ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান মঙ্গলবার জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া এই অধিবেশনে তিনি এক বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন।
মোট ১৯০টি ব্যালটের মধ্যে খলিলুর রহমান ৯৯টি ভোট পেয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রিক সাইপ্রাস প্রশাসনের প্রার্থী পেয়েছেন ৯১টি ভোট।
বর্তমান সাধারণ পরিষদ সভাপতি এবং জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সাধারণ পরিষদ সভাপতির ভূমিকা এখন আর কেবল আনুষ্ঠানিক পদ্ধতিগত বিষয়ে সীমাবদ্ধ নেই — কার্যপ্রণালির নিয়মকানুনগুলোও এখন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। বেয়ারবক আরও বলেন, রহমানের এক দশকেরও বেশি সময়ের কূটনৈতিক ও বহুপাক্ষিক অভিজ্ঞতা তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের জন্য যথেষ্ট প্রস্তুত করেছে।
নির্বাচিত হওয়ার
পর রহমান বলেন, জাতিসংঘ বর্তমানে বহুমুখী সংকটের মুখোমুখি। যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে মানুষ অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এবং সংস্থাটির প্রতিশ্রুতি পূরণের সক্ষমতা নিয়ে জনআস্থা ক্রমশ কমছে। তিনি বলেন, এই চ্যালেঞ্জ তিনি সকলকে নিয়ে একসাথে মোকাবেলা করবেন। রহমান শান্তিরক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন। এর মধ্যে রয়েছে সংঘাত প্রতিরোধ ও রাজনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়া, বেসামরিক জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া এবং শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নারীর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো। তিনি আরও বলেন, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে লিঙ্গ সমতা এবং নারী ও মেয়েদের পূর্ণ ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা তার অগ্রাধিকারের মধ্যে থাকবে।
পর রহমান বলেন, জাতিসংঘ বর্তমানে বহুমুখী সংকটের মুখোমুখি। যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে মানুষ অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এবং সংস্থাটির প্রতিশ্রুতি পূরণের সক্ষমতা নিয়ে জনআস্থা ক্রমশ কমছে। তিনি বলেন, এই চ্যালেঞ্জ তিনি সকলকে নিয়ে একসাথে মোকাবেলা করবেন। রহমান শান্তিরক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন। এর মধ্যে রয়েছে সংঘাত প্রতিরোধ ও রাজনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়া, বেসামরিক জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া এবং শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নারীর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো। তিনি আরও বলেন, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে লিঙ্গ সমতা এবং নারী ও মেয়েদের পূর্ণ ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা তার অগ্রাধিকারের মধ্যে থাকবে।



