ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইসরাইলি অস্ত্র কারখানায় অগ্নিসংযোগ
তেলের দাম নিয়ে রাজনীতি বন্ধের আহ্বান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর
ঐক্যের ডাক মোজতবা খামেনির, প্রস্তাব দিলেন পাকিস্তান-আফগানিস্তান যুদ্ধে মধ্যস্থতারও
ইরানের বিপ্লবী গার্ডের মুখপাত্র জেনারেল নাঈনি নিহত
যুদ্ধবিরতি হলেই হরমুজে সহায়তা দেবে ৩ দেশ
ইসরায়েলের গ্যাস ফিল্ডে আক্রমণের জবাবে এক রাতেই ৯ ধনী উপসাগরীয় দেশে ইরানের ব্যালিস্টিক আঘাত
সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় পুলিশ হত্যা: ইরানে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
জম্মু-কাশ্মীর ন্যাশনাল কনফারেন্সে পালাবদলের আভাস
কাশ্মীরের রাজনীতিতে প্রবীণ নেতা ফারুক আবদুল্লাহর সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে যেন এক যুগের ইতি ঘটল। এই উপত্যকা বহু দশক ধরে ফারুক নামের রাজনীতিককে দেখেছে কখনও মুখ্যমন্ত্রী, কখনও সংসদ সদস্য, কখনও সমঝোতার দূত হিসেবে।
তার সরে যাওয়া মানে শুধু একটি আসন খালি হওয়া নয়, বরং এক রাজনৈতিক ধারা নতুন হাতের কাছে তুলে দেওয়া। ওমর আবদুল্লাহ সংবাদমাধ্যমে স্পষ্ট করেছেন, এটি তার পিতার একান্ত ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, দলে ঐক্য অটুট।
কিন্তু রাজনৈতিক মহল বলছে, এই ঘোষণার মধ্যে দিয়ে জম্মু-কাশ্মীর ন্যাশনাল কনফারেন্সে নেতৃত্ব পরিবর্তনের সুর বেজে উঠেছে। ২০১৯ সালের পর থেকে কেন্দ্র–উপত্যকা সম্পর্কের যে নতুন কাঠামো তৈরি হয়েছে, তাতে ফারুকের নেতৃত্বে দলের কণ্ঠস্বর কিছুটা নরম হয়ে পড়েছিল।
ওমর
বরাবরই অপেক্ষাকৃত প্রগতিশীল, তরুণ, এবং জনমুখী রাজনীতির প্রতীক হিসেবে উঠে এসেছেন। সেই দিক থেকেই দেখা যায়, উপনির্বাচনের আগে এই পরিবর্তন দলের অভ্যন্তরে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে পারে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত শুধু বয়সজনিত নয়। বরং রাজনৈতিক কৌশলগত। কারণ, ফারুক আবদুল্লাহ জানেন, এখন উপত্যকার রাজনীতি বদলেছে। মানুষের মধ্যে উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং স্থিতিশীলতার চাহিদা প্রবল। এমন অবস্থায় তার সরে দাঁড়ানোকে ‘আত্মসমর্পণ’ বলা যাবে না। ওমরের রাজনৈতিক যাত্রা বরাবরই তার পিতার ছায়ায় থেকেছে। এবার হয়তো তিনি নিজেকে নতুন করে প্রমাণ করার সুযোগ পাচ্ছেন। ন্যাশনাল কনফারেন্সের নীতি বরাবরই সংলাপ ও গণতন্ত্রকেন্দ্রিক, যা কাশ্মীরি রাজনীতিতে তুলনামূলক ভারসাম্য এনে দেয়। এই ধারাকে ধরে রেখে ওমর যদি মানুষের
আস্থা পুনরুদ্ধার করতে পারেন, তাহলে উপনির্বাচনে দলের পারফরম্যান্স এক নতুন দিক নির্দেশ করবে। অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলো এখন এই সুযোগে নিজেদের অবস্থান জোরদার করতে চাইছে। বিজেপি উপত্যকার নতুন প্রশাসনিক কাঠামোয় উন্নয়নের স্লোগান তুলেছে, আর পিডিপি মানুষের আস্থার রাজনীতি ফেরানোর আহ্বান জানাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ন্যাশনাল কনফারেন্সের জন্য ওমরের ভূমিকা নির্ধারণমূলক হবে। ফারুকের সরে যাওয়া রাজনীতির ইতিহাসে যেমন এক প্রজন্মের সমাপ্তি, তেমনই এটি নতুন সম্ভাবনার সূচনাও বটে।
বরাবরই অপেক্ষাকৃত প্রগতিশীল, তরুণ, এবং জনমুখী রাজনীতির প্রতীক হিসেবে উঠে এসেছেন। সেই দিক থেকেই দেখা যায়, উপনির্বাচনের আগে এই পরিবর্তন দলের অভ্যন্তরে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে পারে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত শুধু বয়সজনিত নয়। বরং রাজনৈতিক কৌশলগত। কারণ, ফারুক আবদুল্লাহ জানেন, এখন উপত্যকার রাজনীতি বদলেছে। মানুষের মধ্যে উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং স্থিতিশীলতার চাহিদা প্রবল। এমন অবস্থায় তার সরে দাঁড়ানোকে ‘আত্মসমর্পণ’ বলা যাবে না। ওমরের রাজনৈতিক যাত্রা বরাবরই তার পিতার ছায়ায় থেকেছে। এবার হয়তো তিনি নিজেকে নতুন করে প্রমাণ করার সুযোগ পাচ্ছেন। ন্যাশনাল কনফারেন্সের নীতি বরাবরই সংলাপ ও গণতন্ত্রকেন্দ্রিক, যা কাশ্মীরি রাজনীতিতে তুলনামূলক ভারসাম্য এনে দেয়। এই ধারাকে ধরে রেখে ওমর যদি মানুষের
আস্থা পুনরুদ্ধার করতে পারেন, তাহলে উপনির্বাচনে দলের পারফরম্যান্স এক নতুন দিক নির্দেশ করবে। অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলো এখন এই সুযোগে নিজেদের অবস্থান জোরদার করতে চাইছে। বিজেপি উপত্যকার নতুন প্রশাসনিক কাঠামোয় উন্নয়নের স্লোগান তুলেছে, আর পিডিপি মানুষের আস্থার রাজনীতি ফেরানোর আহ্বান জানাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ন্যাশনাল কনফারেন্সের জন্য ওমরের ভূমিকা নির্ধারণমূলক হবে। ফারুকের সরে যাওয়া রাজনীতির ইতিহাসে যেমন এক প্রজন্মের সমাপ্তি, তেমনই এটি নতুন সম্ভাবনার সূচনাও বটে।



