ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মব সন্ত্রাসের মহোৎসবে জুলাই দাঙ্গার ফসল ঘরে তুলছে বাংলাদেশ
নির্বাচনী কারসাজির নয়া কায়দা : ইউনুসের পঞ্চান্ন হাজার ভুয়া পর্যবেক্ষক
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নাকি জামায়াতের ভোটব্যাংক সাজানোর খেলা?
নির্বাচনে ৯৫ শতাংশ প্রবাসী সাড়া দেননি, কারাগারে ৯৩ শতাংশ
ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক ৫ পেশাজীবী সংগঠনের
গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা
বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিত্তি একাত্তরের সংবিধান। সেই সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার যে কোনো উদ্যোগ কেবল রাজনৈতিক কৌশল নয়—এটি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামোর ওপর সরাসরি আঘাত। সাম্প্রতিক তথাকথিত গণভোট উদ্যোগকে ঘিরে যে প্রক্রিয়া সামনে আনা হচ্ছে, তা ক্রমেই একটি গভীরতর সাংবিধানিক সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
গণভোটের সাংবিধানিক ভিত্তি নেই
বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধানে গণভোট আয়োজনের কোনো বিধান বিদ্যমান নেই। ১৯৭৯ সালে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের সুযোগ যুক্ত হলেও ২০১১ সালের পঞ্চদশ সংশোধনী সেই বিধান সম্পূর্ণ বাতিল করে। অর্থাৎ আজকের সাংবিধানিক বাস্তবতায় গণভোট আয়োজনের প্রশ্নই ওঠে না।
তবু ‘জনমতের’ আড়ালে গণভোটের প্রভিশন তৈরির চেষ্টা—বিশ্লেষকদের মতে—আইনি শূন্যতার সুযোগ নিয়ে রাজনৈতিক বৈধতা তৈরির এক কৃত্রিম প্রচেষ্টা।
অধ্যাদেশ দিয়ে
সংবিধান বদল সম্ভব নয় সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রপতিকে অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা দিলেও তা সীমাবদ্ধ—শুধু জরুরি প্রয়োজনে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে। এই ক্ষমতা ব্যবহার করে সংবিধানের কোনো অনুচ্ছেদ পরিবর্তন, বাতিল বা পুনর্বহাল করার সুযোগ নেই। সংবিধান সংশোধনের একমাত্র বৈধ পথ ১৪২ অনুচ্ছেদ—যেখানে সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন বাধ্যতামূলক। সুতরাং সংসদীয় প্রক্রিয়া এড়িয়ে অধ্যাদেশের মাধ্যমে গণভোটের পথ তৈরি করার চেষ্টা সরাসরি সাংবিধানিক কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সংসদ ভেঙে—অধ্যাদেশের বৈধতা প্রশ্নে আরও গুরুতর প্রশ্ন উঠছে সংসদ ভেঙে থাকা অবস্থায় এ ধরনের উদ্যোগ নিয়ে। সংবিধান রহিত বা স্থগিত না থাকলে তার বিধান অক্ষুণ্ণ থাকে। সেই অবস্থায় কোনো অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল বা নতুন সাংবিধানিক প্রভিশন তৈরির চেষ্টা সংবিধানের ৭(ক) অনুচ্ছেদের চেতনার পরিপন্থী—যেখানে
সংবিধান লঙ্ঘনকে চরম অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন (২০২৫) আদেশ’—আইনি না রাজনৈতিক? তথাকথিত ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন (২০২৫) আদেশ’ ঘিরে যে গণভোট প্রভিশনের কথা বলা হচ্ছে, তা আইনি কাঠামোর চেয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। তাদের মতে, এটি জনগণের মতামত যাচাইয়ের গণতান্ত্রিক উদ্যোগ নয়; বরং সাংবিধানিক সীমা অতিক্রম করে ক্ষমতার নতুন বৈধতা নির্মাণের প্রচেষ্টা। সংবিধান বনাম ব্যক্তিকেন্দ্রিক শাসনের দ্বন্দ্ব বিশ্লেষকদের আশঙ্কা—একাত্তরের সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে একটি ভিন্ন শাসন কাঠামোর ভিত্তি স্থাপনের পথ তৈরি করতেই গণভোটের নাট্য মঞ্চায়ন। এতে রাষ্ট্র পরিচালনা গণপ্রতিনিধিত্বের ধারার বাইরে সরে গিয়ে ব্যক্তি-কেন্দ্রিক ও স্বেচ্ছাচারী মডেলের দিকে ঝুঁকতে পারে—যা গণতান্ত্রিক ভারসাম্যের জন্য অশনিসংকেত। নাগরিক অবস্থান: নীরবতা না প্রতিরোধ? এই প্রেক্ষাপটে নাগরিক
সমাজের সামনে প্রশ্ন একটাই— সংবিধানবিরোধী প্রক্রিয়াকে কি গণতন্ত্রের নামে বৈধতা দেওয়া হবে, নাকি সাংবিধানিক শাসন রক্ষায় অবস্থান নেওয়া হবে? আইনজ্ঞদের ভাষ্য স্পষ্ট— সাংবিধানিক ভিত্তিহীন গণভোট কোনো গণতান্ত্রিক অনুশীলন নয়; বরং রাষ্ট্রের মৌল কাঠামো দুর্বল করার ঝুঁকিপূর্ণ দৃষ্টান্ত। সার্বিক বার্তা সংবিধানবিরোধী গণভোট মানে কেবল একটি রাজনৈতিক ইভেন্ট নয়— এটি রাষ্ট্রীয় বৈধতার প্রশ্ন। এতে অংশগ্রহণ মানে নিজের সাংবিধানিক অধিকার ও রাষ্ট্রের মৌল ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার ঝুঁকি তৈরি করা। এই গণভোট জনগণের নয়—রাষ্ট্র কাঠামো পুনর্গঠনের এক বিপজ্জনক ব্লুপ্রিন্ট—এমনটাই মনে করছেন সমালোচক ও বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশ।
সংবিধান বদল সম্ভব নয় সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রপতিকে অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা দিলেও তা সীমাবদ্ধ—শুধু জরুরি প্রয়োজনে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে। এই ক্ষমতা ব্যবহার করে সংবিধানের কোনো অনুচ্ছেদ পরিবর্তন, বাতিল বা পুনর্বহাল করার সুযোগ নেই। সংবিধান সংশোধনের একমাত্র বৈধ পথ ১৪২ অনুচ্ছেদ—যেখানে সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন বাধ্যতামূলক। সুতরাং সংসদীয় প্রক্রিয়া এড়িয়ে অধ্যাদেশের মাধ্যমে গণভোটের পথ তৈরি করার চেষ্টা সরাসরি সাংবিধানিক কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সংসদ ভেঙে—অধ্যাদেশের বৈধতা প্রশ্নে আরও গুরুতর প্রশ্ন উঠছে সংসদ ভেঙে থাকা অবস্থায় এ ধরনের উদ্যোগ নিয়ে। সংবিধান রহিত বা স্থগিত না থাকলে তার বিধান অক্ষুণ্ণ থাকে। সেই অবস্থায় কোনো অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল বা নতুন সাংবিধানিক প্রভিশন তৈরির চেষ্টা সংবিধানের ৭(ক) অনুচ্ছেদের চেতনার পরিপন্থী—যেখানে
সংবিধান লঙ্ঘনকে চরম অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন (২০২৫) আদেশ’—আইনি না রাজনৈতিক? তথাকথিত ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন (২০২৫) আদেশ’ ঘিরে যে গণভোট প্রভিশনের কথা বলা হচ্ছে, তা আইনি কাঠামোর চেয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। তাদের মতে, এটি জনগণের মতামত যাচাইয়ের গণতান্ত্রিক উদ্যোগ নয়; বরং সাংবিধানিক সীমা অতিক্রম করে ক্ষমতার নতুন বৈধতা নির্মাণের প্রচেষ্টা। সংবিধান বনাম ব্যক্তিকেন্দ্রিক শাসনের দ্বন্দ্ব বিশ্লেষকদের আশঙ্কা—একাত্তরের সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে একটি ভিন্ন শাসন কাঠামোর ভিত্তি স্থাপনের পথ তৈরি করতেই গণভোটের নাট্য মঞ্চায়ন। এতে রাষ্ট্র পরিচালনা গণপ্রতিনিধিত্বের ধারার বাইরে সরে গিয়ে ব্যক্তি-কেন্দ্রিক ও স্বেচ্ছাচারী মডেলের দিকে ঝুঁকতে পারে—যা গণতান্ত্রিক ভারসাম্যের জন্য অশনিসংকেত। নাগরিক অবস্থান: নীরবতা না প্রতিরোধ? এই প্রেক্ষাপটে নাগরিক
সমাজের সামনে প্রশ্ন একটাই— সংবিধানবিরোধী প্রক্রিয়াকে কি গণতন্ত্রের নামে বৈধতা দেওয়া হবে, নাকি সাংবিধানিক শাসন রক্ষায় অবস্থান নেওয়া হবে? আইনজ্ঞদের ভাষ্য স্পষ্ট— সাংবিধানিক ভিত্তিহীন গণভোট কোনো গণতান্ত্রিক অনুশীলন নয়; বরং রাষ্ট্রের মৌল কাঠামো দুর্বল করার ঝুঁকিপূর্ণ দৃষ্টান্ত। সার্বিক বার্তা সংবিধানবিরোধী গণভোট মানে কেবল একটি রাজনৈতিক ইভেন্ট নয়— এটি রাষ্ট্রীয় বৈধতার প্রশ্ন। এতে অংশগ্রহণ মানে নিজের সাংবিধানিক অধিকার ও রাষ্ট্রের মৌল ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার ঝুঁকি তৈরি করা। এই গণভোট জনগণের নয়—রাষ্ট্র কাঠামো পুনর্গঠনের এক বিপজ্জনক ব্লুপ্রিন্ট—এমনটাই মনে করছেন সমালোচক ও বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশ।



