ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা
শহীদ মিনারে রুমিন ফারহানাকে বাধা, মহাসড়ক অবরোধ
ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ
ভারতীয়দের ভিসা দেওয়া শুরু করল বাংলাদেশ
৫৫০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্ত চলমান থাকা স্বত্বেও নির্বাচনের ৩দিন আগে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবকে সেইফ এক্সিট দিলো ইউনূস; নেপথ্যে কোন স্বার্থ?
নিজের অর্থ সম্পদ বাড়িয়ে নিয়েছে কিন্তু দেশের অর্থনীতিকে করেছে পঙ্গু
‘জামায়াতের হাত থেকে বাঁচতে নাকে রুমাল দিয়ে বিএনপিকে ভোট দিয়েছে মানুষ’: সাংবাদিক নুরুল কবির
জনসংখ্যার বড় অংশ ভোট দিতে না পারা অস্থিরতার পথ প্রশস্ত করে: শেখ হাসিনা
আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা আগামী মাসে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তার দল আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)-তে প্রকাশিত এক বার্তায় হাসিনা বলেন, “বর্জন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জন্ম নেওয়া কোনো সরকার একটি বিভক্ত জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারে না।”
এই সাবেক প্রধানমন্ত্রী এপি-কে পাঠানো ইমেইলে সতর্ক করে বলেন, “যখনই জনসংখ্যার একটি বড় অংশের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ অস্বীকার করা হয়, তা জনমনে অসন্তোষ গভীর করে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং ভবিষ্যতে অস্থিরতার পথ প্রশস্ত করে।”
তিনি আরও দাবি করেন যে, আওয়ামী লীগকে নির্বাচন থেকে দূরে রেখে বর্তমান সরকার তার কোটি কোটি সমর্থককে ভোটাধিকার
থেকে বঞ্চিত করছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। একই দিনে ব্যাপক সাংবিধানিক সংস্কারের লক্ষ্যে একটি গণভোটও অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। গত সপ্তাহ থেকে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। ৫ আগস্ট দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের তিন দিন পর ড. ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিলেও, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করায় নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
থেকে বঞ্চিত করছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। একই দিনে ব্যাপক সাংবিধানিক সংস্কারের লক্ষ্যে একটি গণভোটও অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। গত সপ্তাহ থেকে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। ৫ আগস্ট দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের তিন দিন পর ড. ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিলেও, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করায় নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।



