ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ২ গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ইমামসহ নিহত ২
যে মামলায় জামিন পেলেন ইনু, মেনন ও বিচারপতি মানিক
২৬ মার্চ প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট
২৫ মার্চ দেশে এক মিনিটের ‘ব্ল্যাক আউট’
ঈদের ছুটি শেষ, অফিস খুলছে আজ
২৫ ও ২৬ মার্চ আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ করল সরকার
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলামের ইন্তেকাল: শেখ হাসিনার গভীর শোক
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখিপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম আর নেই। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা ৩০ মিনিটে ভারতের কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী এই জননেতার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা।
শেখ হাসিনার শোকবার্তা:
এক শোক বিবৃতিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন। একইসাথে
তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন: অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের একনিষ্ঠ সৈনিক ছিলেন। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই জননেতা এর আগে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। ছাত্রাবস্থায় তিনি সরকারি সা'দত কলেজের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে দুইবার ভিপি (সহ-সভাপতি) নির্বাচিত হন এবং ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষের কাছে ‘ভিপি জোয়াহের’ নামে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সাল থেকে তিনি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান এবং দলকে সুসংগঠিত করতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন। ২০১৮ সালের
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি টাঙ্গাইল-৮ আসন থেকে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একজন সংসদ সদস্য হিসেবে নিজ নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজের জন্য জোয়াহেরুল ইসলাম চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সখীপুর ও বাসাইল উপজেলায় অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়। তথ্যমতে, তাঁর মেয়াদকালে এলজিইডি ও পিআইও দপ্তরের মাধ্যমে রাস্তাঘাট নির্মাণ, কালভার্ট-ব্রিজ তৈরি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাডেমিক ভবন নির্মাণসহ প্রায় ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়। তাঁর উদ্যোগে শত শত কিলোমিটার নতুন টেকসই রাস্তা এবং বক্স কালভার্ট নির্মাণের ফলে ওই অঞ্চলের গ্রামীণ জনপদের দৃশ্য একেবারেই বদলে যায়, যা সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব
করে। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দেশ স্বাধীনে তাঁর যেমন বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, তেমনি স্বাধীন দেশে জনপ্রতিনিধি হিসেবেও তিনি গণমানুষের কল্যাণে নিজেকে নিবেদিত রেখেছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম বেশ কিছুদিন ধরে শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য কলকাতার দমদমে অবস্থিত ফিনিক্স মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ মেয়ে-সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারি মাধ্যমে মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। তাঁর মৃত্যুতে টাঙ্গাইলের রাজনৈতিক অঙ্গনে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন: অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের একনিষ্ঠ সৈনিক ছিলেন। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই জননেতা এর আগে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। ছাত্রাবস্থায় তিনি সরকারি সা'দত কলেজের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে দুইবার ভিপি (সহ-সভাপতি) নির্বাচিত হন এবং ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষের কাছে ‘ভিপি জোয়াহের’ নামে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সাল থেকে তিনি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান এবং দলকে সুসংগঠিত করতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন। ২০১৮ সালের
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি টাঙ্গাইল-৮ আসন থেকে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একজন সংসদ সদস্য হিসেবে নিজ নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজের জন্য জোয়াহেরুল ইসলাম চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সখীপুর ও বাসাইল উপজেলায় অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়। তথ্যমতে, তাঁর মেয়াদকালে এলজিইডি ও পিআইও দপ্তরের মাধ্যমে রাস্তাঘাট নির্মাণ, কালভার্ট-ব্রিজ তৈরি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাডেমিক ভবন নির্মাণসহ প্রায় ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়। তাঁর উদ্যোগে শত শত কিলোমিটার নতুন টেকসই রাস্তা এবং বক্স কালভার্ট নির্মাণের ফলে ওই অঞ্চলের গ্রামীণ জনপদের দৃশ্য একেবারেই বদলে যায়, যা সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব
করে। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দেশ স্বাধীনে তাঁর যেমন বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, তেমনি স্বাধীন দেশে জনপ্রতিনিধি হিসেবেও তিনি গণমানুষের কল্যাণে নিজেকে নিবেদিত রেখেছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম বেশ কিছুদিন ধরে শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য কলকাতার দমদমে অবস্থিত ফিনিক্স মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ মেয়ে-সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারি মাধ্যমে মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। তাঁর মৃত্যুতে টাঙ্গাইলের রাজনৈতিক অঙ্গনে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।



