ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যেসব কারণে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ
২০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন ভবনে হামলা, ককটেল নিক্ষেপ
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২২টি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক চুরি
গুরু পাপে লঘু দণ্ড পুঁজিবাজারে, উৎসাহিত হচ্ছে কারসাজি চক্র
সুন্দরবনে থামছে না হরিণ শিকার, ৩৪৫৩ কেজি মাংস উদ্ধার!
কে হচ্ছেন নতুন রাষ্ট্রপতি
আগস্টে পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন না হলে সরকারি কর্মচারীদের বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা
জামায়াতি প্রতিষ্ঠান আদ-দ্বীন হাসপাতালে এসির গ্যাস লিকেজে ৬ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে এয়ার কন্ডিশনারের গ্যাস লিকেজের কারণে ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বজন ও সাধারণ মানুষ।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময় নবজাতক ওয়ার্ডে এসির গ্যাস লিক হয়। শিশুরা ঘুমন্ত অবস্থায় বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়। দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা হলেও ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল এবং তারা একে একে মারা যায়। অন্য শিশুদের মধ্যে কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে, এসির রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস (সম্ভবত ফ্রিয়ন বা অনুরূপ পদার্থ) লিক হয়ে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়ায় শিশুরা অ্যাসফিক্সিয়ায় আক্রান্ত হয়। তবে
বিস্তারিত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশনের এই হাসপাতাল দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য সাশ্রয়ী চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য পরিচিত। এমন একটি প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অবহেলাজনিত ঘটনা অনেককেই হতবাক করেছে। স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। একজন শিশুর বাবা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা বিশ্বাস করে শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করেছিলাম, কিন্তু সেখানেই তার জীবন চলে গেল।” স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তদন্তে হাসপাতালের এসি সিস্টেমের রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং কর্মীদের সতর্কতার বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হবে বলে জানানো হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা হাসপাতালগুলোতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তা প্রোটোকল কঠোরভাবে অনুসরণের গুরুত্ব আবারও তুলে ধরেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নবজাতক ওয়ার্ডের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় এসি সিস্টেম
নিয়মিত চেক করা এবং গ্যাস লিক ডিটেক্টর ব্যবহার অত্যাবশ্যক। এ ঘটনায় জাতীয়ভাবে তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে। শোকাহত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন। আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে গভীর দুঃখ প্রকাশ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে এবং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। এমন মর্মান্তিক ঘটনা যেন আর না ঘটে, সেজন্য দেশের সব হাসপাতালে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা এখন স্পষ্ট।
বিস্তারিত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশনের এই হাসপাতাল দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য সাশ্রয়ী চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য পরিচিত। এমন একটি প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অবহেলাজনিত ঘটনা অনেককেই হতবাক করেছে। স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। একজন শিশুর বাবা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা বিশ্বাস করে শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করেছিলাম, কিন্তু সেখানেই তার জীবন চলে গেল।” স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তদন্তে হাসপাতালের এসি সিস্টেমের রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং কর্মীদের সতর্কতার বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হবে বলে জানানো হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা হাসপাতালগুলোতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তা প্রোটোকল কঠোরভাবে অনুসরণের গুরুত্ব আবারও তুলে ধরেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নবজাতক ওয়ার্ডের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় এসি সিস্টেম
নিয়মিত চেক করা এবং গ্যাস লিক ডিটেক্টর ব্যবহার অত্যাবশ্যক। এ ঘটনায় জাতীয়ভাবে তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে। শোকাহত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন। আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে গভীর দুঃখ প্রকাশ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে এবং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। এমন মর্মান্তিক ঘটনা যেন আর না ঘটে, সেজন্য দেশের সব হাসপাতালে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা এখন স্পষ্ট।



