ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
লেবুর ভরি একশো বিশ, তারেক সাহেবের ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’টা এখন পরিষ্কার!
দুদকের মামলা প্রত্যাহারের বিনিময়ে চাকরি বাগিয়েছেন সাবেক প্রেস উইং কর্মকর্তারা!
দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়ে গেছেন ইউনূস
দাসত্বের দালালেরা ২০০১ এ যেভাবে সফল হয়েছিল, একইভাবে এবারও সফল
‘আসিফ নজরুল খাড়ার উপর মিথ্যা বলেছেন’, বললেন ক্ষুব্ধ বাংলাদেশের কোচ সালাহউদ্দিন
খুলনা-বরিশাল-রাজশাহীকে ‘বিদেশের মতো’ করে ফেলেছে আওয়ামী লীগ: রুমিন ফারহানা
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণের অধ্যাদেশ নিয়ে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সতর্কবার্তা: বিএনপি সরকারকে ৩০ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেয়ার আহ্বান
জাইমার নাইটক্লাবের ভিডিও ভাইরালের নেপথ্যে জামায়াতি বট বাহিনী!
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে, জাইমাকে লন্ডনের একটি নাইটক্লাবে বলিউডের হিন্দি গানের তালে নাচতে দেখা যায়। অভিযোগ উঠেছে, একসময়ের মিত্র তারেককে হেয় প্রতিপন্ন করতে উঠে পড়ে লেগেছে জামায়াতের বট বাহিনী। তারাই এই ভিডিও বিভিন্ন পেজের মধ্যমে ছড়িয়েছে।
বিভিন্ন ফ্যাক্ট চেক সংস্থাও নিশ্চিত করেছে যে, ভিডিওটি জাইমা রহমানেরই। এরইমধ্যে তারেকের মেয়ের এই ছবি নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছেন জামায়াত-এনসিপি জোটের সদস্য নোয়াখালী-৬ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ। তিনি শুরুতে এই ভিডিওর বিস্তারিত তুলে ধরে পরে এর নিন্দা জানিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এটি এক ধরনের কৌশল
যেন ভিডিওটি সম্পর্কে আরও লোকজন জানতে পারে। তাতে তারেক রহমানকে আরও হেয় প্রতিপন্ন করা যেতে পারে। জামায়াতের নারীদের হেয় বা স্লাট শেমিংয়ের ঘটনা নতুন নয়। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক সানজিদা আহমেদ তন্বী অভিযোগ করেছেন যে, ইসলামী ছাত্রশিবির ও তার সমর্থকদের একাংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত চরিত্রহনন ও হয়রানি চালাচ্ছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাস রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। তন্বী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে জানান, বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসান সম্প্রতি এক জনসভায় ডাকসুকে ‘মাদকের আড্ডাখানা ও বেশ্যাখানা’ বলে অশ্লীল মন্তব্য করেন। এর প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ,
সমাবেশ ও কুশপুতুল দাহ কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। এরপর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে তার পোশাক, ব্যক্তিগত জীবন ও ছবি নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, মিথ্যা গল্প ছড়ানো এবং চরিত্রহননের ঘটনা ঘটছে বলে তিনি দাবি করেন। তন্বী বলেন, “শিবির ভিন্নমত সহ্য করতে পারে না। কেউ তাদের বিপক্ষে অবস্থান নিলেই ব্যক্তিগত আক্রমণ শুরু করে। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা গল্প মিশিয়ে যতরকমভাবে চরিত্রহনন করা যায়, তা করা হচ্ছে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, শিবিরের কর্মী ও সমর্থকরা ব্যক্তিগত জীবনাচরণে নগ্ন হস্তক্ষেপ করছে। এর আগে নারীদের ঘরের বাইরে কাজ করাকে ‘পতিতাবৃত্তির রূপ’ হিসেবে অভিহিত করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। পরে জানানো হয়, তার এক্স আইডিটি হ্যাক করে এই
পোস্ট দেওয়া হয়েছে। এই পোস্টের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানী। গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ঝাড়ু মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে সাধারণ শিক্ষার্থী ও শ্রমজীবী নারীরা। ওইদিন দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নারী নেত্রী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা ঝাড়ু হাতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে আদর্শিক লড়াইয়ের জায়গা যখন সংকীর্ণ হয়ে আসে, তখনই ব্যক্তিগত আক্রমণ বা ‘স্লাট শেমিং’-এর মতো নিম্নমানের কৌশল মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। জাইমা রহমান বা সানজিদা তন্বীর ক্ষেত্রে যা ঘটছে, তা মূলত লিঙ্গভিত্তিক রাজনৈতিক সহিংসতার একটি ডিজিটাল রূপ। এখানে লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, যখনই কোনো নারী বা কোনো নেতার পরিবারের
নারী সদস্যরা পাদপ্রদীপে আসেন, তখনই তাদের পোশাক, জীবনযাপন বা ব্যক্তিগত পছন্দকে সামনে এনে একটি রক্ষণশীল সমাজব্যবস্থায় তাদের অগ্রহণযোগ্য করার চেষ্টা করা হয়। জামায়াত বা শিবিরের মতো সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগগুলো প্রমাণ করে যে, তারা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করার চেয়ে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করাকে বেশি কার্যকর মনে করে। এটি কেবল সুস্থ রাজনীতির পরিপন্থী নয়, বরং নারী ক্ষমতায়ন এবং সাইবার নিরাপত্তার জন্যও এক বিরাট হুমকি।
যেন ভিডিওটি সম্পর্কে আরও লোকজন জানতে পারে। তাতে তারেক রহমানকে আরও হেয় প্রতিপন্ন করা যেতে পারে। জামায়াতের নারীদের হেয় বা স্লাট শেমিংয়ের ঘটনা নতুন নয়। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক সানজিদা আহমেদ তন্বী অভিযোগ করেছেন যে, ইসলামী ছাত্রশিবির ও তার সমর্থকদের একাংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত চরিত্রহনন ও হয়রানি চালাচ্ছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাস রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। তন্বী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে জানান, বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসান সম্প্রতি এক জনসভায় ডাকসুকে ‘মাদকের আড্ডাখানা ও বেশ্যাখানা’ বলে অশ্লীল মন্তব্য করেন। এর প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ,
সমাবেশ ও কুশপুতুল দাহ কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। এরপর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে তার পোশাক, ব্যক্তিগত জীবন ও ছবি নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, মিথ্যা গল্প ছড়ানো এবং চরিত্রহননের ঘটনা ঘটছে বলে তিনি দাবি করেন। তন্বী বলেন, “শিবির ভিন্নমত সহ্য করতে পারে না। কেউ তাদের বিপক্ষে অবস্থান নিলেই ব্যক্তিগত আক্রমণ শুরু করে। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা গল্প মিশিয়ে যতরকমভাবে চরিত্রহনন করা যায়, তা করা হচ্ছে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, শিবিরের কর্মী ও সমর্থকরা ব্যক্তিগত জীবনাচরণে নগ্ন হস্তক্ষেপ করছে। এর আগে নারীদের ঘরের বাইরে কাজ করাকে ‘পতিতাবৃত্তির রূপ’ হিসেবে অভিহিত করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। পরে জানানো হয়, তার এক্স আইডিটি হ্যাক করে এই
পোস্ট দেওয়া হয়েছে। এই পোস্টের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানী। গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ঝাড়ু মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে সাধারণ শিক্ষার্থী ও শ্রমজীবী নারীরা। ওইদিন দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নারী নেত্রী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা ঝাড়ু হাতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে আদর্শিক লড়াইয়ের জায়গা যখন সংকীর্ণ হয়ে আসে, তখনই ব্যক্তিগত আক্রমণ বা ‘স্লাট শেমিং’-এর মতো নিম্নমানের কৌশল মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। জাইমা রহমান বা সানজিদা তন্বীর ক্ষেত্রে যা ঘটছে, তা মূলত লিঙ্গভিত্তিক রাজনৈতিক সহিংসতার একটি ডিজিটাল রূপ। এখানে লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, যখনই কোনো নারী বা কোনো নেতার পরিবারের
নারী সদস্যরা পাদপ্রদীপে আসেন, তখনই তাদের পোশাক, জীবনযাপন বা ব্যক্তিগত পছন্দকে সামনে এনে একটি রক্ষণশীল সমাজব্যবস্থায় তাদের অগ্রহণযোগ্য করার চেষ্টা করা হয়। জামায়াত বা শিবিরের মতো সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগগুলো প্রমাণ করে যে, তারা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করার চেয়ে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করাকে বেশি কার্যকর মনে করে। এটি কেবল সুস্থ রাজনীতির পরিপন্থী নয়, বরং নারী ক্ষমতায়ন এবং সাইবার নিরাপত্তার জন্যও এক বিরাট হুমকি।



