ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ না তুললে পাকিস্তানে ইরানের প্রতিনিধি দল যাবে না
প্রতিনিধিরা আলোচনার জন্য পাকিস্তানে যাচ্ছেন, শান্তি চুক্তি ‘হবে’ : ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ না তোলা পর্যন্ত হরমুজ বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি
শত্রুর মোকাবিলায় এক চুলও ছাড় নয়: ইরানের সেনাপ্রধান
ইরানে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল শুরু কবে থেকে, জানা গেল
হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানি রাষ্ট্রদূতকে তলব
যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করায় হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি
গাজায় অব্যাহত ইসরাইলি হামলা, নিহত আরও ৫৯
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় বোমা হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। যুদ্ধবিধ্বস্ত উপত্যকাটিতে শনিবার মধ্যরাত থেকে ইসরাইলি হামলায় কমপক্ষে আরও ৫৯ জন নিহত হয়েছেন।
চিকিৎসা সূত্রের বরাতে রোববার (১৮ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে, মধ্যরাত থেকে ইসরাইলি হামলায় কমপক্ষে ৫৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দক্ষিণ গাজার কথিত ‘নিরাপদ অঞ্চল’ আল-মাওয়াসির ৩৬ জন রয়েছেন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ৫৩ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আর আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে এক লাখ ২০ হাজার।
দীর্ঘ ১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে টানা
অভিযান চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর চাপে বাধ্য হয়ে গত ১৯ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে ইসরাইল। কিন্তু দু’মাস শেষ হওয়ার আগেই গত ১৮ মার্চ থেকে গাজায় ফের অভিযান শুরু করে দখলদার বাহিনী। দ্বিতীয় দফার এ অভিযানে গত প্রায় দুই মাসে নিহত হয়েছেন ৩ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছেন ৮ হাজারেরও বেশি। অন্যদিকে হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের মধ্যে এখনো অন্তত ৩৫ জন জীবিত রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সামরিক অভিযানের মাধ্যমে তাদের উদ্ধার করার ঘোষণা দিয়েছে ইসরাইল। যার প্রেক্ষিতে গাজায় এখন আক্রমণের তীব্রতা বাড়িয়েছে দখলদার বাহিনী। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এ পর্যন্ত বেশ কয়েকবার গাজায় সামরিক অভিযান বন্ধের
জন্য ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে আহ্বান জানিয়েছে। ইতোমধ্যে জাতিসংঘের আদালত নামে পরিচিত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলাও দায়ের করা হয়েছে। তবে নেতানিয়াহু স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, হামাসকে পুরোপুরি দুর্বল ও অকার্যকর করা এবং জিম্মিদের মুক্ত করাই এ অভিযানের লক্ষ্য। আর সে লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত গাজায় অভিযান চলবে।
অভিযান চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর চাপে বাধ্য হয়ে গত ১৯ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে ইসরাইল। কিন্তু দু’মাস শেষ হওয়ার আগেই গত ১৮ মার্চ থেকে গাজায় ফের অভিযান শুরু করে দখলদার বাহিনী। দ্বিতীয় দফার এ অভিযানে গত প্রায় দুই মাসে নিহত হয়েছেন ৩ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছেন ৮ হাজারেরও বেশি। অন্যদিকে হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের মধ্যে এখনো অন্তত ৩৫ জন জীবিত রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সামরিক অভিযানের মাধ্যমে তাদের উদ্ধার করার ঘোষণা দিয়েছে ইসরাইল। যার প্রেক্ষিতে গাজায় এখন আক্রমণের তীব্রতা বাড়িয়েছে দখলদার বাহিনী। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এ পর্যন্ত বেশ কয়েকবার গাজায় সামরিক অভিযান বন্ধের
জন্য ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে আহ্বান জানিয়েছে। ইতোমধ্যে জাতিসংঘের আদালত নামে পরিচিত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলাও দায়ের করা হয়েছে। তবে নেতানিয়াহু স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, হামাসকে পুরোপুরি দুর্বল ও অকার্যকর করা এবং জিম্মিদের মুক্ত করাই এ অভিযানের লক্ষ্য। আর সে লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত গাজায় অভিযান চলবে।



