ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
জোরপূর্বক শ্রম ইস্যুতে বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর মার্কিন শুল্ক আরোপের প্রস্তাব
জোরপূর্বক শ্রম (ফোর্সড লেবার) নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের পণ্যের ওপর ১০ থেকে ১২.৫ শতাংশ পর্যন্ত নতুন শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভের (ইউএসটিআর) দপ্তর মঙ্গলবার রাতে এই প্রস্তাব প্রকাশ করে।
কোন দেশে কত শুল্ক
প্রস্তাব অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্যসহ ১৫টি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা বলা হয়েছে। চীন, ভারত ও অস্ট্রেলিয়াসহ বাকি দেশগুলোর জন্য শুল্কের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১২.৫ শতাংশ।
বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পোশাক রপ্তানিকারক দেশ এবং মার্কিন বাজার এই শিল্পের প্রধান গন্তব্য। ফলে এই শুল্ক কার্যকর হলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কেন
এই শুল্ক: সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর নতুন কৌশল এই শুল্ক প্রস্তাবটি এসেছে সেকশন ৩০১ অনুযায়ী “অন্যায্য বাণিজ্য চর্চা” তদন্তের আওতায়। মূলত এটি ট্রাম্পের জরুরি বৈশ্বিক শুল্কব্যবস্থা পুনর্গঠনের একটি কৌশলগত প্রচেষ্টা — যে শুল্কব্যবস্থা গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বাতিল হয়ে গিয়েছিল। নতুন প্রস্তাবে ইউএসটিআর কিছু গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের ক্ষেত্রে অব্যাহতি এবং একটি বস্ত্র আমদানি প্রক্রিয়ার সুপারিশও করেছে। জোরপূর্বক শ্রম: বাংলাদেশের জন্য বিশেষ উদ্বেগ প্রস্তাবের কেন্দ্রে রয়েছে জোরপূর্বক শ্রম ইস্যু। ওয়াশিংটনের দাবি, তালিকাভুক্ত দেশগুলো জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের বাণিজ্য রোধে যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়নি। বাংলাদেশের পোশাক খাতে শ্রম অধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন রয়েছে। এই শুল্ক কার্যকর হলে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া
পোশাক পণ্যের মূল্য প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে এবং যুক্তরাষ্ট্র এই খাতের সবচেয়ে বড় একক বাজার। ফলে এই শুল্ক আরোপ হলে দেশের অর্থনীতিতে সরাসরি চাপ পড়বে এবং কোটি কোটি শ্রমিকের জীবিকা হুমকিতে পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন। ইইউ’র তীব্র প্রতিক্রিয়া এই প্রস্তাবকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একজন শীর্ষ আইনপ্রণেতা “সম্পূর্ণ অযৌক্তিক” বলে বর্ণনা করেছেন। ইইউ নিজেও এই শুল্কের তালিকায় থাকায় ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। পরবর্তী পদক্ষেপ: জনমত ও শুনানি প্রস্তাবটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এ বিষয়ে ৬ জুলাই পর্যন্ত জনমত ও মন্তব্য গ্রহণ করা হবে
এবং ৭ জুলাই একটি আনুষ্ঠানিক শুনানি নির্ধারিত রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ও ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো এই সুযোগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশ সরকার এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শুনানির আগেই ঢাকাকে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়াতে হবে — অন্যথায় দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাত মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।
এই শুল্ক: সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর নতুন কৌশল এই শুল্ক প্রস্তাবটি এসেছে সেকশন ৩০১ অনুযায়ী “অন্যায্য বাণিজ্য চর্চা” তদন্তের আওতায়। মূলত এটি ট্রাম্পের জরুরি বৈশ্বিক শুল্কব্যবস্থা পুনর্গঠনের একটি কৌশলগত প্রচেষ্টা — যে শুল্কব্যবস্থা গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বাতিল হয়ে গিয়েছিল। নতুন প্রস্তাবে ইউএসটিআর কিছু গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের ক্ষেত্রে অব্যাহতি এবং একটি বস্ত্র আমদানি প্রক্রিয়ার সুপারিশও করেছে। জোরপূর্বক শ্রম: বাংলাদেশের জন্য বিশেষ উদ্বেগ প্রস্তাবের কেন্দ্রে রয়েছে জোরপূর্বক শ্রম ইস্যু। ওয়াশিংটনের দাবি, তালিকাভুক্ত দেশগুলো জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের বাণিজ্য রোধে যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়নি। বাংলাদেশের পোশাক খাতে শ্রম অধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন রয়েছে। এই শুল্ক কার্যকর হলে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া
পোশাক পণ্যের মূল্য প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে এবং যুক্তরাষ্ট্র এই খাতের সবচেয়ে বড় একক বাজার। ফলে এই শুল্ক আরোপ হলে দেশের অর্থনীতিতে সরাসরি চাপ পড়বে এবং কোটি কোটি শ্রমিকের জীবিকা হুমকিতে পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন। ইইউ’র তীব্র প্রতিক্রিয়া এই প্রস্তাবকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একজন শীর্ষ আইনপ্রণেতা “সম্পূর্ণ অযৌক্তিক” বলে বর্ণনা করেছেন। ইইউ নিজেও এই শুল্কের তালিকায় থাকায় ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। পরবর্তী পদক্ষেপ: জনমত ও শুনানি প্রস্তাবটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এ বিষয়ে ৬ জুলাই পর্যন্ত জনমত ও মন্তব্য গ্রহণ করা হবে
এবং ৭ জুলাই একটি আনুষ্ঠানিক শুনানি নির্ধারিত রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ও ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো এই সুযোগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশ সরকার এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শুনানির আগেই ঢাকাকে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়াতে হবে — অন্যথায় দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাত মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।



