ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফেনীতে মাটিলুট ও চাঁদাবাজির জেরে যুবদল-ছাত্রদলের দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১
মূল্যবান জিনিস থানায় জমা রেখে ঈদযাত্রার অভিনব পরামর্শ ডিএমপির
মিসাইল আতঙ্ক, কাছে গিয়েও হরমুজ পেরোতে পারেনি বাংলাদেশি জাহাজ
শেখ হাসিনার খাদ্য ব্যবস্থাপনা: ইউনূসের পর বিএনপি সরকারও চাহিদা মেটাচ্ছে সেই মজুদে
ভারতের সরবরাহকৃত তেলে মজুদ পর্যাপ্ত, জ্বালানি তেলের রেশনিং প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ কেনায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি
ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর
ট্রাইবুনালে ভুয়া সাক্ষ্য উপস্থাপন: অপসারিত চিফ প্রসিকিউটর তাজুলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি
মেট্রোরেল, বিটিভি ভবন ও সেতুভবনে অগ্নিসংযোগ এবং পুলিশ হত্যাকাণ্ডের মতো গুরুতর অপরাধের প্রকাশ্য প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও ট্রাইবুনালে ভুয়া সাক্ষ্য-সাবুদ উপস্থাপনের অভিযোগ উঠেছে অপসারিত চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্র কী ব্যবস্থা নেবে, সে প্রশ্ন তুলেছেন সাংবাদিক মনজুরুল আলম পান্না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই প্রশ্ন তোলেন।
সাংবাদিক মনজুরুল আলম পান্না তার বক্তব্যে বলেন, "মেট্রোরেল-বিটিভি ভবন-সেতুভবনে আত্মস্বীকৃত অগ্নি প্রদানকারীদের প্রকাশ্য বক্তব্য রয়েছে। পুলিশ হত্যাকাণ্ডে আত্মস্বীকৃত খুনিদের প্রকাশ্য ভিডিও রয়েছে। তারপরও ট্রাইবুনালে যেভাবে ভুয়া সাক্ষ্য-সাবুদ উপস্থাপন করে কথিত বিচার কাজ এগিয়ে নিয়েছেন অপসারিত চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম, তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্র কী ব্যবস্থা নেবে?"
বিশ্লেষকদের মতে,
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হত্যার ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীদের ভিডিও ও স্বীকারোক্তি জনসমক্ষে রয়েছে। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, এসব অকাট্য প্রমাণ আমলে না নিয়ে ট্রাইবুনালে মনগড়া ও ভুয়া সাক্ষ্য উপস্থাপন করে বিচারকাজকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেছিলেন তাজুল ইসলাম। প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করে জালিয়াতির মাধ্যমে বিচারকাজ চালানোর এই অভিযোগ সামনে আসার পর বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এখন সচেতন মহলের একটাই প্রশ্ন— বিচার প্রক্রিয়ায় এমন নজিরবিহীন অনিয়মের পর অপসারিত এই চিফ প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে আইনি বা রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না।
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হত্যার ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীদের ভিডিও ও স্বীকারোক্তি জনসমক্ষে রয়েছে। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, এসব অকাট্য প্রমাণ আমলে না নিয়ে ট্রাইবুনালে মনগড়া ও ভুয়া সাক্ষ্য উপস্থাপন করে বিচারকাজকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেছিলেন তাজুল ইসলাম। প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করে জালিয়াতির মাধ্যমে বিচারকাজ চালানোর এই অভিযোগ সামনে আসার পর বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এখন সচেতন মহলের একটাই প্রশ্ন— বিচার প্রক্রিয়ায় এমন নজিরবিহীন অনিয়মের পর অপসারিত এই চিফ প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে আইনি বা রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না।



