ঘরে ফেরার আশায় জিনিসপত্র গুছিয়ে নিচ্ছেন বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫

ঘরে ফেরার আশায় জিনিসপত্র গুছিয়ে নিচ্ছেন বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫ |
গাজায় হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে আজ রোববার স্থানীয় সময় ৮টা ৩০ মিনিটে শুরু হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত যুদ্ধবিরতি। আলজাজিরা জানিয়েছে, উত্তর গাজার বিভিন্ন এলাকা থেকে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা ঘরে ফেরার আশায় তাদের সামান্য জিনিসপত্র গুছিয়ে নিচ্ছেন। গাজার উত্তরের একটি এলাকা থেকে বাস্তুচ্যুত হওয়া সওয়াদ ওয়ারশাগা জানান, ‘আমি অত্যন্ত খুশি। আমরা আমাদের এলাকায় ও পাড়ায় ফিরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরা আমাদের বাড়ি ও আশেপাশের পরিবেশকে ভীষণ মিস করেছি’। তিনি আরও বলেন, ‘আমি অপেক্ষা করতে পারছি না। আগামীকাল (আজ) যখন যুদ্ধবিরতি চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে, আমি প্রথম দিকের লোকদের মধ্যে থাকতে চাই যারা এখানে থেকে আমাদের ঘরে ফিরে যাবে’। আরেকজন বাস্তুচ্যুত নারী লতিফা কাশকাশও একই

উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি খুশি, কারণ আমি আমার এলাকা ও মূল স্থানে ফিরে যাবো। তবে কাশকাশের উদ্বেগও রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি ভীতও বটে, কারণ আমি ইসরাইলিদের বিশ্বাস করতে পারি না। আমি দুঃখিতও, আমাদের প্রিয়জন ও সম্পদের ক্ষতির জন্য। আমরা এখানে একটি তাঁবু রেখে যাবো, আর সেখানে গিয়ে একটি তাঁবুতে থাকবো’। গাজা শহরে যুদ্ধবিরতির প্রস্তুতির মধ্যে সাধারণ মানুষের ঘরে ফেরার প্রত্যাশা যেমন রয়েছে, তেমনি তাদের মনে শঙ্কাও বিরাজ করছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে তারা পুনরায় নিজেদের এলাকায় ফিরে গিয়ে নতুন করে জীবন শুরু করার স্বপ্ন দেখছেন। এদিকে ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ (পিআইজে) হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার প্রাক্কালে গাজার ওপর ইসরাইলি

হামলা অব্যাহত থাকলে তারা আটক জিম্মিদের হত্যা করতে পারে। পিআইজের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু হামজা বলেছেন, যদি যুদ্ধবিরতি কার্যকরের কয়েক ঘণ্টা আগে ইসরাইলি সেনাবাহিনী তাদের হামলা আরও বাড়ায়, তবে এটি তাদের শিশুদের মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
১৩ লাখ টাকা দিলে পরীক্ষা ও পাস করা ছাড়াই জাতীয় জাদুঘরে চাকরির নিশ্চয়তা! খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ থেকে এখন বিশ্বের তীব্র খাদ্য সংকটের শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ টিটিপির নিশানায় বাংলাদেশ: সারাদেশে ‘রেড অ্যালার্ট সংসদসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর সম্ভাব্য সমন্বিত হামলার সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ ফ্লোরিডায় দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ড: জামিল লিমনের লাশ উদ্ধার, নাহিদা বৃষ্টির মৃত্যু নিশ্চিত বহুমুখী সংকটে শিল্পখাত, টিকে থাকার লড়াইয়ে ধুঁকছে সিমেন্টসহ উৎপাদন খাত ইউএন টর্চার এক্সপার্ট এখনো জুলাই’২০২৪-এ আটকেঃ অ্যালিস এডওয়ার্ডস অ্যাকটিভিস্টদের মতামত প্রকাশে বাধা দিলেন ইসলামাবাদে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার: ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সফর খুলনায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ২ চকরিয়ায় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বন ও নদীখেকোদের মহোৎসব: অসহায় বনবিভাগ নড়াইলে প্রাচীর তুলে ২৫ হিন্দু পরিবারের রাস্তা অবরুদ্ধ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে উত্তেজনা: টিটিপির সঙ্গে যোগসূত্রের অভিযোগে একাধিক কর্মী আটক, অনেকে পালিয়েছে বিদেশে উগ্রবাদী হামলার শঙ্কা: সতর্কবার্তার বিষয়টি স্বীকার করল সিটিটিসি গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর অনস্ক্রিন চুম্বন দৃশ্য, ৩০ বছরের ‘কিসিং নীতি’ ভাঙা নিয়ে মুখ খুললেন কাজল গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা, নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ পুলিশ সদরের যুদ্ধবিরতি বাড়লেও থামেনি হিজবুল্লাহ-ইসরায়েলের পাল্টাপাল্টি হামলা যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার কে এই হিশাম ম্যালেরিয়ার জীবাণুতে জিনগত পরিবর্তন চালের দামের ওপর বাড়তি ভাড়ার প্রভাব