ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে দেশবাসীকে নির্বাচন বয়কটের ডাক ১৬৭৫ জন বিশিষ্টজনের, সঙ্গে ১২ দাবি
কাকে ভোট দিতে যাবেন?
সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ব্যতীত জাতীয় নির্বাচন জাতির কাছে কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য হবে না।
কথা বলতে চাওয়া সাবেক এমপি তুহিনের মুখ ‘চেপে’ ধরলো পুলিশ
সিএমপির ওসির বিরুদ্ধে মাদক সরবরাহ ও বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বর্জনের ডাক আওয়ামী লীগের
১৫ বছর কী স্বার্থে কেন চুপ ছিলেন?’—ইকবাল করিম ভূঁইয়াকে খোলা চিঠিতে প্রশ্ন
জাতির সঙ্গে বেঈমানি ও প্রতারণাপূর্ণ নির্বাচন বর্জনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক সর্বোপরি দেশবাসীর প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আহ্বান
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের মাধ্যমে জাতির সঙ্গে তামাশা করা হচ্ছে। বিশাল জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে জনগণের অর্থায়নে নির্বাচন নামক যে নাটক মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে তা নিছক ধোকা ও প্রতারণা। প্রতারণাপূর্ণ এই প্রহসনের নির্বাচনকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থ অপচয় করে, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিজেদের মতো ব্যবহার করে, জনগণের উপর দমন-পীড়ন চালিয়ে ও ভোটাধিকার হরণ করে যে নির্বাচন হচ্ছে, তা কোনোভাবেই অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নয়। বরং তা একপেশে ও সমঝোতার নির্বাচন।
বিশাল জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে এই তথাকথিত নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের মতামত প্রতিফলিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এটি গণতন্ত্রকে উপহাস করা এবং জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচনের
স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন পরিসরে এই নির্বাচন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। প্রবাসীরা ও কারাবন্দিরা প্রায় সবাই ভোট দান থেকে বিরত থেকেছে। যে নির্বাচনে অবাধ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় দেশের সমগ্র জনগণের মতের প্রতিফলন নেই সেই নির্বাচন বাংলাদেশকে গভীর সংকটে নিয়ে যাবে। একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে আমরা কেউই এই নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে দেশকে খাদের কিনারায় ঠেলে দিতে পারি না। এই নির্বাচনে আপনার ভোট প্রদান আগামীর সংকটের জন্য দায়ী। অন্তত ভোট বর্জন করে নিজেকে সে দায় থেকে মুক্ত রাখুন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দলের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি দেশপ্রেমিক সচেতন নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে, আপনারা এই শঠতা ও কপটতা পূর্ণ একপেশে নির্বাচনে ভোট বর্জনের মাধ্যমে
গণতন্ত্র হত্যা ও জনগণের অর্থে পরিচালিত এই প্রহসনের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ ও দৃঢ় প্রতিবাদ জানান। আপনার আজকের এই প্রতিবাদই আগামীর বাংলাদেশকে পথ দেখাবে, সংকট থেকে মুক্ত করবে। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন পরিসরে এই নির্বাচন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। প্রবাসীরা ও কারাবন্দিরা প্রায় সবাই ভোট দান থেকে বিরত থেকেছে। যে নির্বাচনে অবাধ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় দেশের সমগ্র জনগণের মতের প্রতিফলন নেই সেই নির্বাচন বাংলাদেশকে গভীর সংকটে নিয়ে যাবে। একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে আমরা কেউই এই নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে দেশকে খাদের কিনারায় ঠেলে দিতে পারি না। এই নির্বাচনে আপনার ভোট প্রদান আগামীর সংকটের জন্য দায়ী। অন্তত ভোট বর্জন করে নিজেকে সে দায় থেকে মুক্ত রাখুন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দলের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি দেশপ্রেমিক সচেতন নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে, আপনারা এই শঠতা ও কপটতা পূর্ণ একপেশে নির্বাচনে ভোট বর্জনের মাধ্যমে
গণতন্ত্র হত্যা ও জনগণের অর্থে পরিচালিত এই প্রহসনের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ ও দৃঢ় প্রতিবাদ জানান। আপনার আজকের এই প্রতিবাদই আগামীর বাংলাদেশকে পথ দেখাবে, সংকট থেকে মুক্ত করবে। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।



