ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এক হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক জুলাইযোদ্ধাকে গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ, করতেন মাদকবিরোধী সংগঠনও
সাভারে শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
ব্যবসায়ী থেকে চাঁদার টাকা আনতে যাওয়া বিএনপির ২ নেতাকে গণপিটুনি, মুচলেকায় মুক্তি
খুবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে কুপ্রস্তাবের অভিযোগ
চিকিৎসক ধীপ্রার মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী-শ্বশুরসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা
গভীর রাতে পরস্ত্রীর বিছানা থেকে হাতেনাতে আটক মসজিদের ইমাম, অতঃপর…
ত্রাণের টাকা লোপাট করলেন জামায়াত এমপির এপিএস-স্বজন ও দলের নেতাকর্মীরা মিলে
ঘরে ঢুকে মুক্তিযোদ্ধা দম্পতিকে গলা কেটে হত্যা
রংপুরের তারাগঞ্জে নিজ বাড়িতে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বীর মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় (৭০) ও তার স্ত্রী সুবনা রায়কে (৬৫)। মর্মান্তিক এই হত্যাকাণ্ড ঘটে শনিবার (৬ ডিসেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার কুশা ইউনিয়নের রহিমাপুর চাকলা গ্রামে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে।
তারাগঞ্জ থানার এসআই ছাইয়ুম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, রোববার সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গলাকাটা অবস্থায় দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করে। ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোনাববর হোসেনও।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যোগেশ চন্দ্র রায় ছিলেন রহিমাপুর বীর মুক্তিযোদ্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক। দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতেই
বসবাস করতেন তিনি। তাদের দুই ছেলে-সুবেন চন্দ্র রায় জয়পুরহাটে এএসআই পদে কর্মরত এবং ছোট ছেলে রাজেশ খান্না রায় ঢাকায় পুলিশ সদস্য। রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সকালে প্রতিদিনের মতো বাড়িতে কাজ করতে আসেন তাদের দীর্ঘদিনের কাজের লোক দিপক রায়। গেটের সামনে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে সন্দেহ হয় তার। পরে গ্রামের কয়েকজনকে নিয়ে মই দিয়ে বাড়ির ভেতর ঢুকে দেখেন-দু’জনেরই গলাকাটা নিথর দেহ মেঝেতে পড়ে আছে। খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ এসে বাড়িটি ঘিরে ফেলে এবং প্রাথমিকভাবে ধারণা করে-রাতে কোনো একসময় দুষ্কৃতকারীরা ঘরে প্রবেশ করে দম্পতিকে হত্যা করে পালিয়েছে। তবে কি কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে—তা এখনো স্পষ্ট নয়। মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের
মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ বলছে, ঘটনার পেছনে কারা জড়িত তা খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে পারিবারিক, ব্যক্তিগত ও জমিসংক্রান্ত কোনো বিরোধ আছে কি না-তা যাচাই করা হচ্ছে। গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা বলছেন, শান্ত স্বভাবের এই দম্পতির কোনো শত্রু ছিল না। তাই এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডে সবাই হতবাক। পুলিশ আশ্বস্ত করেছে-দ্রুতই এ ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হবে।
বসবাস করতেন তিনি। তাদের দুই ছেলে-সুবেন চন্দ্র রায় জয়পুরহাটে এএসআই পদে কর্মরত এবং ছোট ছেলে রাজেশ খান্না রায় ঢাকায় পুলিশ সদস্য। রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সকালে প্রতিদিনের মতো বাড়িতে কাজ করতে আসেন তাদের দীর্ঘদিনের কাজের লোক দিপক রায়। গেটের সামনে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে সন্দেহ হয় তার। পরে গ্রামের কয়েকজনকে নিয়ে মই দিয়ে বাড়ির ভেতর ঢুকে দেখেন-দু’জনেরই গলাকাটা নিথর দেহ মেঝেতে পড়ে আছে। খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ এসে বাড়িটি ঘিরে ফেলে এবং প্রাথমিকভাবে ধারণা করে-রাতে কোনো একসময় দুষ্কৃতকারীরা ঘরে প্রবেশ করে দম্পতিকে হত্যা করে পালিয়েছে। তবে কি কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে—তা এখনো স্পষ্ট নয়। মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের
মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ বলছে, ঘটনার পেছনে কারা জড়িত তা খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে পারিবারিক, ব্যক্তিগত ও জমিসংক্রান্ত কোনো বিরোধ আছে কি না-তা যাচাই করা হচ্ছে। গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা বলছেন, শান্ত স্বভাবের এই দম্পতির কোনো শত্রু ছিল না। তাই এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডে সবাই হতবাক। পুলিশ আশ্বস্ত করেছে-দ্রুতই এ ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হবে।



