ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গাজা চুক্তিতে তুরস্ক কী করবে, সে বিষয়ে প্রস্তাব দিল যুক্তরাষ্ট্র
২০২৫ সালে সৌদি আরবে রেকর্ড মৃত্যুদণ্ড
বছরের শুরুতেই পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগে রাশিয়া-ইউক্রেন
নতুন বছরে বিশ্বনেতাদের বার্তা
পারমাণবিক স্থাপনার তালিকা বিনিময় করল পাকিস্তান ও ভারত
কোরআন হাতে শপথ নিলেন জোহরান মামদানি
আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান
জনসংখ্যা বাড়াতে চীনে গর্ভনিরোধক পণ্যের দাম বাড়ছে
চীনে জন্মহার দ্রুত কমে যাওয়ায় নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দেশটিতে কনডমসহ সব ধরনের গর্ভনিরোধক পণ্যের ওপর ১৩ শতাংশ বিক্রয় কর আরোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিশু যত্ন ও বিয়েসংক্রান্ত সেবাকে করমুক্ত করা হয়েছে।
চীনা কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য, তরুণদের বিয়ে ও সন্তান নিতে উৎসাহ দেওয়া। এর আগে, নব্বইয়ের দশকে কঠোর ‘এক সন্তান নীতি’ চালুর সময় গর্ভনিরোধক পণ্যে কর ছাড় ছিল। প্রায় ৩২ বছর পর সেই সুবিধা তুলে নেওয়া হলো।
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, টানা তিন বছর ধরে চীনে জন্মহার কমেছে। ২০২৪ সালে দেশটিতে জন্ম নেয় মাত্র ৯৫ লাখ শিশু, যা এক দশক আগের তুলনায় প্রায় অর্ধেক। এতে ভবিষ্যতে কর্মক্ষম মানুষের
ঘাটতি ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার একদিকে গর্ভনিরোধকের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করছে, অন্যদিকে শিশু ও বয়স্কদের যত্ন এবং বিয়েসংক্রান্ত সেবায় কর ছাড় দিচ্ছে। তবে কনডমে কর আরোপ নিয়ে চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, কনডমের দাম বাড়িয়ে জন্মহার বাড়ানো সম্ভব নয়। একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, কনডমের দাম আর সন্তান লালন-পালনের খরচের পার্থক্য সবাই জানে। বিশেষজ্ঞরাও এই নীতির কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, গর্ভনিরোধকের দাম বাড়লে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে, কিন্তু এতে জন্মহার বাড়বে না। বিশ্লেষকদের ধারণা, সন্তান পালনের উচ্চ ব্যয়, কঠিন শিক্ষা ব্যবস্থা এবং জীবনযাত্রার খরচই মূলত তরুণদের সন্তান নেওয়া থেকে বিরত রাখছে—যা
শুধু কর নীতির পরিবর্তনে সমাধান করা কঠিন।
ঘাটতি ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার একদিকে গর্ভনিরোধকের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করছে, অন্যদিকে শিশু ও বয়স্কদের যত্ন এবং বিয়েসংক্রান্ত সেবায় কর ছাড় দিচ্ছে। তবে কনডমে কর আরোপ নিয়ে চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, কনডমের দাম বাড়িয়ে জন্মহার বাড়ানো সম্ভব নয়। একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, কনডমের দাম আর সন্তান লালন-পালনের খরচের পার্থক্য সবাই জানে। বিশেষজ্ঞরাও এই নীতির কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, গর্ভনিরোধকের দাম বাড়লে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে, কিন্তু এতে জন্মহার বাড়বে না। বিশ্লেষকদের ধারণা, সন্তান পালনের উচ্চ ব্যয়, কঠিন শিক্ষা ব্যবস্থা এবং জীবনযাত্রার খরচই মূলত তরুণদের সন্তান নেওয়া থেকে বিরত রাখছে—যা
শুধু কর নীতির পরিবর্তনে সমাধান করা কঠিন।



