ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া
একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক
ছাত্রলীগের ডাক: অবৈধ সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত, লাগাতার কর্মসূচি ঘোষণা
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ‘অবৈধ, দখলদার, ফ্যাসিস্ট, মাফিয়া ইউনূস সরকারের’ পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
এক বিবৃতিতে সংগঠনটি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, প্রহসনমূলক বিচার বন্ধ এবং ‘খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূসের’ পদত্যাগের দাবিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছে।
বিবৃতিতে ছাত্রলীগ দেশের সকল গণতান্ত্রিক শক্তি ও জনগণকে আহ্বান জানিয়েছে— ১৪ ও ১৫ই নভেম্বর দেশব্যাপী বিক্ষোভ, প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ কর্মসূচিতে রাজপথে দুর্বার অংশগ্রহণ করতে। ১৬ ও ১৭ই নভেম্বর সারা দেশে ঘোষিত ‘সর্বাত্মক শাটডাউন’ সফল করতে।
সংগঠনের সকল ইউনিটকে এসব কর্মসূচি সফল করার সর্বোচ্চ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ইতোমধ্যে শেখ হাসিনার আহ্বানে ঘোষিত ‘লকডাউন’ কর্মসূচি স্বতঃস্ফূর্তভাবে সফল হওয়ায় ছাত্রলীগ সংগ্রামী জনতা, বিশেষ করে
শিক্ষার্থী সমাজকে অভিনন্দন জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, রাজনৈতিক কর্মী, শিক্ষক, চাকুরিজীবী, ব্যবসায়ী, কৃষক-শ্রমিকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সমর্থনে এই কর্মসূচি প্রমাণ করেছে—‘বাংলার প্রতিটি ঘর আজ খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গংয়ের দানবীয় শাসনের বিরুদ্ধে অধিকারহারা মানুষের দুর্গে পরিণত হয়েছে।’ ছাত্রলীগের অঙ্গীকার: ‘বাংলাদেশকে এই কলঙ্কিত, গণবিরোধী অপশাসন থেকে মুক্ত করা।’ সংগঠনটি স্পষ্ট করে বলেছে, ‘যত বেশি দমন হবে, ততই প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ জোরালো হবে। জালিম ইউনূসের দুর্ভেদ্য শাসনের প্রাচীর একে একে ভেঙে পড়বে।’
শিক্ষার্থী সমাজকে অভিনন্দন জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, রাজনৈতিক কর্মী, শিক্ষক, চাকুরিজীবী, ব্যবসায়ী, কৃষক-শ্রমিকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সমর্থনে এই কর্মসূচি প্রমাণ করেছে—‘বাংলার প্রতিটি ঘর আজ খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গংয়ের দানবীয় শাসনের বিরুদ্ধে অধিকারহারা মানুষের দুর্গে পরিণত হয়েছে।’ ছাত্রলীগের অঙ্গীকার: ‘বাংলাদেশকে এই কলঙ্কিত, গণবিরোধী অপশাসন থেকে মুক্ত করা।’ সংগঠনটি স্পষ্ট করে বলেছে, ‘যত বেশি দমন হবে, ততই প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ জোরালো হবে। জালিম ইউনূসের দুর্ভেদ্য শাসনের প্রাচীর একে একে ভেঙে পড়বে।’



