চট্টগ্রাম নৌঘাঁটিতে মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টার ‘রহস্যজনক’ পরিদর্শন: জাতীয় নিরাপত্তার স্পর্শকাতর তথ্য প্রকাশ নিয়ে প্রশ্ন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম নৌঘাঁটিতে মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টার ‘রহস্যজনক’ পরিদর্শন: জাতীয় নিরাপত্তার স্পর্শকাতর তথ্য প্রকাশ নিয়ে প্রশ্ন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ |
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অত্যন্ত স্পর্শকাতর স্থাপনা ও কার্যক্রমের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি এবং তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। গত ২৭ জানুয়ারি মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি নিরাপত্তা প্রশাসনের (DTSA) জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা উপদেষ্টা স্টিভেন ব্যারি জেমস চট্টগ্রাম নৌ-অঞ্চল এবং চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেড (সিডিডিএল) পরিদর্শন করেন। অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে আয়োজিত এই সফর ও বৈঠকে নৌবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিদেশিদের কাছে তুলে ধরা নিয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, মার্কিন এই কর্মকর্তা চট্টগ্রাম নৌ-অঞ্চলের কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল এম মইনুল হাসানের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরবর্তীতে তাকে চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেডের (সিডিডিএল) মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘুরিয়ে দেখানো হয়। সেখানে লেফটেন্যান্ট কমান্ডার

জাহিদ মহসিন কবির মার্কিন এই উপদেষ্টার সামনে সংস্থার সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, অপারেশনাল সক্ষমতা এবং চলমান ও ভবিষ্যৎ প্রকল্পগুলোর বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার এমন খুঁটিনাটি বিষয় একজন বিদেশি নিরাপত্তা উপদেষ্টার সামনে উপস্থাপন করা কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা এই সফরের বিষয়ে অনেকটা ‘লুকোছাপা’ ভাব বজায় রেখেছেন এবং গণমাধ্যমের কাছে কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশে অনীহা দেখিয়েছেন। এই নীরবতাই সন্দেহের দানা বাঁধিয়েছে যে, মার্কিন এই সফরের পেছনে অন্য কোনো ভূ-রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে কিনা। ডিটিএসএ (DTSA) মূলত যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং তাদের সামরিক প্রযুক্তির আধিপত্য বজায় রাখতে কাজ করে। সংস্থাটির মূল লক্ষ্য হলো—মার্কিন প্রযুক্তি যাতে তাদের ‘কৌশলগত

প্রতিদ্বন্দ্বীদের’ হাতে না যায় এবং মিত্র দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ সংরক্ষিত থাকে। অর্থাৎ, এই সফরের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র মূলত যাচাই করতে চাইছে যে, বাংলাদেশ তাদের শর্ত মেনে স্পর্শকাতর তথ্য বা সরঞ্জাম সুরক্ষায় কতটা সক্ষম। নিরাপত্তা সূত্রগুলো বলছে, স্টিভেন ব্যারি জেমসের এই সফর সাধারণ কোনো দ্বিপাক্ষিক বৈঠক নয়। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি একজন নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞ হিসেবে বাংলাদেশের সামরিক সক্ষমতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাগুলো খতিয়ে দেখতে এসেছেন। মার্কিন অস্ত্র বা প্রযুক্তি বিক্রির নামে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা বা নজরদারি বাড়ানোই এর মূল লক্ষ্য হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ডিটিএসএ-এর কাজ হলো মার্কিন স্বার্থ দেখা। তারা বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর ভবিষ্যৎ

প্রকল্প এবং সক্ষমতার তথ্য জেনে তা নিজেদের কৌশলগত প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারে। বন্ধুত্বের আড়ালে দেশের প্রতিরক্ষা খাতের এমন স্পর্শকাতর তথ্য বিদেশি শক্তির হাতে তুলে দেওয়া জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বিচ্ছেদের পর অভিনেত্রী বললেন, আর বিয়ে করতে চাই না রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮ সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কাঁচপুরে জলাবদ্ধতা নিরসনে হাজার কোটি টাকা ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন পশ্চিমবঙ্গে শিশুকে ধর্ষণ-হত্যা: পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত মূল অভিযুক্ত অর্থপাচার মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা পাকিস্তানে ৫ আরোহীসহ নিখোঁজ কার্গো বিমান ‘নাই বাওয়া, হামার কিচ্ছু নাই, ঘর-বাড়ি সব হারাচি’ ‘এত বিভীষিকাময় পরিস্থিতি হবে ভাবিনি, কক্সবাজারের আনন্দটাই মাটি’ আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে সেরা ১০ গ্রাজুয়েটের তালিকায় ৭ জনই বাংলাদেশি ফিফার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি ফিফার কাছে অভিযোগ করল মিশর পেনাল্টি মিস করার পর যা ভেবেছিলেন মেসি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু পাঁচ ক্রুসহ পাকিস্তানের মালবাহী উড়োজাহাজ নিখোঁজ ডেঙ্গুতে একদিনে ৩ জনের মৃত্যু হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু মহিলা লীগ নেত্রী ফরিদা গ্রেফতার ১৩ বছর পর পিতৃত্বের স্বীকৃতি পেল ধর্ষণে জন্ম নেওয়া শিশু ‘খালেদা জিয়া ১ টাকা রেখে পুরো বেতন এতিমখানায় দান করে দিতেন’, জানালেন প্রেস সচিব