ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গৃহকর্মী থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়ে কলিতা মাঝি পেলেন গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
গহরই হতে পারেন পিটিআইয়ের শেষ ভরসা
ইমরান খানের কারাবন্দিত্ব আর দলীয় অস্থিরতার মধ্যে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের জন্য রাজনৈতিকভাবে কিছুটা জায়গা করে দিতে পারেন শুধু একজনই—দলের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গহর আলী খান।
দলীয় সূত্রগুলো জানায়, শালীনতা ও নম্রতার জন্য পরিচিত গহর আলী রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক মহলে অনন্য সম্মান অর্জন করেছেন। তার পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, পেশাগত যোগ্যতা ও সংঘাতমুক্ত রাজনীতি তাকে এমন এক অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে, যেখানে তিনি সরকার ও সেনাসহ সব পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারেন।
একজন নেতা বলেন, সামাজিক মাধ্যমে তাকে ‘গাদ্দার’ বা বিশ্বাসঘাতক বলেও সমালোচনা করা হয়েছে, কিন্তু ইমরান খানের প্রতি তার আনুগত্য প্রশ্নাতীত।
তবে দলীয় সূত্রের দাবি—গহর আলী কেবল তখনই বড় ভূমিকা রাখতে পারবেন, যদি ইমরান
খান তাকে স্পষ্টভাবে ক্ষমতা দেন। এখনো পর্যন্ত দলীয় সব সিদ্ধান্ত ইমরান নিজেই জেল থেকে নিয়ন্ত্রণ করছেন, ফলে গহর স্বাধীনভাবে কিছু করতে পারছেন না। ২০২৩ সালে ইমরান খানের বিশ্বাস অর্জন করেই গহরকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বানানো হয়। অন্যান্য পিটিআই নেতারা যেখানে তীব্র ভাষায় বক্তব্য দেন, সেখানে গহর সবসময় মেপে কথা বলেন। এতে তিনি এমনকি সেনাবাহিনীর সঙ্গেও গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছেন। তার সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়টি স্বয়ং ইমরান খান নিশ্চিত করেছিলেন। গহর সবসময়ই সংলাপের পক্ষপাতী এবং সেনাবাহিনীবিরোধী প্রচারণার বিরোধিতা করে আসছেন। তবে তার সব কার্যক্রম নির্ভর করছে ইমরান খানের অনুমতির ওপর। তিনি নিয়মিত আদিয়ালা জেলে গিয়ে ইমরানের পরামর্শ নেন। শুধু চেয়ারম্যান গহরই নন, দলের শীর্ষ কমিটি—কোর কমিটি ও
রাজনৈতিক কমিটিও ইমরান খানের সিদ্ধান্তের বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখে না। এ কারণে সংলাপ থেকে শুরু করে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি—সব ক্ষেত্রেই গহরের সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সূত্র: জিও নিউজ
খান তাকে স্পষ্টভাবে ক্ষমতা দেন। এখনো পর্যন্ত দলীয় সব সিদ্ধান্ত ইমরান নিজেই জেল থেকে নিয়ন্ত্রণ করছেন, ফলে গহর স্বাধীনভাবে কিছু করতে পারছেন না। ২০২৩ সালে ইমরান খানের বিশ্বাস অর্জন করেই গহরকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বানানো হয়। অন্যান্য পিটিআই নেতারা যেখানে তীব্র ভাষায় বক্তব্য দেন, সেখানে গহর সবসময় মেপে কথা বলেন। এতে তিনি এমনকি সেনাবাহিনীর সঙ্গেও গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছেন। তার সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়টি স্বয়ং ইমরান খান নিশ্চিত করেছিলেন। গহর সবসময়ই সংলাপের পক্ষপাতী এবং সেনাবাহিনীবিরোধী প্রচারণার বিরোধিতা করে আসছেন। তবে তার সব কার্যক্রম নির্ভর করছে ইমরান খানের অনুমতির ওপর। তিনি নিয়মিত আদিয়ালা জেলে গিয়ে ইমরানের পরামর্শ নেন। শুধু চেয়ারম্যান গহরই নন, দলের শীর্ষ কমিটি—কোর কমিটি ও
রাজনৈতিক কমিটিও ইমরান খানের সিদ্ধান্তের বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখে না। এ কারণে সংলাপ থেকে শুরু করে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি—সব ক্ষেত্রেই গহরের সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সূত্র: জিও নিউজ



