ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্য চুক্তি: ইউনুস সরকারের একনায়কোচিত সিদ্ধান্তের ধাক্কা টেলিকমিউনিকেশন খাতেও
চীনা দূতাবাসের ঈদ উপহার বিতরণে জামায়াতের “দলীয়প্রীতি”: প্রকৃত দুস্থদের বঞ্চিত করে দলীয় অবস্থাসম্পন্ন লোকজনের মাঝে বণ্টন
প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার নিয়ে বিতর্ক: ছাত্রদল নেতার হাতে গরিবদের অনুদানের টাকা
যমুনায় উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী
সারা দেশে কখন কোথায় ঈদের জামাত
এনএসসিকে ‘হুমকি’ দিয়ে আরও বিপাকে বুলবুল
ঈদযাত্রায় দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া, দুই দশকের রেকর্ড ভাঙছে এবারের নৈরাজ্য: আদায় হবে অতিরিক্ত ১৫০ কোটি টাকা
গণভোটে সরকারি প্রচারণা ও রিট পিটিশন ১২০১/২০২৬: আইন লঙ্ঘন নাকি নজির? বিতর্কের মধ্যেই ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয়
সদ্য সমাপ্ত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়যুক্ত হলেও, সরকারি প্রচারণা এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে আইনি বিতর্ক এখনো থামেনি। বিশেষ করে হাইকোর্টে দায়েরকৃত রিট পিটিশন নম্বর ১২০১/২০২৬-কে কেন্দ্র করে আবেদনকারী পক্ষ এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে যে যুক্তি-তর্ক উপস্থাপিত হয়েছিল, তা নির্বাচনের ফলাফলের পরেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
রিট আবেদনকারীদের দাবি, তারা আদালতের কাছে স্পষ্ট করেছিলেন যে, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সরকার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’—কোনো পক্ষের হয়েই প্রচারণা চালাতে পারে না। তাদের মতে, রাষ্ট্রীয় যন্ত্র ব্যবহার করে এ ধরনের প্রচারণা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
আদালত সূত্রে জানা যায়, শুনানিকালে রাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস এবং নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আইনজীবীরা সরকারের প্রচারণার পক্ষে অবস্থান নেন। চমকপ্রদভাবে, বিএনপিসহ জামাত এবং
এনসিপির আইনজীবীরাও সরকারের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। তারা আদালতকে লন্ডন এবং কানাডার গণভোটের উদাহরণ (রেফারেন্স) দিয়ে বলেন, গণতান্ত্রিক বিশ্বে সরকার তার অবস্থানের পক্ষে প্রচারণা চালাতে পারে। তবে রিট আবেদনকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বিদেশি নজির টানতে গিয়ে বাংলাদেশের নিজস্ব নির্বাচন সংক্রান্ত আইনটি কেউ আমলে নেননি। আবেদনকারী পক্ষের এক আইনজীবী বলেন, “আমাদের দুর্ভাগ্য যে, আমরা হাইকোর্টকে আইনটি বোঝাতে সক্ষম হইনি অথবা আদালত হয়তো বিষয়টি সেভাবে আমলে নিতে চাননি। বিদেশি রেফারেন্সের ভিড়ে দেশের আইনটি উপেক্ষিত হয়েছে।” এদিকে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আবেদনকারীরা। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনের একদম শেষ সময়ে এসে ইসি একটি ‘নাটকীয় চিঠি’ ইস্যু করে। বিশ্লেষকদের ধারণা, ভবিষ্যতে আইনি দায় এড়াতেই নির্বাচন
কমিশন শেষ মুহূর্তে এই কৌশল অবলম্বন করেছিল। আইনি এই দীর্ঘ লড়াই এবং পাল্টাপাল্টি যুক্তির মাঝেই গণভোট সম্পন্ন হয়েছে এবং ফলাফল ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে গেছে। তবে রিট পিটিশন ১২০১/২০২৬-এ উত্থাপিত আইনি প্রশ্নগুলো—বিশেষ করে গণভোটে সরকারি প্রচারণার বৈধতা এবং দেশীয় আইনের প্রয়োগ—ভবিষ্যতের জন্য একটি অমীমাংসিত আইনি নজির হয়ে রইল বলে মনে করছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞরা।
এনসিপির আইনজীবীরাও সরকারের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। তারা আদালতকে লন্ডন এবং কানাডার গণভোটের উদাহরণ (রেফারেন্স) দিয়ে বলেন, গণতান্ত্রিক বিশ্বে সরকার তার অবস্থানের পক্ষে প্রচারণা চালাতে পারে। তবে রিট আবেদনকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বিদেশি নজির টানতে গিয়ে বাংলাদেশের নিজস্ব নির্বাচন সংক্রান্ত আইনটি কেউ আমলে নেননি। আবেদনকারী পক্ষের এক আইনজীবী বলেন, “আমাদের দুর্ভাগ্য যে, আমরা হাইকোর্টকে আইনটি বোঝাতে সক্ষম হইনি অথবা আদালত হয়তো বিষয়টি সেভাবে আমলে নিতে চাননি। বিদেশি রেফারেন্সের ভিড়ে দেশের আইনটি উপেক্ষিত হয়েছে।” এদিকে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আবেদনকারীরা। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনের একদম শেষ সময়ে এসে ইসি একটি ‘নাটকীয় চিঠি’ ইস্যু করে। বিশ্লেষকদের ধারণা, ভবিষ্যতে আইনি দায় এড়াতেই নির্বাচন
কমিশন শেষ মুহূর্তে এই কৌশল অবলম্বন করেছিল। আইনি এই দীর্ঘ লড়াই এবং পাল্টাপাল্টি যুক্তির মাঝেই গণভোট সম্পন্ন হয়েছে এবং ফলাফল ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে গেছে। তবে রিট পিটিশন ১২০১/২০২৬-এ উত্থাপিত আইনি প্রশ্নগুলো—বিশেষ করে গণভোটে সরকারি প্রচারণার বৈধতা এবং দেশীয় আইনের প্রয়োগ—ভবিষ্যতের জন্য একটি অমীমাংসিত আইনি নজির হয়ে রইল বলে মনে করছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞরা।



