চট্টগ্রামে ‘দেখামাত্র গুলি’র নির্দেশ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার উদ্বেগ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৫ নভেম্বর, ২০২৫
     ৭:৫৭ পূর্বাহ্ণ

আরও খবর

সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের বিরুদ্ধে আয়কর ফাঁকি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ

জুলাই বিক্ষোভে নির্মমভাবে পুলিশ হত্যা: দাবি আদায়ের নামে রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে পঙ্গু করার জঙ্গি পরিকল্পনা?

গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে সরলো জামায়াতপন্থী লে. জেনারেলসহ শীর্ষ ৬ কর্মকর্তা

গণভোটে অতিরিক্ত দেখানো ৯ লাখ ‘হ্যাঁ’ ভোট বাদ দিল নির্বাচন কমিশন

পুলিশে শিগগিরই বিশাল নিয়োগ: ১০ হাজার কনস্টেবল, শূন্যপদে ১৮০ সার্জেন্ট

অনলাইন পোর্টাল ও আইপি টিভি নীতিমালার আওতায় আনা হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

২১শে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী দলকে বাধা এবং রাজাকারের নামে স্লোগান ইতিহাসকে বদলে দেবার চক্রান্ত!

চট্টগ্রামে ‘দেখামাত্র গুলি’র নির্দেশ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার উদ্বেগ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৫ নভেম্বর, ২০২৫ | ৭:৫৭ 53 ভিউ
একসময়ের শান্তিপূর্ণ বন্দরনগরী চট্টগ্রাম এখন তীব্র উত্তেজনা ও আতঙ্কে নিমজ্জিত। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনারের এক মৌখিক নির্দেশের পর নগরীর সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ছড়িয়ে পড়েছে। সশস্ত্র সন্ত্রাসী দেখামাত্র সাবমেশিন গান দিয়ে সরাসরি গুলি করার নির্দেশ দেওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এটিকে নিছক প্রশাসনিক নির্দেশ হিসেবে না দেখে, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অনুমোদন হিসেবেই দেখছেন অনেকে। গত ১১ নভেম্বর, দুপুর ১২টার দিকে সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ ওয়্যারলেসের মাধ্যমে টহল দল এবং থানা পুলিশকে এক মৌখিক নির্দেশনা দেন। এতে তিনি শটগান ও চাইনিজ রাইফেলের পরিবর্তে সব টহল দলকে সাবমেশিন গান বহন করার কথা বলেন। সশস্ত্র অপরাধীদের দেখামাত্র গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়ে তিনি এর সম্পূর্ণ

দায়ভার নিজে নেবেন বলেও ঘোষণা দেন। এই ঘোষণার পর থেকে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যারা সন্তানদের স্কুলে পাঠান, বাজারে যান কিংবা অফিসের করেন, তাদের কাছে পুলিশ ছিল নিরাপত্তার প্রতীক। কিন্তু সেই পুলিশই এখন রাস্তায় সম্ভাব্য সহিংসতার নির্দেশে সজ্জিত, যা নগরীর প্রতিটি অলিগলিতে ভয় ছড়িয়ে দিয়েছে। এই আদেশের প্রেক্ষাপট হিসেবে গত ৫ নভেম্বর বায়েজিদ বোস্তামী থানার খন্দকারাবাদ এলাকায় একটি রাজনৈতিক জনসংযোগ অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে একজনকে হত্যার ঘটনাকে উল্লেখ করা হচ্ছে। যদিও কর্তৃপক্ষ কমিশনারের এই নির্দেশকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করছে, মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যদি নির্বিচারে গুলি চালানো শুরু করে, তবে

কেবল সন্দেহভাজন অপরাধীই নয়, নিরীহ বেসামরিক মানুষও মারাত্মক বিপদের মুখে পড়বে। বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলছেন, এই আদেশ মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়াকে পাশ কাটিয়ে যায় এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পরিস্থিতি তৈরি করে। একবার এই ধরনের নীতি বাস্তবায়িত হলে, নিরীহ মানুষ যে এর শিকার হবে না, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। যে শহরে মানুষ এখন রাস্তায় নিরাপদে হাঁটতে ভয় পাচ্ছে, সেখানে সন্ত্রাসীদের আস্তানা দমনের নামে গৃহীত পদক্ষেপ আইন ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থাকে আরও ক্ষয় করছে। কমিশনার এই নির্দেশকে নিরাপত্তা বাড়ানোর উপায় বললেও, এর প্রভাব সাধারণ মানুষের জীবনের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকার নীতিমালার পরিপন্থী হতে পারে। চট্টগ্রামের প্রতিটি

রাস্তায় এখন ভয় ও অস্বস্তির ছাপ। আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের যদি নাগরিকদের জীবন কেড়ে নেওয়ার অবাধ ক্ষমতা দেওয়া হয়, তবে জনগণ আতঙ্কে বাস করবে এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও কমবে। নিরাপত্তা রক্ষা এবং মানবাধিকার সুরক্ষার মধ্যে ভারসাম্যহীনতা শহরটিকে অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। স্থানীয় মানবাধিকার কর্মীরা ইতোমধ্যে সিএমপি কমিশনারকে তার এই নির্দেশের জন্য জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। এদিকে, কানাডাভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ‘গ্লোবাল অ্যালায়েন্স এগেইনস্ট অ্যাট্রোসিটি অ্যান্ড ভায়োলেন্স অন হিউম্যানিটি’ (GA3VH) এই নির্দেশে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি অবিলম্বে এই ‘দেখামাত্র গুলি’র নীতি পর্যালোচনা করার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। GA3VH জোর দিয়ে বলেছে, অপরাধ দমনের যেকোনো পদক্ষেপ অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন মেনে

চলতে হবে এবং নিরীহ নাগরিকদের জীবন বিপন্ন করা যাবে না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
দাসত্বের দালালেরা ২০০১ এ যেভাবে সফল হয়েছিল, একইভাবে এবারও সফল অতীতে মামলা-হামলার ঝুঁকির কারনে গুপ্ত রাখা নারী সদস্যদের নাম প্রকাশ করলো জামায়াতে ইসলামী! সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের বিরুদ্ধে আয়কর ফাঁকি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ বুয়েটসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নামাজ, ইফতার কর্মসূচির আড়ালে ছাত্রদের আবার সংগঠিত করার ষড়যন্ত্র! ব্রাজিলে বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ২০ জন নিহত জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিল ভারত, সেমিফাইনাল নিশ্চিত দক্ষিণ আফ্রিকার জুলাই বিক্ষোভে নির্মমভাবে পুলিশ হত্যা: দাবি আদায়ের নামে রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে পঙ্গু করার জঙ্গি পরিকল্পনা? টঙ্গীতে ১৮ মাস পর আওয়ামী লীগের অফিসে দলীয় ব্যানার, জাতীয় পতাকা উত্তোলন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে সরলো জামায়াতপন্থী লে. জেনারেলসহ শীর্ষ ৬ কর্মকর্তা গণভোটে অতিরিক্ত দেখানো ৯ লাখ ‘হ্যাঁ’ ভোট বাদ দিল নির্বাচন কমিশন পুলিশে শিগগিরই বিশাল নিয়োগ: ১০ হাজার কনস্টেবল, শূন্যপদে ১৮০ সার্জেন্ট ছাত্রলীগ কর্মীর বাড়িতে গিয়ে হুমকি: জনতার রোষে পড়া শিবির নেতাকে পুলিশের উদ্ধার জিম্বাবুয়েকে বিদায় করে সেমির স্বপ্ন জাগাল ভারত কুষ্টিয়ায় এখন আমিই ওপরওয়ালা : আমির হামজা অনলাইন পোর্টাল ও আইপি টিভি নীতিমালার আওতায় আনা হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ২১শে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী দলকে বাধা এবং রাজাকারের নামে স্লোগান ইতিহাসকে বদলে দেবার চক্রান্ত! একুশ মানে দৃঢ় সংকল্প। একুশ মানে অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করা ৪৫ হাজার কোটির গর্ত খুঁড়ে গেছে ইউনুস, ভরাট করবে কে? চীনা বিমানবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ায় মার্কিন যুদ্ধবিমানের সাবেক পাইলট গ্রেপ্তার মোঃ সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগে আইনি নোটিশ