ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কারা ফটকের পাঁচ মিনিট……
রঙ বদলের মানুষেরা!
হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া।
ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?
পিতার নামে শপথ নেওয়ার দিন আজ
নৈতিকতা, মানবিকতা ও রাজপথ: আওয়ামী লীগের অবিনাশী চেতনার তিন স্তম্ভ
মুজিব একটি জাতির নাম, হাসিনা সে জাতির অগ্রগতির কাণ্ডারি, বঙ্গবন্ধু ফিরেছিলেন, ফিরবেন দেশরত্নও
ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতিতে ধ্বংস হচ্ছে শিক্ষাব্যবস্থা: বদিউল আলম
লেজুড়বৃত্তিক শিক্ষক ও ছাত্রদের দিয়ে রাজনীতি করার মাশুল সাধারণ জনগণকে দিতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ছাত্র এবং শিক্ষকদের শিক্ষক হিসেবেই থাকতে হবে; তাদের রাজনীতিবিদ হতে দেয়া যাবে না।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: জনমানুষের ভাবনা ও প্রত্যাশা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এ মন্তব্য করেন তিনি।
বদিউল আলম বলেন, ‘লেজুড়বৃত্তিক শিক্ষক ও ছাত্রদের দিয়ে রাজনীতি করার মাশুল আমাদের দিতে হচ্ছে। কিন্তু এই লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি থাকতে পারবে না–এমন সদিচ্ছা রাজনৈতিক দলগুলোর থাকতে হবে। ছাত্র ও শিক্ষকের রাজনীতির মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। স্বৈরাচার তৈরির পথ বন্ধ করতে হলে ছাত্রদের ছাত্র এবং
শিক্ষকদের শিক্ষক হিসেবেই থাকতে হবে। যার কাজ সে না করার উদাহরণ হচ্ছে জাকসু নির্বাচন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে কিছু সংস্কার প্রয়োজন। আমাদের ঐক্য আছে, তবে এর জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা দরকার।’ আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, সংস্কার বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে অনাস্থা রয়েছে, তা দূর করতে আইনি বাধ্যবাধকতা থাকা জরুরি। তিনি সতর্ক করে বলেন, দলগুলো কেবল নিজেদের কথা বলছে, কিন্তু জনগণ জাতীয় ঐকমত্য চায়। একক শক্তি প্রতিষ্ঠা হলে দেশ অনিবার্য সংঘাতের দিকে
যেতে পারে।
শিক্ষকদের শিক্ষক হিসেবেই থাকতে হবে। যার কাজ সে না করার উদাহরণ হচ্ছে জাকসু নির্বাচন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে কিছু সংস্কার প্রয়োজন। আমাদের ঐক্য আছে, তবে এর জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা দরকার।’ আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, সংস্কার বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে অনাস্থা রয়েছে, তা দূর করতে আইনি বাধ্যবাধকতা থাকা জরুরি। তিনি সতর্ক করে বলেন, দলগুলো কেবল নিজেদের কথা বলছে, কিন্তু জনগণ জাতীয় ঐকমত্য চায়। একক শক্তি প্রতিষ্ঠা হলে দেশ অনিবার্য সংঘাতের দিকে
যেতে পারে।



