*ডলার সংকটে গ্যাস আমদানি অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে*
দেশে চলমান ডলার সংকট চরম আকার ধারণ করেছে এর ফলে বর্তমানে জ্বালানি খাতকে গভীর সংকটের মুখে ফেলেছে।
বিশেষ করে গ্যাস আমদানির ক্ষেত্রে এই সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। সরকারিভাবে সরাসরি “গ্যাস আমদানি বন্ধ” ঘোষণা না দেওয়া হলেও বাস্তবতায় এলএনজি আমদানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এর মূল কারণ হিসেবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়।
ডলার সংকটের ফলে সরকারকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খাদ্য, ওষুধ ও অন্যান্য জরুরি পণ্যে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করতে হচ্ছে।
ফলে জ্বালানি খাতে প্রয়োজনীয় ডলার বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এর প্রভাব পড়ছে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং সাধারণ ভোক্তার জীবনে। গ্যাস সংকটে অনেক শিল্প উৎপাদন কমিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে, যা অর্থনীতিতে
নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশ্লেষকদের মতে, গ্যাস আমদানি পুরোপুরি বন্ধ না হলেও অনিয়মিত ও সীমিত আমদানি কার্যত একই সংকট তৈরি করছে। দীর্ঘমেয়াদে এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিকল্প জ্বালানি উৎস, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে।
নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশ্লেষকদের মতে, গ্যাস আমদানি পুরোপুরি বন্ধ না হলেও অনিয়মিত ও সীমিত আমদানি কার্যত একই সংকট তৈরি করছে। দীর্ঘমেয়াদে এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিকল্প জ্বালানি উৎস, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে।



