ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে জাবিতে সাংবাদিককে ‘হেনস্তা’
হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে দেশবাসীকে নির্বাচন বয়কটের ডাক ১৬৭৫ জন বিশিষ্টজনের, সঙ্গে ১২ দাবি
কাকে ভোট দিতে যাবেন?
জাতির সঙ্গে বেঈমানি ও প্রতারণাপূর্ণ নির্বাচন বর্জনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক সর্বোপরি দেশবাসীর প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আহ্বান
সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ব্যতীত জাতীয় নির্বাচন জাতির কাছে কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য হবে না।
কথা বলতে চাওয়া সাবেক এমপি তুহিনের মুখ ‘চেপে’ ধরলো পুলিশ
সিএমপির ওসির বিরুদ্ধে মাদক সরবরাহ ও বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ
জামায়াত নেতার ‘সুপারিশে’ গ্রেপ্তার আ.লীগ নেতার স্ত্রী! থানায় কথা বলতে গিয়েই হাতে হাতকড়া
থানায় জিডির বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে নিজেই গ্রেপ্তার হলেন নারী ইউপি সদস্য।
স্বামীর অভিযোগ: জামায়াত নেতার ফোন ও স্থানীয় নেতাদের সুপারিশে এই গ্রেপ্তার।
এসআই সুস্ময়ের বিরুদ্ধে এসপি বরাবর অভিযোগ করেছিলেন ওই নারী, সেই ক্ষোভ থেকেই গ্রেপ্তারের দাবি।
বিএনপি অফিস ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় পাঠানো হলো কারাগারে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার:
কক্সবাজার সদর থানায় একটি মামলার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম আমিরের স্ত্রী ও চৌফলদন্ডী ইউনিয়ন পরিষদের নারী সদস্য সাবিনা ইয়াসমিন (৪৫)। পুলিশের দাবি, বিএনপি অফিস ভাঙচুর মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তার পরিবারের দাবি, জামায়াত নেতাদের সুপারিশ এবং পুলিশের এক এসআইয়ের ব্যক্তিগত আক্রোশ
থেকে এই গ্রেপ্তার নাটক সাজানো হয়েছে। সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালতে পাঠানো পুলিশি প্রতিবেদন (ফরোয়ার্ডিং) সূত্রে জানা যায়, গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় কক্সবাজার জেলা বিএনপি অফিসে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় (মামলা নং-১৯, তারিখ- ২০/০৮/২০২৪) সাবিনা ইয়াসমিনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সদর থানার এসআই সৌরভ বড়ুয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, সাবিনা ইয়াসমিন মামলার এজাহারনামীয় আসামিদের সহায়তায় নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। গ্রেপ্তারকৃত সাবিনা ইয়াসমিনের স্বামী, সাবেক যুবলীগ নেতা বদিউল আলম আমির এই ঘটনাকে গভীর ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “আমার স্ত্রীর নামে কোনো ওয়ারেন্ট
ছিল না। আজ সকাল ১০টার দিকে তিনি একটি মামলার বিষয়ে কথা বলতে স্ব-শরীরে সদর থানায় গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে তাকে কৌশলে আটক করা হয়।” তিনি অভিযোগ করে বলেন, “জামায়াতের সদর উপজেলার আমির এবং চকরিয়ার এক এমপি প্রার্থীর সরাসরি ফোনে এবং আমার এলাকার কিছু জামায়াত নেতার সুপারিশে পুলিশ আমার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করতে বাধ্য হয়। মূলত রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই তাকে বিএনপি অফিস ভাঙচুরের মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়। বদিউল আলম আরও দাবি করেন, সদর থানার এসআই সুস্ময়ের সাথে তাদের পূর্বের বিরোধ রয়েছে। তিনি বলেন, “এসআই সুস্ময় অকারণে আমার স্ত্রীকে হয়রানি করতেন। এর প্রতিকার চেয়ে আমার স্ত্রী পুলিশ সুপারের (এসপি) কাছে লিখিত অভিযোগও করেছিলেন। সেই আক্রোশ
মেটাতেই আজ থানায় পেয়ে এসআই সুস্ময় তাকে গ্রেপ্তার করে চালান দিয়ে দিয়েছেন।” বর্তমানে সাবিনা ইয়াসমিন কক্সবাজার জেলা কারাগারে বন্দি রয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
থেকে এই গ্রেপ্তার নাটক সাজানো হয়েছে। সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালতে পাঠানো পুলিশি প্রতিবেদন (ফরোয়ার্ডিং) সূত্রে জানা যায়, গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় কক্সবাজার জেলা বিএনপি অফিসে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় (মামলা নং-১৯, তারিখ- ২০/০৮/২০২৪) সাবিনা ইয়াসমিনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সদর থানার এসআই সৌরভ বড়ুয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, সাবিনা ইয়াসমিন মামলার এজাহারনামীয় আসামিদের সহায়তায় নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। গ্রেপ্তারকৃত সাবিনা ইয়াসমিনের স্বামী, সাবেক যুবলীগ নেতা বদিউল আলম আমির এই ঘটনাকে গভীর ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “আমার স্ত্রীর নামে কোনো ওয়ারেন্ট
ছিল না। আজ সকাল ১০টার দিকে তিনি একটি মামলার বিষয়ে কথা বলতে স্ব-শরীরে সদর থানায় গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে তাকে কৌশলে আটক করা হয়।” তিনি অভিযোগ করে বলেন, “জামায়াতের সদর উপজেলার আমির এবং চকরিয়ার এক এমপি প্রার্থীর সরাসরি ফোনে এবং আমার এলাকার কিছু জামায়াত নেতার সুপারিশে পুলিশ আমার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করতে বাধ্য হয়। মূলত রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই তাকে বিএনপি অফিস ভাঙচুরের মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়। বদিউল আলম আরও দাবি করেন, সদর থানার এসআই সুস্ময়ের সাথে তাদের পূর্বের বিরোধ রয়েছে। তিনি বলেন, “এসআই সুস্ময় অকারণে আমার স্ত্রীকে হয়রানি করতেন। এর প্রতিকার চেয়ে আমার স্ত্রী পুলিশ সুপারের (এসপি) কাছে লিখিত অভিযোগও করেছিলেন। সেই আক্রোশ
মেটাতেই আজ থানায় পেয়ে এসআই সুস্ময় তাকে গ্রেপ্তার করে চালান দিয়ে দিয়েছেন।” বর্তমানে সাবিনা ইয়াসমিন কক্সবাজার জেলা কারাগারে বন্দি রয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।



