ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সুন্দরবনের দস্যু তৎপরতা দমনে যৌথ অভিযান শুরু
ধর্ষণের শিকার ৭ বছরের শিশু ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি, বাড়িওয়ালা পলাতক
ফুটপাত দখল ও চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুবদল-ছাত্রদল সংঘর্ষ
মা-ভাইসহ আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর প্রিয়া গ্রেফতার
২৩ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ, পাম্প মালিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা
শরীয়তপুরে ককটেল ফাটিয়ে ৫০ ঘর ভাংচুর, আটক ১০
লক্ষ্মীপুরে জমি নিয়ে বিরোধে স্বজনদের হামলায় প্রাণ গেল একজনের
চট্টগ্রামের আন্ডারওয়ার্ল্ড সক্রিয় দুই প্রজন্মের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের তালিকা এবং ইতিহাস: শেষ পর্ব
পরিদর্শনের পর হোসাইন কবির ভূঁইয়া বলেন, সন্ত্রাসীরা একটি প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেল নিয়ে এসেছিল। গাড়ি দূরে রেখে পায়ে হেঁটে বাড়ির কাছে গিয়ে গুলি করে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই ঘটনাস্থল ছেড়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, চাঁদার জন্য বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদ তার লোকজন দিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অস্ত্রধারীদের মুখে মুখোশ থাকায় তাদের সহজে চিহ্নিত করা যাচ্ছে না। তবে সাজ্জাদের সহযোগী আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী মো. রায়হান ও বোরহান এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে। তাদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।
পুলিশের দাবি পলাতক, বিএনপির প্রচারণার মঞ্চে সক্রিয় ৮ খুনের আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হান
উল্লেখ্য, সন্ত্রাসী রায়হানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অভিযান চালানোর
কথা বলা হলেও তাকে খুঁজে পাচ্ছেনা পুলিশ। যদিও সম্প্রতি নির্বাচনের পূর্বে রাউজানে বিএনপির প্রার্থীর সমাবেশে তাকে প্রকাশ্যেই দেখা গেছে। তবুও তাকে গ্রেপ্তারের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি। প্রসঙ্গত, স্মার্ট গ্রুপ একটি বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী। ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমানের ছোট ভাই আওয়ামী লীগ নেতা মুজিবুর রহমান ২০২৪ সালের নির্বাচনে চট্টগ্রামের বাঁশখালী থেকে স্বতন্ত্র হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। গত ২রা জানুয়ারিও তাদের বাড়িটিতে গুলি করার ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছিল পুলিশ। তবে ঘটনার পর কোনো মামলা করা হয়নি। চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের কয়েকজন বায়েজিদ বোস্তামী থানার চালিয়াতলী এলাকার আব্দুল গণি কন্ট্রাক্টরের ছেলে সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদ। আলোচনায় আসেন নব্বইয়ের দশকের শুরুতেই। শিবির ক্যাডার হিসেবে পরিচিত সাজ্জাদের
বিরুদ্ধে খুনসহ রয়েছে এক ডজন মামলা। যদিও শিবির নাছিরের মতো ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে একাধিক বিবৃতিতে দাবি করা হয়, সাজ্জাদও শিবিরের কেউ নয়। বহর্দ্দারহাটের এইট মার্ডারের দৃশ্য শিবির নাছির গ্রেপ্তারের পর বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ নেন আরেক শিবির ক্যাডার গিট্টু নাছির। তার নির্দেশে ১৯৯৯ সালের ২রা জুন পাঁচলাইশ ওয়ার্ড কাউন্সিলর লিয়াকত আলী খানকে বাড়ির সামনে খুন করে ত্রাস হিসেবে আবির্ভূত হন বড় সাজ্জাদ। মূলত এইট মার্ডারের ঘটনাটি আন্ডারওয়ার্ল্ডে তার ইমেজ বাড়িয়ে দেয়। সাক্ষীর অভাবে ওই মামলা থেকে খালাস পান তিনি। ২০০০ সালের ১২ই জুলাই নগরের বহদ্দারহাটে দিনেদুপুরে ব্রাশফায়ারে মাইক্রোবাসে থাকা ৬ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ ৮ জনকে হত্যা করা হয় সাজ্জাদের নেতৃত্বে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৮ সালের
২৭শে মার্চ দেওয়া মামলার রায়ে বড় সাজ্জাদসহ চার জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। হাবিব খানসহ তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
কথা বলা হলেও তাকে খুঁজে পাচ্ছেনা পুলিশ। যদিও সম্প্রতি নির্বাচনের পূর্বে রাউজানে বিএনপির প্রার্থীর সমাবেশে তাকে প্রকাশ্যেই দেখা গেছে। তবুও তাকে গ্রেপ্তারের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি। প্রসঙ্গত, স্মার্ট গ্রুপ একটি বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী। ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমানের ছোট ভাই আওয়ামী লীগ নেতা মুজিবুর রহমান ২০২৪ সালের নির্বাচনে চট্টগ্রামের বাঁশখালী থেকে স্বতন্ত্র হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। গত ২রা জানুয়ারিও তাদের বাড়িটিতে গুলি করার ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছিল পুলিশ। তবে ঘটনার পর কোনো মামলা করা হয়নি। চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের কয়েকজন বায়েজিদ বোস্তামী থানার চালিয়াতলী এলাকার আব্দুল গণি কন্ট্রাক্টরের ছেলে সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদ। আলোচনায় আসেন নব্বইয়ের দশকের শুরুতেই। শিবির ক্যাডার হিসেবে পরিচিত সাজ্জাদের
বিরুদ্ধে খুনসহ রয়েছে এক ডজন মামলা। যদিও শিবির নাছিরের মতো ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে একাধিক বিবৃতিতে দাবি করা হয়, সাজ্জাদও শিবিরের কেউ নয়। বহর্দ্দারহাটের এইট মার্ডারের দৃশ্য শিবির নাছির গ্রেপ্তারের পর বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ নেন আরেক শিবির ক্যাডার গিট্টু নাছির। তার নির্দেশে ১৯৯৯ সালের ২রা জুন পাঁচলাইশ ওয়ার্ড কাউন্সিলর লিয়াকত আলী খানকে বাড়ির সামনে খুন করে ত্রাস হিসেবে আবির্ভূত হন বড় সাজ্জাদ। মূলত এইট মার্ডারের ঘটনাটি আন্ডারওয়ার্ল্ডে তার ইমেজ বাড়িয়ে দেয়। সাক্ষীর অভাবে ওই মামলা থেকে খালাস পান তিনি। ২০০০ সালের ১২ই জুলাই নগরের বহদ্দারহাটে দিনেদুপুরে ব্রাশফায়ারে মাইক্রোবাসে থাকা ৬ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ ৮ জনকে হত্যা করা হয় সাজ্জাদের নেতৃত্বে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৮ সালের
২৭শে মার্চ দেওয়া মামলার রায়ে বড় সাজ্জাদসহ চার জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। হাবিব খানসহ তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।



