ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে শিল্পী-জনতার সমাবেশ: ধর্ষণ ও শিশু হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ
রাস্তা থেকে ধরে ইটভাটায় নিয়ে পথশিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, যুবককে গণপিটুনি
ঢাকার রাস্তায় এআই ক্যামেরা, কতটা কাজে দিচ্ছে
কক্সবাজার আদালত চত্বরে গুলিবিদ্ধ ২
সোমবার ৯ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
মিরপুরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, বিএনপির নেতাকর্মীসহ আসামি শতাধিক
চট্টগ্রামে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ভবন ঘেরাও জনতার
জঙ্গি কানেকশন ও ভিসাকেন্দ্র বন্ধ: হারুন ইজহারের পুনরুত্থানে বড় বিপদের সংকেত দেখছে ভারত
চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনে নজিরবিহীন হামলার রেশ না কাটতেই গভীর রাতে থানায় হানা দিয়ে আটক আসামিদের ছাড়িয়ে নেওয়ার মতো ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন কুখ্যাত জঙ্গি নেতা মুফতি হারুন ইজহার। একসময়ের নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং গ্রেনেড হামলা মামলার আসামি হারুন ইজহারের এই দাপট ও পুলিশের অসহায় আত্মসমর্পণ জাতীয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তায় বড় ধরনের অশনি সংকেত হিসেবে দেখা দিয়েছে।
গত ১৯ নভেম্বর রাত সাড়ে ৩টায় চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী থানায় সদলবলে প্রবেশ করেন হেফাজত-ই- ইসলামের কট্টরপন্থী নেতা হারুন ইজহার। এর কয়েক ঘণ্টা আগেই তার অনুসারীরা চট্টগ্রামে ভারতীয় মিশনে হামলা চালিয়েছিল। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, হারুন ইজহার পুলিশ কর্মকর্তাদের ওপর চড়াও হয়ে ভারতীয় মিশনে
হামলার অভিযোগে আটক ১২ আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন। বিস্ময়করভাবে, পুলিশের ওপর তার এই চাপের মুখে গত ২১ ডিসেম্বর ওই ১২ জন হামলাকারীকেই ছেড়ে দেওয়া হয়। একজন তালিকাভুক্ত জঙ্গির হুকুমে স্পর্শকাতর মামলার আসামিদের ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা প্রশাসনের মেরুদণ্ডহীনতাকেই প্রকট করে তুলেছে। হারুন ইজহারের মতো ভয়ঙ্কর অপরাধীর দাপট শুধু রাজপথেই সীমাবদ্ধ নয়, খোদ সরকারের উচ্চপর্যায়েও তার অবাধ বিচরণ নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। গোয়েন্দা সূত্রমতে, চলতি বছরের এপ্রিলে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেতরে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেন হারুন ইজহার। কাশ্মীরে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একজন ওয়ান্টেড জঙ্গির সঙ্গে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির এই
বৈঠককে ‘চরম রেড ফ্ল্যাগ’ বা নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে দেখছেন সামরিক গোয়েন্দারা। বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলছেন, তবে কি প্রশাসনের ছত্রছায়ায় জঙ্গিবাদীরা পুনর্বাসিত হচ্ছে? সহিংসতার পুরনো খলনায়ক হারুন ইজহারের অতীত ইতিহাস রক্তক্ষয়ী সন্ত্রাসের সাক্ষ্য দেয়। ২০০৯ সালে মুম্বাই হামলার পরিকল্পনাকারী ডেভিড হেডলির সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা ফাঁস করে এফবিআই। ২০১৩ সালে লালখান বাজারে তার মাদরাসায় গ্রেনেড বিস্ফোরণে ছাত্র নিহত হওয়ার ঘটনা এবং সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনা প্রমাণ করে তিনি কতটা বিপজ্জনক। পাকিস্তানভিত্তিক লস্কর-ই-তৈয়বার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং বাংলাদেশে ভারতীয় ও মার্কিন দূতাবাসে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ থাকার পরও তার জামিন পাওয়া এবং প্রকাশ্যে এমন আস্ফালন বিচারহীনতার সংস্কৃতিকেই নির্দেশ করে। চট্টগ্রামে ভারতীয়
ভিসা কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং কূটনীতিক পাড়ায় হামলার ঘটনা বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে চরম সংকটে ফেলেছে। পুলিশ বলছে হারুন ইজহার নজরদারিতে আছেন, অথচ তিনি প্রকাশ্যে থানায় গিয়ে আসামি ছাড়িয়ে আনছেন এবং ভারতবিরোধী জিহাদের ডাক দিচ্ছেন। জামিনে মুক্ত একজন দুর্ধর্ষ জঙ্গির এমন লাগামহীন কর্মকাণ্ড এবং প্রশাসনের নীরব দর্শকের ভূমিকা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকে খাদের কিনারে নিয়ে গেছে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।
হামলার অভিযোগে আটক ১২ আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন। বিস্ময়করভাবে, পুলিশের ওপর তার এই চাপের মুখে গত ২১ ডিসেম্বর ওই ১২ জন হামলাকারীকেই ছেড়ে দেওয়া হয়। একজন তালিকাভুক্ত জঙ্গির হুকুমে স্পর্শকাতর মামলার আসামিদের ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা প্রশাসনের মেরুদণ্ডহীনতাকেই প্রকট করে তুলেছে। হারুন ইজহারের মতো ভয়ঙ্কর অপরাধীর দাপট শুধু রাজপথেই সীমাবদ্ধ নয়, খোদ সরকারের উচ্চপর্যায়েও তার অবাধ বিচরণ নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। গোয়েন্দা সূত্রমতে, চলতি বছরের এপ্রিলে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেতরে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেন হারুন ইজহার। কাশ্মীরে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একজন ওয়ান্টেড জঙ্গির সঙ্গে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির এই
বৈঠককে ‘চরম রেড ফ্ল্যাগ’ বা নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে দেখছেন সামরিক গোয়েন্দারা। বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলছেন, তবে কি প্রশাসনের ছত্রছায়ায় জঙ্গিবাদীরা পুনর্বাসিত হচ্ছে? সহিংসতার পুরনো খলনায়ক হারুন ইজহারের অতীত ইতিহাস রক্তক্ষয়ী সন্ত্রাসের সাক্ষ্য দেয়। ২০০৯ সালে মুম্বাই হামলার পরিকল্পনাকারী ডেভিড হেডলির সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা ফাঁস করে এফবিআই। ২০১৩ সালে লালখান বাজারে তার মাদরাসায় গ্রেনেড বিস্ফোরণে ছাত্র নিহত হওয়ার ঘটনা এবং সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনা প্রমাণ করে তিনি কতটা বিপজ্জনক। পাকিস্তানভিত্তিক লস্কর-ই-তৈয়বার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং বাংলাদেশে ভারতীয় ও মার্কিন দূতাবাসে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ থাকার পরও তার জামিন পাওয়া এবং প্রকাশ্যে এমন আস্ফালন বিচারহীনতার সংস্কৃতিকেই নির্দেশ করে। চট্টগ্রামে ভারতীয়
ভিসা কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং কূটনীতিক পাড়ায় হামলার ঘটনা বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে চরম সংকটে ফেলেছে। পুলিশ বলছে হারুন ইজহার নজরদারিতে আছেন, অথচ তিনি প্রকাশ্যে থানায় গিয়ে আসামি ছাড়িয়ে আনছেন এবং ভারতবিরোধী জিহাদের ডাক দিচ্ছেন। জামিনে মুক্ত একজন দুর্ধর্ষ জঙ্গির এমন লাগামহীন কর্মকাণ্ড এবং প্রশাসনের নীরব দর্শকের ভূমিকা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকে খাদের কিনারে নিয়ে গেছে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।



