ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সংসদের বৈধতার প্রশ্ন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা
মুক্তিযুদ্ধকে ‘জনযুদ্ধ’ বলে ছোট করতে চাইলে তারা মীর জাফর: ভাইরাল ভিডিওতে তরুণের মন্তব্য
পুলিশের নতুন আইজিপি হলেন আলী হোসেন ফকির
ক্ষমতায় এসেই নিজেদের লোকদের বাঁচানোর পুরনো খেলায় ফিরলো বিএনপি
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অবদান
হামলা-মামলা-আটকের মধ্যেই সারাদেশে মিছিল-কার্যালয় খুলছে তৃণমুলের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা
নবগঠিত বিএনপি সরকারের সন্মতিতেই ‘কালের কন্ঠে” রাষ্ট্রপতি’র খোলামেলা সাক্ষাৎকার!
ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুলের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন একটি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে আসামিদের রাজসাক্ষী করা ও খালাস দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে রাজসাক্ষী করার বিনিময়ে হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে বলে দাবি করেছেন সাংবাদিক মনজুরুল আলম পান্না।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় সাংবাদিক মনজুরুল আলম পান্না এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি জানান, ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও ভাঙন থেকেই এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে।
ভিডিও বার্তায় মনজুরুল আলম পান্না বলেন, সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনিরের নেতৃত্বে ধানমন্ডি তদন্ত সংস্থায় একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছিল। তিনি
বলেন, ‘এই সিন্ডিকেট সাবেক আইজি মামুনকে রাজসাক্ষী নাটক বানায়। তাকে রাজসাক্ষী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার বিনিময়ে তার কাছ থেকে নাকি ১ হাজার কোটি টাকা নেওয়া হয়েছে। অনেকের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এমন অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।’ সাংবাদিক পান্নার দাবি, আইজিপি মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ধানমন্ডির তদন্ত সংস্থায় আনা হলে সেখানে শিশির মনির নিয়মিত উপস্থিত থাকতেন। এই সিন্ডিকেট দাগি খুনি পুলিশ কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার না করে নিরাপদে পালানোর সুযোগ করে দিয়েছে এবং চিফ প্রসিকিউটরের চেয়ারকে ‘টাকা বানানোর হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করেছে। শুধু আইজিপি মামুন নন, টাকার বিনিময়ে আরও অনেককে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন এই সাংবাদিক ও বিশ্লেষক। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদের বরাত দিয়ে
তিনি বলেন, আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো মামলার অন্যতম আসামি আবজালকে টাকার বিনিময়ে রাজসাক্ষী করে খালাস দেওয়া হয়েছে। ভিডিওতে পান্না অভিযোগ করেন, চানখারপুল এলাকায় ছাত্র-জনতার ওপর গুলির নির্দেশদাতা তৎকালীন এসআই আশরাফুলের ভিডিও প্রমাণ থাকার পরও তাকে আসামি না করে সাক্ষী করা হয়েছে। একই প্রক্রিয়ায় রংপুরের আবু সাঈদ হত্যা মামলা থেকে এসআই ইমরানকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। প্রসিকিউশন টিমে প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব সাংবাদিক পান্না জানান, প্রসিকিউশন টিমের সদস্যরাই এখন নিজেদের ভেতরে এসব সেটিং বাণিজ্য নিয়ে মুখ খুলছেন। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কাজী মোস্তাফিজুর রহমান আহাদ সম্প্রতি ফেসবুকে তাজুল ইসলাম সিন্ডিকেটের ‘সেটিং বাণিজ্য’ নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। ট্রাইব্যুনালের অন্যতম প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট বি এম সুলতান মাহমুদও প্রকাশ্যে তাকে সমর্থন জানিয়েছেন। সুলতান মাহমুদের
দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মনজুরুল আলম পান্না বলেন, গত বছরের নভেম্বরের শেষ দিকে আশুলিয়ার মামলার আসামি আবজালের স্ত্রী টাকার একটি ভারী ব্যাগ নিয়ে প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিমের কক্ষে এসেছিলেন। বিষয়টি তৎকালীন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে জানানো হলেও তিনি নীরব ছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে ওই আবজালকেই রাজসাক্ষী করে চূড়ান্ত বিচারে খালাস দেওয়া হয়। ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান এবং এর আগে-পরের ঘটনাপ্রবাহের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মনজুরুল আলম পান্না। তিনি বলেন, পুলিশ হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা বা বিটিভি, সেতু ভবন ও রেল ভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আত্মস্বীকৃত অনেক ব্যক্তি প্রকাশ্যে দায় স্বীকার করেছেন। টিভিতে এর প্রমাণও রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, ‘চিফ প্রসিকিউটরের সামনে প্রমাণ ভুরি
ভুরি থাকা সত্ত্বেও তিনি একপাক্ষিকভাবে বিশেষ একটি দলের শীর্ষ নেতাদের অভিযুক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে বিচারের রায়গুলো আনলেন। আসল ঘটনা ও আত্মস্বীকৃত খুনিদের আইনের আওতায় আনা হয়নি।’ প্রসিকিউশন টিমের বিরুদ্ধে ওঠা এমন ভয়াবহ আর্থিক কেলেঙ্কারি ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চলমান বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
বলেন, ‘এই সিন্ডিকেট সাবেক আইজি মামুনকে রাজসাক্ষী নাটক বানায়। তাকে রাজসাক্ষী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার বিনিময়ে তার কাছ থেকে নাকি ১ হাজার কোটি টাকা নেওয়া হয়েছে। অনেকের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এমন অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।’ সাংবাদিক পান্নার দাবি, আইজিপি মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ধানমন্ডির তদন্ত সংস্থায় আনা হলে সেখানে শিশির মনির নিয়মিত উপস্থিত থাকতেন। এই সিন্ডিকেট দাগি খুনি পুলিশ কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার না করে নিরাপদে পালানোর সুযোগ করে দিয়েছে এবং চিফ প্রসিকিউটরের চেয়ারকে ‘টাকা বানানোর হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করেছে। শুধু আইজিপি মামুন নন, টাকার বিনিময়ে আরও অনেককে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন এই সাংবাদিক ও বিশ্লেষক। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদের বরাত দিয়ে
তিনি বলেন, আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো মামলার অন্যতম আসামি আবজালকে টাকার বিনিময়ে রাজসাক্ষী করে খালাস দেওয়া হয়েছে। ভিডিওতে পান্না অভিযোগ করেন, চানখারপুল এলাকায় ছাত্র-জনতার ওপর গুলির নির্দেশদাতা তৎকালীন এসআই আশরাফুলের ভিডিও প্রমাণ থাকার পরও তাকে আসামি না করে সাক্ষী করা হয়েছে। একই প্রক্রিয়ায় রংপুরের আবু সাঈদ হত্যা মামলা থেকে এসআই ইমরানকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। প্রসিকিউশন টিমে প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব সাংবাদিক পান্না জানান, প্রসিকিউশন টিমের সদস্যরাই এখন নিজেদের ভেতরে এসব সেটিং বাণিজ্য নিয়ে মুখ খুলছেন। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কাজী মোস্তাফিজুর রহমান আহাদ সম্প্রতি ফেসবুকে তাজুল ইসলাম সিন্ডিকেটের ‘সেটিং বাণিজ্য’ নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। ট্রাইব্যুনালের অন্যতম প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট বি এম সুলতান মাহমুদও প্রকাশ্যে তাকে সমর্থন জানিয়েছেন। সুলতান মাহমুদের
দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মনজুরুল আলম পান্না বলেন, গত বছরের নভেম্বরের শেষ দিকে আশুলিয়ার মামলার আসামি আবজালের স্ত্রী টাকার একটি ভারী ব্যাগ নিয়ে প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিমের কক্ষে এসেছিলেন। বিষয়টি তৎকালীন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে জানানো হলেও তিনি নীরব ছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে ওই আবজালকেই রাজসাক্ষী করে চূড়ান্ত বিচারে খালাস দেওয়া হয়। ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান এবং এর আগে-পরের ঘটনাপ্রবাহের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মনজুরুল আলম পান্না। তিনি বলেন, পুলিশ হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা বা বিটিভি, সেতু ভবন ও রেল ভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আত্মস্বীকৃত অনেক ব্যক্তি প্রকাশ্যে দায় স্বীকার করেছেন। টিভিতে এর প্রমাণও রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, ‘চিফ প্রসিকিউটরের সামনে প্রমাণ ভুরি
ভুরি থাকা সত্ত্বেও তিনি একপাক্ষিকভাবে বিশেষ একটি দলের শীর্ষ নেতাদের অভিযুক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে বিচারের রায়গুলো আনলেন। আসল ঘটনা ও আত্মস্বীকৃত খুনিদের আইনের আওতায় আনা হয়নি।’ প্রসিকিউশন টিমের বিরুদ্ধে ওঠা এমন ভয়াবহ আর্থিক কেলেঙ্কারি ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চলমান বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।



