ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে জাহাজ ভাড়া ও লজিস্টিক ব্যয় ঊর্ধ্বমুখী, সংকটে বৈদেশিক বাণিজ্য
নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
পহেলা বৈশাখের আগে দাম বাড়ল ইলিশের, পিছিয়ে নেই মুরগীও
বিশ্ববাজারে স্বর্ণ-রুপার দামে বড় পতন
লাখপতিদের সঞ্চয় বাড়ছে কমছে কোটিপতিদের
বিশ্ববাজারে হঠাৎ স্বর্ণ-রুপার দামে বড় পতন
দেশে আড়াই লাখ টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে: জ্বালানি বিভাগ
গার্মেন্টস ও রেমিট্যান্সে সম্ভাব্য ধাক্কার আশঙ্কা
বিশ্বব্যাপী সম্ভাব্য অর্থনৈতিক মন্দা ও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্থনীতি বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে দেশের প্রধান দুই বৈদেশিক আয়ের উৎস পোশাক রপ্তানি ও প্রবাসী আয় একসঙ্গে চাপে পড়লে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈশ্বিক মন্দার প্রভাবে উন্নত দেশগুলোতে ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেলে প্রথমেই অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমে যায়। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে তৈরি পোশাক খাতে। ২০০৬ থেকে ২০০৯ সালের বৈশ্বিক মন্দার সময়ও একই চিত্র দেখা গিয়েছিল, যখন পোশাক রপ্তানিতে উল্লেখযোগ্য ধস নামে।
বর্তমান পরিস্থিতিতেও তেলের দাম বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতার কারণে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে। ফলে আন্তর্জাতিক
বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখা কঠিন হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের জন্য। এতে করে অনেক গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা ব্যাপক কর্মসংস্থান সংকট সৃষ্টি করতে পারে। অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা বাংলাদেশের প্রবাসী শ্রমিকদের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। দেশটির বিপুলসংখ্যক শ্রমিক ওই অঞ্চলে কর্মরত থাকায়, সেখানে সংকট তৈরি হলে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও চাপে পড়তে পারে। এমন প্রেক্ষাপটে সরকারের অগ্রাধিকার নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সমালোচকরা। তাদের অভিযোগ, অর্থনীতির এই গুরুত্বপূর্ণ সংকটময় সময়ে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণের বদলে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক ইস্যুতে বিতর্ক বাড়ানো হচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। সমালোচকদের মতে, অর্থনীতি যখন চাপে রয়েছে, তখন
প্রয়োজন ছিল দ্রুত কার্যকর নীতিমালা গ্রহণ, রপ্তানি বাজার বহুমুখীকরণ এবং প্রবাসী আয়ের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। তবে সেই তুলনায় সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট দৃশ্যমান নয় বলেও অভিযোগ ওঠেছে। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে সামনের দিনগুলোতে অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়তে পারে।
বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখা কঠিন হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের জন্য। এতে করে অনেক গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা ব্যাপক কর্মসংস্থান সংকট সৃষ্টি করতে পারে। অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা বাংলাদেশের প্রবাসী শ্রমিকদের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। দেশটির বিপুলসংখ্যক শ্রমিক ওই অঞ্চলে কর্মরত থাকায়, সেখানে সংকট তৈরি হলে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও চাপে পড়তে পারে। এমন প্রেক্ষাপটে সরকারের অগ্রাধিকার নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সমালোচকরা। তাদের অভিযোগ, অর্থনীতির এই গুরুত্বপূর্ণ সংকটময় সময়ে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণের বদলে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক ইস্যুতে বিতর্ক বাড়ানো হচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। সমালোচকদের মতে, অর্থনীতি যখন চাপে রয়েছে, তখন
প্রয়োজন ছিল দ্রুত কার্যকর নীতিমালা গ্রহণ, রপ্তানি বাজার বহুমুখীকরণ এবং প্রবাসী আয়ের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। তবে সেই তুলনায় সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট দৃশ্যমান নয় বলেও অভিযোগ ওঠেছে। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে সামনের দিনগুলোতে অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়তে পারে।



