের হাতে টাকা তুলে দিতে বাধ্য হতেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, কেবল অপহরণ কিংবা মুক্তিপণ আদায়ই নয়—সায়মনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, লুটপাট, চুরি ও ছিনতাইয়ের মতো শতাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে তিনি মগবাজার এলাকায় ‘মব জাস্টিস’ বা মব ভায়োলেন্সের নাটক সাজিয়ে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে আসছিলেন। বাসাবাড়ি
ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট এবং চুরির ঘটনাতেও তাঁর বাহিনীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সায়মনের অপকর্মের সর্বশেষ শিকার হন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের নেতা কাজী রিয়াদ হাসনাত। ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে তাঁকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে রাতভর নির্যাতন করা হয়, যার ক্ষতচিহ্ন প্রকাশিত ছবিতে স্পষ্ট দেখা গেছে। সায়মনের এসব অপকর্ম এবং শতাধিক অভিযোগ কেন্দ্রীয় নেতাদের নজরে আসার পর আজ তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ফেরদৌস আহমেদ সায়মনকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ
দলের সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো। দীর্ঘদিন ধরে সায়মনের ভয়ে তটস্থ থাকা মগবাজার ও হাতিরঝিল এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে বহিষ্কারের খবরে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে ভুক্তভোগীরা বলছেন, কেবল বহিষ্কারই যথেষ্ট নয়; গুম, অপহরণ ও লুটপাটের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত সায়মনকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।



