গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
     ৪:৩৬ অপরাহ্ণ

আরও খবর

সুনামগঞ্জে ডিসির মদতে ফসলরক্ষা বাঁধের কোটি টাকার প্রকল্প হাতিয়ে নিল শিবির ক্যাডাররা

মার্কিন মদতে রাজনীতিতে শক্ত অবস্থায় জামায়াত: ইরানে হামলার পর ভোল বদলে যুক্তরাষ্ট্র-বিরোধী সমাবেশ-মিছিল

ইউনূস সরকারের ১৮ মাসে শিক্ষাঙ্গন ‘ক্ষত-বিক্ষত’: প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, ১৪ দফা দাবি উত্থাপন

ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে বিতর্কের মুখে সরলেন বনমন্ত্রী মিন্টু, নয়া দায়িত্বে মেলিতা

অতিরিক্ত মদ্যপানে মৃত্যু: পরিবারের কারসাজিতে ‘জুলাই শহীদ’, জুটল ৩০ লাখ আর মামলায় নিরীহদের হয়রানি

মার্কিন মদতে রাজনীতিতে শক্ত অবস্থায় জামায়াত: ইরানে হামলার পর ভোল বদলে যুক্তরাষ্ট্র-বিরোধী সমাবেশ-মিছিল

ঢাকায় আসছেন পল কাপুর: নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে ১৮ মাস পর গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন কর্মকর্তার সফর

গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ৪:৩৬ 33 ভিউ
বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিত্তি একাত্তরের সংবিধান। সেই সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার যে কোনো উদ্যোগ কেবল রাজনৈতিক কৌশল নয়—এটি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামোর ওপর সরাসরি আঘাত। সাম্প্রতিক তথাকথিত গণভোট উদ্যোগকে ঘিরে যে প্রক্রিয়া সামনে আনা হচ্ছে, তা ক্রমেই একটি গভীরতর সাংবিধানিক সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে। গণভোটের সাংবিধানিক ভিত্তি নেই বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধানে গণভোট আয়োজনের কোনো বিধান বিদ্যমান নেই। ১৯৭৯ সালে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের সুযোগ যুক্ত হলেও ২০১১ সালের পঞ্চদশ সংশোধনী সেই বিধান সম্পূর্ণ বাতিল করে। অর্থাৎ আজকের সাংবিধানিক বাস্তবতায় গণভোট আয়োজনের প্রশ্নই ওঠে না। তবু ‘জনমতের’ আড়ালে গণভোটের প্রভিশন তৈরির চেষ্টা—বিশ্লেষকদের মতে—আইনি শূন্যতার সুযোগ নিয়ে রাজনৈতিক বৈধতা তৈরির এক কৃত্রিম প্রচেষ্টা। অধ্যাদেশ দিয়ে

সংবিধান বদল সম্ভব নয় সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রপতিকে অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা দিলেও তা সীমাবদ্ধ—শুধু জরুরি প্রয়োজনে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে। এই ক্ষমতা ব্যবহার করে সংবিধানের কোনো অনুচ্ছেদ পরিবর্তন, বাতিল বা পুনর্বহাল করার সুযোগ নেই। সংবিধান সংশোধনের একমাত্র বৈধ পথ ১৪২ অনুচ্ছেদ—যেখানে সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন বাধ্যতামূলক। সুতরাং সংসদীয় প্রক্রিয়া এড়িয়ে অধ্যাদেশের মাধ্যমে গণভোটের পথ তৈরি করার চেষ্টা সরাসরি সাংবিধানিক কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সংসদ ভেঙে—অধ্যাদেশের বৈধতা প্রশ্নে আরও গুরুতর প্রশ্ন উঠছে সংসদ ভেঙে থাকা অবস্থায় এ ধরনের উদ্যোগ নিয়ে। সংবিধান রহিত বা স্থগিত না থাকলে তার বিধান অক্ষুণ্ণ থাকে। সেই অবস্থায় কোনো অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল বা নতুন সাংবিধানিক প্রভিশন তৈরির চেষ্টা সংবিধানের ৭(ক) অনুচ্ছেদের চেতনার পরিপন্থী—যেখানে

সংবিধান লঙ্ঘনকে চরম অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন (২০২৫) আদেশ’—আইনি না রাজনৈতিক? তথাকথিত ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন (২০২৫) আদেশ’ ঘিরে যে গণভোট প্রভিশনের কথা বলা হচ্ছে, তা আইনি কাঠামোর চেয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। তাদের মতে, এটি জনগণের মতামত যাচাইয়ের গণতান্ত্রিক উদ্যোগ নয়; বরং সাংবিধানিক সীমা অতিক্রম করে ক্ষমতার নতুন বৈধতা নির্মাণের প্রচেষ্টা। সংবিধান বনাম ব্যক্তিকেন্দ্রিক শাসনের দ্বন্দ্ব বিশ্লেষকদের আশঙ্কা—একাত্তরের সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে একটি ভিন্ন শাসন কাঠামোর ভিত্তি স্থাপনের পথ তৈরি করতেই গণভোটের নাট্য মঞ্চায়ন। এতে রাষ্ট্র পরিচালনা গণপ্রতিনিধিত্বের ধারার বাইরে সরে গিয়ে ব্যক্তি-কেন্দ্রিক ও স্বেচ্ছাচারী মডেলের দিকে ঝুঁকতে পারে—যা গণতান্ত্রিক ভারসাম্যের জন্য অশনিসংকেত। নাগরিক অবস্থান: নীরবতা না প্রতিরোধ? এই প্রেক্ষাপটে নাগরিক

সমাজের সামনে প্রশ্ন একটাই— সংবিধানবিরোধী প্রক্রিয়াকে কি গণতন্ত্রের নামে বৈধতা দেওয়া হবে, নাকি সাংবিধানিক শাসন রক্ষায় অবস্থান নেওয়া হবে? আইনজ্ঞদের ভাষ্য স্পষ্ট— সাংবিধানিক ভিত্তিহীন গণভোট কোনো গণতান্ত্রিক অনুশীলন নয়; বরং রাষ্ট্রের মৌল কাঠামো দুর্বল করার ঝুঁকিপূর্ণ দৃষ্টান্ত। সার্বিক বার্তা সংবিধানবিরোধী গণভোট মানে কেবল একটি রাজনৈতিক ইভেন্ট নয়— এটি রাষ্ট্রীয় বৈধতার প্রশ্ন। এতে অংশগ্রহণ মানে নিজের সাংবিধানিক অধিকার ও রাষ্ট্রের মৌল ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার ঝুঁকি তৈরি করা। এই গণভোট জনগণের নয়—রাষ্ট্র কাঠামো পুনর্গঠনের এক বিপজ্জনক ব্লুপ্রিন্ট—এমনটাই মনে করছেন সমালোচক ও বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির কর্মীদের বেদম পিটুনিতে জামায়াতের আমির আইসিইউতে, ভাই নিহত সুনামগঞ্জে ডিসির মদতে ফসলরক্ষা বাঁধের কোটি টাকার প্রকল্প হাতিয়ে নিল শিবির ক্যাডাররা টিকটকে পরিচয়, রাজশাহীতে প্রেমিকের খোঁজে এসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ময়মনসিংহের তরুণী মার্কিন মদতে রাজনীতিতে শক্ত অবস্থায় জামায়াত: ইরানে হামলার পর ভোল বদলে যুক্তরাষ্ট্র-বিরোধী সমাবেশ-মিছিল ইউনূস সরকারের ১৮ মাসে শিক্ষাঙ্গন ‘ক্ষত-বিক্ষত’: প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, ১৪ দফা দাবি উত্থাপন ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে বিতর্কের মুখে সরলেন বনমন্ত্রী মিন্টু, নয়া দায়িত্বে মেলিতা ২রা মার্চ: ঐতিহাসিক জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস আজ অতিরিক্ত মদ্যপানে মৃত্যু: পরিবারের কারসাজিতে ‘জুলাই শহীদ’, জুটল ৩০ লাখ আর মামলায় নিরীহদের হয়রানি মার্কিন মদতে রাজনীতিতে শক্ত অবস্থায় জামায়াত: ইরানে হামলার পর ভোল বদলে যুক্তরাষ্ট্র-বিরোধী সমাবেশ-মিছিল ঢাকায় আসছেন পল কাপুর: নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে ১৮ মাস পর গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন কর্মকর্তার সফর ওয়াশিংটন পোস্ট: ইরানে হামলায় ট্রাম্পকে প্ররোচনা দেন সৌদি যুবরাজ বিন সালমান গত ১৮ মাসের ভারত-বিদ্বেষ ও তিক্ততা পেছনে ফেলে নতুন করে সম্পর্ক নবায়নের পথে বাংলাদেশ ইউনূস সরকারের ১৮ মাসে শিক্ষাঙ্গন ‘ক্ষত-বিক্ষত’: প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, ১৪ দফা দাবি উত্থাপন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক অনিয়ম: ৯৭৩টি প্রতিষ্ঠানের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ৯০ কোটি টাকা ও ১৭৬ একর জমি ফেরতের সুপারিশ সিপিডির সংবাদ সম্মেলন: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ‘চরম বৈষম্যমূলক’, বাতিলের আহ্বান; জাপানের ইপিএ চুক্তি পুনর্বিবেচনার দাবি খামেনির হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানে ব্যাপক বিক্ষোভ: করাচির মার্কিন কনস্যুলেটে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২২, আহত ১২০+ স্যামসনের দুর্দান্ত ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সেমিফাইনাল ভারত বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা: ছোট দেশ হলেও নিপীড়িত মানুষ ও ন্যায়ের পক্ষে অটল থাকবে বাংলাদেশ দাম বাড়ল ওয়াসার পানির, কার্যকর আজ থেকে কুষ্টিয়া আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: সভাপতিসহ ৬ পদে আওয়ামীপন্থীরা জয়ী