চীনে অবৈধ সরবরাহ ঠেকাতে চিপের চালানে গোপন ট্র্যাকার বসাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৭ আগস্ট, ২০২৫
     ৭:৩০ পূর্বাহ্ণ

চীনে অবৈধ সরবরাহ ঠেকাতে চিপের চালানে গোপন ট্র্যাকার বসাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৭ আগস্ট, ২০২৫ | ৭:৩০ 113 ভিউ
চীনে অবৈধভাবে তথ্য স্থানান্তর শনাক্ত করার লক্ষ্যে গোপনে উন্নত এআই চিপ এবং সার্ভারের নির্বাচিত চালানে ট্র্যাকিং ডিভাইস স্থাপন করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে যুক্ত দুটি সূত্র রয়টার্সকে এই তথ্য দিয়েছেন । যেসব এআই চিপ মার্কিন রফতানি নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন দেশ বা অঞ্চলে গোপনে পাঠানো হচ্ছে, সেগুলো শনাক্ত করাই এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য বলে জানিওয়েছে সূত্রগুলো। তবে এটি সব চালানের ক্ষেত্রে নয়, শুধু যেসব চালান তদন্তের আওতায় রয়েছে, সেগুলোর ক্ষেত্রেই এই ব্যবস্থা প্রযোজ্য। ট্রাম্প প্রশাসন উন্নত আমেরিকান সেমিকন্ডাক্টরগুলোতে চীনাদের প্রবেশাধিকারের উপর কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার চেষ্টা করার পরেও, চীনের ওপর চিপ রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যুক্তরাষ্ট্র কতটা পদক্ষেপ নিয়েছে এই পদক্ষেপ

তারই প্রমাণ। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র বিমান যন্ত্রাংশসহ নানা রফতানি-নিয়ন্ত্রিত পণ্যে ট্র্যাকার ব্যবহার করে আসছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেমিকন্ডাক্টর চোরাচালান ঠেকাতেও এটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ডেল ও সুপার মাইক্রো সার্ভারের কিছু চালানে এই ট্র্যাকার বসানো হয়েছে বলে এআই সার্ভার সরবরাহ চেইনের পাঁচজন ব্যক্তি নিশ্চিত করেছেন। এসব সার্ভারে এনভিডিয়া ও এএমডির তৈরি উন্নত চিপ ব্যবহৃত হয়। সাধারণত ট্র্যাকারগুলো চালানের প্যাকেজিংয়ের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়। আবার কখনো কখনো বসানো হয় সার্ভারের ভেতরেও। বিষয়টির সংবেদনশীলতার কারণে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, ট্র্যাকারগুলো মার্কিন রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ লঙ্ঘন করে লাভবান ব্যক্তি এবং কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে মামলা গঠনে সহায়তা করতে পারে। লোকেশন ট্র্যাকার হলো একটি পুরনো তদন্তকারী হাতিয়ার যা মার্কিন আইন

প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার অধীনে থাকা পণ্য, যেমন বিমানের যন্ত্রাংশ, ট্র্যাক করার জন্য ব্যবহার করে। ২০২৪ সালের একটি ঘটনার বর্ণনায় জানা গেছে, ডেল সার্ভারের এক চালানে বড় আকারের ট্র্যাকার শিপিং বক্সে এবং ছোট আকারের ট্র্যাকার প্যাকেজিং ও সার্ভারের ভেতরে ছিল। আরেক সরবরাহকারী দাবি করেছেন, অন্যান্য চিপ বিক্রেতারা এই ট্র্যাকার সরিয়ে ফেলার ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেছেন। মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড সিকিউরিটি ব্যুরো, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশনস (এইচএসআই) এবং এফবিআই প্রায়শই এসব তদন্তে যুক্ত থাকে। তবে সংস্থাগুলো ট্র্যাকার বসানোর ইস্যুতে কোনো মন্তব্য করেনি। ডেল, এনভিডিয়া ও সুপার মাইক্রো—প্রায় কেউই এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি। ডেল শুধু জানিয়েছে, তারা এমন কোনো সরকারি উদ্যোগের বিষয়ে অবগত

নয়। ২০২২ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র এনভিডিয়া, এএমডি ও অন্যান্য নির্মাতাদের উন্নত চিপ চীনে বিক্রি সীমাবদ্ধ করেছে। চীনের সামরিক আধুনিকীকরণ ঠেকাতে এবং ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে দুর্বল করতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?