ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঢালাও অভিযোগ, দুর্বল ভিত্তি : কার স্বার্থে এই মামলা?
কিচেন ক্যাবিনেটের আঠারো মাসের অন্দরমহলে
পুলিশ হত্যা তদন্ত শুরু হলে পালানোর পরিকল্পনায় হান্নান মাসুদ
লোডশেডিং-ই কি এখন বিএনপি সরকারের সরকারি নীতি?
মব আতঙ্কে সরকারি বাসভবন ছাড়তে চাইছেন না ইউনূসসহ মবের হোতারা
খাম্বা তারেকের নেতৃত্বে আবারও সেই অন্ধকারযুগে ফিরছে বাংলাদেশ
জুলাইতে দাঙ্গাকারীদের চেয়ে বেশি সংখ্যক মৃত্যু হয়েছে পুলিশের!
জাতিকে ভুল বুঝিয়ে আমেরিকার সঙ্গে দেশবিক্রির চুক্তি করেছেন ইউনূস
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক যে বাণিজ্য চুক্তিটি করেছে, তাকে ‘জাতিকে বোকা বানানোর শামিল’ বলে অভিহিত করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।
তিনি অভিযোগ করেছেন, এই চুক্তির প্রকৃত রূপ গোপন করে সাধারণ মানুষকে শুরু থেকেই বিভ্রান্তিকর ও ভুল ধারণা দেওয়া হয়েছিল। প্রথম দিকে প্রচার করা হয়েছিল যে, আলোচনাটি কেবল শুল্ক (ট্যারিফ) ৩৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে নামিয়ে আনার বিষয়। কিন্তু চুক্তিপত্রের বিস্তারিত প্রকাশের পর এর ভয়াবহতা দেখে সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র ক্ষোভ ও বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছে।
ড. মোয়াজ্জেম প্রশ্ন তোলেন, একটি অনির্বাচিত বা অন্তর্বর্তী সরকার কীভাবে এমন একটি দীর্ঘমেয়াদি ও বিতর্কিত
চুক্তি সই করতে পারে, যার নেতিবাচক দায়ভার ও বিশাল ঋণের বোঝা আগামীর একটি নির্বাচিত সরকারকে বহন করতে হবে। তিনি মনে করেন, বর্তমান সরকারের বড় ধরনের কোনো ভুল বা সমালোচনার জায়গা খুঁজতে হলে এই চুক্তিটিই হবে তার প্রধান উদাহরণ। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞরা এই চুক্তিকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও দেশীয় শিল্পের ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মুখে ফেলার এক ‘নীল নকশা’ এবং ‘দেশ বিক্রির চুক্তি’ হিসেবেও আখ্যা দিচ্ছেন। চুক্তির ধারাগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এতে বাংলাদেশের জাতীয় ক্রয় ও আমদানির ওপর কঠিন বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—বাংলাদেশ বিমানকে যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানি থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কিনতে বাধ্য করা এবং আগামী ১৫ বছরে ১৫
বিলিয়ন ডলারের মার্কিন এলএনজি (এলএনজি) কেনার বিশাল বোঝা কাঁধে নেওয়া। এছাড়া বছরে ৭ লাখ টন গম ও ১.২৫ বিলিয়ন ডলারের সয়াবিনসহ মোট ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন কৃষিপণ্য আমদানির লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে, যা দেশীয় কৃষকদের সরাসরি পথে বসিয়ে দেওয়ার নামান্তর বলে মনে করা হচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী, মার্কিন পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান সব ধরনের শুল্ক পর্যায়ক্রমে তুলে নিতে হবে এবং রাষ্ট্রীয় শিল্প সংস্থাগুলোকে সরকার আর কোনো ভর্তুকি দিতে পারবে না। এর ফলে বিটাক বা চিনিকলের মতো জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে। এছাড়া মেধা সম্পদ ও কঠোর আইপি আইন কার্যকরের শর্তের কারণে বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প সংকটে পড়বে এবং
ওষুধের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাবে। এমনকি গুগল-ফেসবুকের মতো মার্কিন টেক জায়ান্টদের ওপর কোনো ‘ডিজিটাল সার্ভিস ট্যাক্স’ আরোপ না করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় রাষ্ট্র হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাবে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো বৈদেশিক সম্পর্কের ওপর নিয়ন্ত্রণ। চুক্তির ৪.৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশ যদি যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের পরিপন্থী কোনো দেশের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তি বাতিল করতে পারবে। এটি মূলত চীন বা অন্যান্য বাণিজ্যিক দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নষ্ট করার কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে। এমনকি নির্দিষ্ট দেশ থেকে পারমাণবিক জ্বালানি বা চুল্লি কেনার ক্ষেত্রেও মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মানতে বাধ্য করা হয়েছে বাংলাদেশকে। ড. মোয়াজ্জেম আরও উল্লেখ করেন, চুক্তিতে ৬০
দিনের নোটিশ দিয়ে সরে আসার সুযোগ থাকলেও এখনো তা করা হয়নি। তিনি মনে করেন, ট্যারিফ সংক্রান্ত এই চুক্তি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) নীতির সঙ্গেও সাংঘর্ষিক হতে পারে। পোশাক খাতের সামান্য সুবিধার মোড়কে পুরো দেশের কৃষি, জ্বালানি এবং সার্বভৌম নীতি-নির্ধারণী ক্ষমতাকে বিদেশের হাতে তুলে দিয়ে দেশকে দীর্ঘমেয়াদী দাসত্বের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
চুক্তি সই করতে পারে, যার নেতিবাচক দায়ভার ও বিশাল ঋণের বোঝা আগামীর একটি নির্বাচিত সরকারকে বহন করতে হবে। তিনি মনে করেন, বর্তমান সরকারের বড় ধরনের কোনো ভুল বা সমালোচনার জায়গা খুঁজতে হলে এই চুক্তিটিই হবে তার প্রধান উদাহরণ। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞরা এই চুক্তিকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও দেশীয় শিল্পের ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মুখে ফেলার এক ‘নীল নকশা’ এবং ‘দেশ বিক্রির চুক্তি’ হিসেবেও আখ্যা দিচ্ছেন। চুক্তির ধারাগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এতে বাংলাদেশের জাতীয় ক্রয় ও আমদানির ওপর কঠিন বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—বাংলাদেশ বিমানকে যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানি থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কিনতে বাধ্য করা এবং আগামী ১৫ বছরে ১৫
বিলিয়ন ডলারের মার্কিন এলএনজি (এলএনজি) কেনার বিশাল বোঝা কাঁধে নেওয়া। এছাড়া বছরে ৭ লাখ টন গম ও ১.২৫ বিলিয়ন ডলারের সয়াবিনসহ মোট ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন কৃষিপণ্য আমদানির লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে, যা দেশীয় কৃষকদের সরাসরি পথে বসিয়ে দেওয়ার নামান্তর বলে মনে করা হচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী, মার্কিন পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান সব ধরনের শুল্ক পর্যায়ক্রমে তুলে নিতে হবে এবং রাষ্ট্রীয় শিল্প সংস্থাগুলোকে সরকার আর কোনো ভর্তুকি দিতে পারবে না। এর ফলে বিটাক বা চিনিকলের মতো জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে। এছাড়া মেধা সম্পদ ও কঠোর আইপি আইন কার্যকরের শর্তের কারণে বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প সংকটে পড়বে এবং
ওষুধের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাবে। এমনকি গুগল-ফেসবুকের মতো মার্কিন টেক জায়ান্টদের ওপর কোনো ‘ডিজিটাল সার্ভিস ট্যাক্স’ আরোপ না করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় রাষ্ট্র হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাবে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো বৈদেশিক সম্পর্কের ওপর নিয়ন্ত্রণ। চুক্তির ৪.৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশ যদি যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের পরিপন্থী কোনো দেশের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তি বাতিল করতে পারবে। এটি মূলত চীন বা অন্যান্য বাণিজ্যিক দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নষ্ট করার কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে। এমনকি নির্দিষ্ট দেশ থেকে পারমাণবিক জ্বালানি বা চুল্লি কেনার ক্ষেত্রেও মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মানতে বাধ্য করা হয়েছে বাংলাদেশকে। ড. মোয়াজ্জেম আরও উল্লেখ করেন, চুক্তিতে ৬০
দিনের নোটিশ দিয়ে সরে আসার সুযোগ থাকলেও এখনো তা করা হয়নি। তিনি মনে করেন, ট্যারিফ সংক্রান্ত এই চুক্তি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) নীতির সঙ্গেও সাংঘর্ষিক হতে পারে। পোশাক খাতের সামান্য সুবিধার মোড়কে পুরো দেশের কৃষি, জ্বালানি এবং সার্বভৌম নীতি-নির্ধারণী ক্ষমতাকে বিদেশের হাতে তুলে দিয়ে দেশকে দীর্ঘমেয়াদী দাসত্বের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।



