টাকা নেই, ভবিষ্যৎ নেই, তবু বেতন বাড়বে দ্বিগুণ : ইউনুসের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার নগ্য প্রচেষ্টা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬
     ৬:৪৩ অপরাহ্ণ

আরও খবর

ইউনুসের সংস্কারনামা : টাকা দিলেই ‘আওয়ামী’ বানিয়ে জেলে পাঠানো যায় এখন

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসীদের নির্বিচারে হামলা চলমান; হাত পা ভেঙে দিলেও ভুক্তভোগীর মামলা নেয়নি পুলিশ, পরিবার নিয়ে ফেসবুক লাইভে বাঁচার আকুতি

ক্যাঙ্গারু কোর্টের আরেকটা প্রহসনমূলক রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিবৃতি

যে দেশে মৃত্যু সস্তা, জামিন অতি দুর্লভ : ইউনূসের দেড় বছর, কত পরিবার শেষ?

নির্বাচনে অস্ত্রই বিএনপির আসল ভাষা! নির্বাচনের আগেই সোনারগাঁয়ে অবৈধ অস্ত্র কেনা ও মজুতের আলোচনা ফাঁস।

গত দেড় বছরে সংস্কারের গল্প বলে বলে দেশের ২০০ বিলিয়ন ডলার নাই করে দিয়েছে লোভী ও দুর্নীতিবাজ ইউনুস। দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ইউনুস ও তার সহযোগী বিএনপি-জামাত৷

প্রতিদিন দুইটি করে অজ্ঞাত লাশ!

টাকা নেই, ভবিষ্যৎ নেই, তবু বেতন বাড়বে দ্বিগুণ : ইউনুসের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার নগ্য প্রচেষ্টা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৬:৪৩ 11 ভিউ
যে দেশের রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে পারছে না, যেখানে বিনিয়োগ থমকে গেছে, রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধি কমছে, ঋণের বোঝা প্রতিদিন ভারী হচ্ছে, সেই দেশে হঠাৎ করেই সরকারি কর্মচারীদের বেতন ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করা মুহাম্মদ ইউনুসের তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকার যে প্রস্তাব পেয়েছে, তাতে অতিরিক্ত এক লাখ ছয় হাজার কোটি টাকা লাগবে। টাকাটা আসবে কোথা থেকে, সে হিসাব নেই। আছে শুধু ক্ষমতা ধরে রাখার মরিয়া চেষ্টা। '২৪ এর জুলাইয়ে সহিংস দাঙ্গার মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতায় বসেছেন ইউনুস। বিদেশি প্রভুদের ইশারায়, সামরিক বাহিনীর সমর্থনে আর চরমপন্থী জঙ্গিদের মাঠে নামিয়ে যারা এই ক্যু সফল করেছেন, তাদের কাছে

জনগণের ভোট বা গণতন্ত্র কোনো বিষয়ই নয়। কিন্তু ক্ষমতা ধরে রাখা তাদের কাছে একমাত্র লক্ষ্য। আর সেই লক্ষ্য পূরণে সবচেয়ে নিরাপদ পথ হলো যাদের হাতে প্রশাসনিক ক্ষমতা, যারা রাষ্ট্রযন্ত্র চালান, তাদের হাত করে রাখা। তাই জনগণের পকেটে হাত দিয়ে, দেশের ভবিষ্যৎ বন্ধক রেখে সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর এই নাটক। জাতীয় পে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী সর্বনিম্ন বেতন বাড়বে আট হাজার আড়াইশ টাকা থেকে বিশ হাজার টাকা, সর্বোচ্চ বেতন বাড়বে আটাত্তর হাজার থেকে এক লাখ ষাট হাজার টাকা। চৌদ্দ লাখ সরকারি কর্মচারী আর নয় লাখ পেনশনভোগীর জন্য এই বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করতে চলতি বছরের বাজেটে বরাদ্দ এক লাখ ছত্রিশ হাজার কোটি টাকার সঙ্গে

আরও এক লাখ ছয় হাজার কোটি টাকা দরকার। এই পরিমাণ টাকা এনবিআরের সাড়ে তিন মাসের মোট রাজস্ব আয়ের সমান। প্রশ্ন হলো, এই টাকা আসবে কোথা থেকে? চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসেই রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি চোখে পড়ার মতো। লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হচ্ছে না। অর্থনীতিবিদরা স্পষ্ট বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এত বড় অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করা প্রায় অসম্ভব। বিশ্বব্যাংকের সাবেক লিড ইকোনোমিস্ট জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, এত বড় ব্যয় মেটানোর কোনো সুস্পষ্ট উৎস নেই। সাবেক অর্থসচিব মাহবুব আহমেদ বলছেন, প্রস্তাবগুলো সরকারের আর্থিক বাস্তবতার সঙ্গে একদমই খাপ খায় না। কিন্তু ইউনুসের কাছে আর্থিক বাস্তবতা কোনো বিবেচ্য বিষয় নয়। তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো কীভাবে প্রশাসনিক কাঠামোকে নিজের পক্ষে রাখা

যায়। একটি নির্বাচিত সরকারকে সহিংসতার মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করে যে অবৈধ সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তার বৈধতা নেই, জনসমর্থন নেই। আছে শুধু বন্দুকের জোর আর বিদেশি প্রভুদের আশীর্বাদ। এমন অবস্থায় যেকোনো মূল্যে সরকারি কর্মচারীদের সন্তুষ্ট রাখা তাদের জন্য রাজনৈতিক বেঁচে থাকার প্রশ্ন। জাহিদ হোসেন যথার্থই বলেছেন, এটি শুধু ব্যয়ের পরিমাণের প্রশ্ন নয়, এটি স্থায়ী ব্যয় হয়ে যাবে। তিন বছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করলেও প্রতি বছর গড়ে পঁয়ত্রিশ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত লাগবে। এটা এককালীন কোনো প্রকল্প নয় যে একবার টাকা দিলেই শেষ। এটা পরিচালন ব্যয়, যা প্রতি বছর দিয়ে যেতে হবে। ঋণ করে এই ব্যয় মেটানো গেলে সুদের বোঝা বাড়বে, টাকা ছাপালে মূল্যস্ফীতি

আকাশছোঁয়া হবে। আর যদি অন্য খাত থেকে টাকা কাটতে হয়, তাহলে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, উন্নয়ন সবকিছুই ভেঙে পড়বে। আরও মজার ব্যাপার হলো, ইউনুস সরকারের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির তালিকা। স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, নতুন কর্মসংস্থান, শিক্ষা সংস্কার, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি জোরদার করা—সব প্রতিশ্রুতিই আছে। কিন্তু এসবের জন্য টাকা কোথায়? যে সরকার নিজের আর্থিক সক্ষমতার চেয়ে দ্বিগুণ বড় বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে এগোচ্ছে, তারা কীভাবে এসব প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে? নাকি এসব শুধুই বুলি, আসল লক্ষ্য হলো সরকারি চাকরিজীবীদের হাতে হাতে রাখা? ইউনুস সরকার যে শুধু অর্থনৈতিক অদূরদর্শিতার পরিচয় দিচ্ছে তা নয়, তারা জনগণের সঙ্গে প্রতারণাও করছে। একদিকে সাধারণ মানুষ মূল্যস্ফীতির চাপে জর্জরিত, অন্যদিকে সরকার একটি বিশেষ শ্রেণির জন্য

অবাস্তব বেতন বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে। জাহিদ হোসেন ঠিকই বলেছেন, গড়ে একশ চার শতাংশ বেতন বৃদ্ধির কোনো অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা নেই। ২০১৭ সাল থেকে মূল্যস্ফীতি, সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ বিশ শতাংশ বৃদ্ধি যুক্তিযুক্ত হতে পারত। কিন্তু ইউনুসের কাছে যুক্তি নয়, রাজনৈতিক ফায়দাই আসল। যে সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি, যে সরকার রক্তক্ষয়ী দাঙ্গার মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে, তারা জনগণের কল্যাণ চিন্তা করবে এমন আশা করাই বোকামি। তাদের একমাত্র চিন্তা নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখা। আর সেজন্য প্রশাসনযন্ত্রকে খুশি রাখা জরুরি। তাই দেশের অর্থনীতি যতই ভঙ্গুর হোক, রাজস্ব আদায় যতই কম হোক, জনগণের ভোগান্তি যতই বাড়ুক না কেন, সরকারি কর্মচারীদের বেতন দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা

থেমে থাকবে না। এই সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়বে প্রতিটি সাধারণ নাগরিকের জীবনে। যখন সরকার অতিরিক্ত এক লাখ ছয় হাজার কোটি টাকা জোগাড় করতে যাবে, তখন হয় কর বাড়াতে হবে, নয়তো সেবা কমাতে হবে। স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ কমবে, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ কমবে, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি কমবে। সাধারণ মানুষ যারা ইতিমধ্যেই অর্থনৈতিক চাপে জর্জরিত, তারা আরও বেশি চাপের মুখে পড়বে। কিন্তু ইউনুস সরকারের কাছে এসব কোনো সমস্যাই নয়। তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো কীভাবে আরও কিছুদিন ক্ষমতায় টিকে থাকা যায়। সাবেক অর্থসচিব মাহবুব আহমেদ বলেছেন, সরকারের আর্থিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রস্তাবগুলো পুনরায় পর্যালোচনা করে কাটছাঁট করতে হবে। কিন্তু ইউনুস সরকারের কাছে বাস্তবতার কোনো মূল্য নেই। তারা জানে, তারা অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছে। তারা জানে, তাদের কোনো গণভিত্তি নেই। তারা জানে, যেকোনো মুহূর্তে তাদের পতন হতে পারে। তাই যতদিন ক্ষমতায় আছে, ততদিন যা করার করে ফেলতে হবে। সরকারি কর্মচারীদের হাত করে রাখতে হবে। বাকিটা পরে দেখা যাবে। এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে ইউনুস সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে যে তারা জনগণের সরকার নয়, তারা নিজেদের স্বার্থের সরকার। তারা দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত নয়, তারা শুধু নিজেদের বর্তমান নিয়ে চিন্তিত। তারা অর্থনীতির ভিত নড়বড়ে করে দিয়ে একটি বিশেষ শ্রেণিকে খুশি রাখতে চায়। আর এই খেসারত দিতে হবে সাধারণ জনগণকে। দেশের অর্থনীতি ইতিমধ্যেই সংকটে। বিনিয়োগ কমছে, রপ্তানি কমছে, রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হচ্ছে না। এই অবস্থায় অতিরিক্ত এক লাখ ছয় হাজার কোটি টাকার বোঝা চাপানোর অর্থ হলো অর্থনীতিকে পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া। কিন্তু ইউনুসের কাছে দেশের ভবিষ্যৎ গৌণ, ক্ষমতা টিকিয়ে রাখাই মুখ্য। তাই যত বড় দায়ই হোক, যত অর্থনৈতিক বিপর্যয়ই আসুক, সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবেই। এই সিদ্ধান্ত আসলে একটি রাজনৈতিক বিনিয়োগ। ইউনুস সরকার জানে, তাদের টিকে থাকার একমাত্র ভরসা হলো প্রশাসনযন্ত্র। তাই সেই যন্ত্রকে খুশি রাখতে যত খরচই হোক, তা করতে প্রস্তুত তারা। জনগণের খরচে, দেশের ভবিষ্যৎ বন্ধক রেখে হলেও তারা নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখবে। এটাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য, এটাই তাদের একমাত্র পরিকল্পনা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ইউনুসের সংস্কারনামা : টাকা দিলেই ‘আওয়ামী’ বানিয়ে জেলে পাঠানো যায় এখন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসীদের নির্বিচারে হামলা চলমান; হাত পা ভেঙে দিলেও ভুক্তভোগীর মামলা নেয়নি পুলিশ, পরিবার নিয়ে ফেসবুক লাইভে বাঁচার আকুতি ক্যাঙ্গারু কোর্টের আরেকটা প্রহসনমূলক রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিবৃতি যে দেশে মৃত্যু সস্তা, জামিন অতি দুর্লভ : ইউনূসের দেড় বছর, কত পরিবার শেষ? নির্বাচনে অস্ত্রই বিএনপির আসল ভাষা! নির্বাচনের আগেই সোনারগাঁয়ে অবৈধ অস্ত্র কেনা ও মজুতের আলোচনা ফাঁস। টাকা নেই, ভবিষ্যৎ নেই, তবু বেতন বাড়বে দ্বিগুণ : ইউনুসের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার নগ্য প্রচেষ্টা গত দেড় বছরে সংস্কারের গল্প বলে বলে দেশের ২০০ বিলিয়ন ডলার নাই করে দিয়েছে লোভী ও দুর্নীতিবাজ ইউনুস। দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ইউনুস ও তার সহযোগী বিএনপি-জামাত৷ প্রতিদিন দুইটি করে অজ্ঞাত লাশ! সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার ফাঁসির রায়: ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ বলে প্রত্যাখ্যান আওয়ামী লীগের আবারও হুঙ্কার থালাপতির, বললেন তাকে থামানো যাবে না প্রেমিকের স্ত্রীকে এইচআইভি ইনজেকশন পুশ করলেন তরুণী সুপার সিক্সে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ যারা মেক্সিকোর ফুটবল মাঠে বন্দুক হামলায় নিহত ১১, আহত ১২ জামিন পেলেও এখনই মুক্তি মিলছে না সাদ্দামের সন্ত্রাসী হামলায় ১০ সাংবাদিক আহত বাংলাদেশি সব সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করল আইসিসি দেশে মাদক সেবনকারী ৮২ লাখ, প্রায় ৬১ লাখই গাঁজাখোর স্বর্ণের দামে নতুন ইতিহাস, ভরিতে বাড়ল ৫ হাজার Kidnapping in Bangladesh: A Rising Epidemic Under the Interim Government ক্যাঙ্গারু কোর্টের আরেকটি সাজানো প্রহসন ও সত্য বিকৃতির নগ্ন প্রচেষ্টা: বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা, সেই জনতা জাগবে আবার