ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এশিয়ান কাপের অভিষেকে শক্তিশালী চীনের বিপক্ষে লড়াই করল বাংলাদেশের মেয়েরা
স্যামসনের দুর্দান্ত ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সেমিফাইনাল ভারত
সাবেক লঙ্কান ফুটবলার পাকিরের মনে পীড়া দেয় আবাহনীর ট্রফি লুট
বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে বাংলাদেশ বাদ – ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয় ভেঙে গেলো
তরুণদের জঙ্গিবাদ ও মাদকের দিকে ঠেলে দিতে ধ্বংস করা হচ্ছে ক্রীড়াঙ্গন
জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিল ভারত, সেমিফাইনাল নিশ্চিত দক্ষিণ আফ্রিকার
জিম্বাবুয়েকে বিদায় করে সেমির স্বপ্ন জাগাল ভারত
জহিরকে বিয়ে করতে চান, শুনে কী বলেছিলেন সাগরিকার বাবা-মা
দর্শক তাকে প্রথম দেখেছিল হকিস্টিক হাতে। চিনেছিল ‘চক দে ইন্ডিয়া’-র ‘প্রীতি সভরওয়াল’ নামে। পর্দার বাইরেও তিনি ছিলেন হকি খেলোয়াড়। পরবর্তী ব্যক্তিগত জীবনেও সাগরিকা ঘাটগে বাঁধা পড়েন খেলার সঙ্গেই। ক্রিকেটতারকা জহির খানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সাগরিকা। তিন বছর প্রেম করার পর বয়সে আট বছরের বড় জহিরকে বিয়ে করেন ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে। নিজে মরাঠি, ভিন্ধর্মের ছেলে জ়াহিরকে বিয়ে করার ইচ্ছেপ্রকাশ করতে কী বলেন অভিনেত্রীর বাবা-মা?
হিন্দু ধর্মে বিয়ে অথবা মুসলিম ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী নিকাহ, দুটিই সযত্নে এড়িয়ে গিয়েছিলেন তারা। পরিবর্তে তারা শুধুই রেজিস্ট্রি ম্যারেজ করেন। ভিন্ধর্মে বিয়ে নিয়ে তাদের পরিবারে কোনো আপত্তি ছিল না। জানিয়েছিলেন, জহির এবং সাগরিকা দুজনেই। তাদের অভিভাবকেরা ধর্মের
তুলনায় প্রাধান্য দিয়েছিলেন যোগ্য জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ওপরেই। সাগরিকার বলেন, আমার বাবা-মা খুব প্রগতিশীল। এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছিল ঠিকই, তবে আমার মনে হয়, আমার জন্য সঠিক মানুষ খুঁজে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যার সঙ্গে আমি থাকব, তার সঙ্গে যাতে জীবনটা ভাল ভাবে কাটাতে পারি। তবে জহির এবং সাগরিকার প্রেমের পথ মসৃণ করেছেন তাদের বন্ধুরা। প্রথম আলাপের পরে দুজনেই একে অপরের প্রতি আকৃষ্ট হন। বেশ কয়েক দিন সম্পর্ক সীমাবদ্ধ ছিল শুধু শুভেচ্ছা বিনিময়ে। সময়ের সঙ্গে তার ঘনিষ্ট হন। বন্ধুত্বের সীমানা ছাড়িয়ে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। অবশেষে সম্পর্ক পরিণতির পথে এগিয়ে নিয়ে যান। এই মুহূর্তে এক সন্তানের বাবা-মা তারা।
তুলনায় প্রাধান্য দিয়েছিলেন যোগ্য জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ওপরেই। সাগরিকার বলেন, আমার বাবা-মা খুব প্রগতিশীল। এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছিল ঠিকই, তবে আমার মনে হয়, আমার জন্য সঠিক মানুষ খুঁজে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যার সঙ্গে আমি থাকব, তার সঙ্গে যাতে জীবনটা ভাল ভাবে কাটাতে পারি। তবে জহির এবং সাগরিকার প্রেমের পথ মসৃণ করেছেন তাদের বন্ধুরা। প্রথম আলাপের পরে দুজনেই একে অপরের প্রতি আকৃষ্ট হন। বেশ কয়েক দিন সম্পর্ক সীমাবদ্ধ ছিল শুধু শুভেচ্ছা বিনিময়ে। সময়ের সঙ্গে তার ঘনিষ্ট হন। বন্ধুত্বের সীমানা ছাড়িয়ে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। অবশেষে সম্পর্ক পরিণতির পথে এগিয়ে নিয়ে যান। এই মুহূর্তে এক সন্তানের বাবা-মা তারা।



