ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কাঁচপুরে
অর্থপাচার মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা
‘নাই বাওয়া, হামার কিচ্ছু নাই, ঘর-বাড়ি সব হারাচি’
‘খালেদা জিয়া ১ টাকা রেখে পুরো বেতন এতিমখানায় দান করে দিতেন’, জানালেন প্রেস সচিব
আগস্টেই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ যুক্ত হবে জাতীয় গ্রিডে, জানালেন মন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী: দায়িত্বে পেয়েও পরিকল্পনার অনেক কিছুই বাস্তবায়ন করতে পারেননি আসিফ নজরুল
গ্যাস সংকটের নেপথ্যে ড: ইউনূস ও পিটার হাসের কোম্পানির ষড়যন্ত্র
বাংলাদেশে চলমান গ্যাস সংকট কেবল সরবরাহ বা প্রাকৃতিক ঘাটতির কারণে হয়নিএর পেছনে আছে সুক্ষ্ম কৌশলগত পরিকল্পনা। পিটার হাসের কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে ইউনূসের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং সরকারের স্বচ্ছতার অভাব এই সংকটকে আরও গভীর করেছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পিটার হাস আবার বাংলাদেশে ফিরে কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত এফএসআরইউতে ইউনূসের পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসেন। ওই আলোচনার পর আগামী ১৫ বছরের জন্য বাংলাদেশে ১ লাখ কোটি টাকার এলএনজি সরবরাহের চুক্তি সম্পন্ন হয়। ২০২৬ সাল থেকে পিটার হাসের কোম্পানি থেকে এলএনজি ক্রয় শুরু হবে বলে জানা গেছে।
তবে সংকটের নেপথ্য কৌশল শুরু হয়েছে এর আগেই। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে চট্টগ্রাম বন্দরের বহিনোঙ্গোরে দুটি জাহাজ
সৌরভ ও জ্যোতি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর ১৩ অক্টোবর বঙ্গোপসাগরের কুতুবদিয়া অঞ্চলে মাদার ভ্যাসেল এমভি নিকোলাস এবং বাংলাদেশি লাইটার জাহাজ সোফিয়া আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নৌবাহিনী দুই দিন সময় নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এছাড়া, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার বুড়িগঙ্গা এলাকায় তিতাসের পাইপলাইন ফেটে যাওয়ার ঘটনা ব্যবহার করে সরকারি ও বেসরকারি সূত্রে গ্যাস সংকট তৈরি করা হয়েছে। একদিকে পাইপলাইন ফেটে যায়, অন্যদিকে সিলিন্ডার গ্যাসের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। সংকটের শুরুতে অনেক ভুক্তভোগী ৫,০০০ টাকা দিয়ে সিলিন্ডার কিনেছেন, বর্তমানে ১২০০ টাকার সিলিন্ডারের দাম ২,২০০–২,৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে না। সচেতন মহলের মতে, এই সব ঘটনা মোটেও কাকতালীয় নয়। বর্তমান অবৈধ সরকারই ২০২৬ সাল থেকে পিটার
হাসের কোম্পানি থেকে এলএনজি কিনবে। তাই গ্যাসের কৃত্রিম সংকট এবং দাম বৃদ্ধির উদ্দেশ্য স্পষ্ট—চাহিদা অনুযায়ী কোম্পানিকে উচ্চ দাম দিতে বাধ্য করা। আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকেও পিটার হাসের কোম্পানিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এই প্রেক্ষাপটে দেখা যাচ্ছে, গ্যাস সংকট কেবল অভ্যন্তরীণ সরবরাহ বা অব্যবস্থাপনার ফল নয়। এটি একটি সুক্ষ্ম কৌশল—অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সুবিধা অর্জনের জন্য তৈরি করা কৃত্রিম সংকট। সঠিক তদন্ত ও স্বচ্ছ নীতি ছাড়া দেশীয় জনগণ দীর্ঘমেয়াদে এ ধরনের সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সৌরভ ও জ্যোতি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর ১৩ অক্টোবর বঙ্গোপসাগরের কুতুবদিয়া অঞ্চলে মাদার ভ্যাসেল এমভি নিকোলাস এবং বাংলাদেশি লাইটার জাহাজ সোফিয়া আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নৌবাহিনী দুই দিন সময় নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এছাড়া, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার বুড়িগঙ্গা এলাকায় তিতাসের পাইপলাইন ফেটে যাওয়ার ঘটনা ব্যবহার করে সরকারি ও বেসরকারি সূত্রে গ্যাস সংকট তৈরি করা হয়েছে। একদিকে পাইপলাইন ফেটে যায়, অন্যদিকে সিলিন্ডার গ্যাসের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। সংকটের শুরুতে অনেক ভুক্তভোগী ৫,০০০ টাকা দিয়ে সিলিন্ডার কিনেছেন, বর্তমানে ১২০০ টাকার সিলিন্ডারের দাম ২,২০০–২,৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে না। সচেতন মহলের মতে, এই সব ঘটনা মোটেও কাকতালীয় নয়। বর্তমান অবৈধ সরকারই ২০২৬ সাল থেকে পিটার
হাসের কোম্পানি থেকে এলএনজি কিনবে। তাই গ্যাসের কৃত্রিম সংকট এবং দাম বৃদ্ধির উদ্দেশ্য স্পষ্ট—চাহিদা অনুযায়ী কোম্পানিকে উচ্চ দাম দিতে বাধ্য করা। আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকেও পিটার হাসের কোম্পানিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এই প্রেক্ষাপটে দেখা যাচ্ছে, গ্যাস সংকট কেবল অভ্যন্তরীণ সরবরাহ বা অব্যবস্থাপনার ফল নয়। এটি একটি সুক্ষ্ম কৌশল—অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সুবিধা অর্জনের জন্য তৈরি করা কৃত্রিম সংকট। সঠিক তদন্ত ও স্বচ্ছ নীতি ছাড়া দেশীয় জনগণ দীর্ঘমেয়াদে এ ধরনের সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।



