গণভোটে সরকারি প্রচারণা ও রিট পিটিশন ১২০১/২০২৬: আইন লঙ্ঘন নাকি নজির? বিতর্কের মধ্যেই ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয় – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
     ৭:১১ পূর্বাহ্ণ

গণভোটে সরকারি প্রচারণা ও রিট পিটিশন ১২০১/২০২৬: আইন লঙ্ঘন নাকি নজির? বিতর্কের মধ্যেই ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয়

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ৭:১১ 26 ভিউ
সদ্য সমাপ্ত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়যুক্ত হলেও, সরকারি প্রচারণা এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে আইনি বিতর্ক এখনো থামেনি। বিশেষ করে হাইকোর্টে দায়েরকৃত রিট পিটিশন নম্বর ১২০১/২০২৬-কে কেন্দ্র করে আবেদনকারী পক্ষ এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে যে যুক্তি-তর্ক উপস্থাপিত হয়েছিল, তা নির্বাচনের ফলাফলের পরেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। রিট আবেদনকারীদের দাবি, তারা আদালতের কাছে স্পষ্ট করেছিলেন যে, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সরকার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’—কোনো পক্ষের হয়েই প্রচারণা চালাতে পারে না। তাদের মতে, রাষ্ট্রীয় যন্ত্র ব্যবহার করে এ ধরনের প্রচারণা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আদালত সূত্রে জানা যায়, শুনানিকালে রাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস এবং নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আইনজীবীরা সরকারের প্রচারণার পক্ষে অবস্থান নেন। চমকপ্রদভাবে, বিএনপিসহ জামাত এবং

এনসিপির আইনজীবীরাও সরকারের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। তারা আদালতকে লন্ডন এবং কানাডার গণভোটের উদাহরণ (রেফারেন্স) দিয়ে বলেন, গণতান্ত্রিক বিশ্বে সরকার তার অবস্থানের পক্ষে প্রচারণা চালাতে পারে। তবে রিট আবেদনকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বিদেশি নজির টানতে গিয়ে বাংলাদেশের নিজস্ব নির্বাচন সংক্রান্ত আইনটি কেউ আমলে নেননি। আবেদনকারী পক্ষের এক আইনজীবী বলেন, “আমাদের দুর্ভাগ্য যে, আমরা হাইকোর্টকে আইনটি বোঝাতে সক্ষম হইনি অথবা আদালত হয়তো বিষয়টি সেভাবে আমলে নিতে চাননি। বিদেশি রেফারেন্সের ভিড়ে দেশের আইনটি উপেক্ষিত হয়েছে।” এদিকে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আবেদনকারীরা। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনের একদম শেষ সময়ে এসে ইসি একটি ‘নাটকীয় চিঠি’ ইস্যু করে। বিশ্লেষকদের ধারণা, ভবিষ্যতে আইনি দায় এড়াতেই নির্বাচন

কমিশন শেষ মুহূর্তে এই কৌশল অবলম্বন করেছিল। আইনি এই দীর্ঘ লড়াই এবং পাল্টাপাল্টি যুক্তির মাঝেই গণভোট সম্পন্ন হয়েছে এবং ফলাফল ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে গেছে। তবে রিট পিটিশন ১২০১/২০২৬-এ উত্থাপিত আইনি প্রশ্নগুলো—বিশেষ করে গণভোটে সরকারি প্রচারণার বৈধতা এবং দেশীয় আইনের প্রয়োগ—ভবিষ্যতের জন্য একটি অমীমাংসিত আইনি নজির হয়ে রইল বলে মনে করছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞরা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আদালত দখলের রাজনীতি! এজলাসে ভাঙচুর অফিসিয়ালি বিএনপির চাঁদাবাজি যুগের সূচনা চাঁদাবাজির নতুন নাম “সমঝোতা” ইউনূস-জাহাঙ্গীরের জোর করে দেয়া সেই ইউনিফর্ম পরতে চায় না পুলিশ ইউনূস আমলের ভয়াবহ দুর্নীতি-চাঁদাবাজির হিসাব সামনে আনল ডিসিসিআই রাষ্ট্রপতির বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিলেন ইউনূস Unattended Ballot Boxes: New Questions in Bangladesh’s 2026 Vote টিসিবির ট্রাকের পিছে ছুটছে বাংলাদেশ সংসদের বৈধতার প্রশ্ন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা মুক্তিযুদ্ধকে ‘জনযুদ্ধ’ বলে ছোট করতে চাইলে তারা মীর জাফর: ভাইরাল ভিডিওতে তরুণের মন্তব্য পুলিশের নতুন আইজিপি হলেন আলী হোসেন ফকির ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুলের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগ ক্ষমতায় এসেই নিজেদের লোকদের বাঁচানোর পুরনো খেলায় ফিরলো বিএনপি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অবদান দেশজুড়ে একে একে খুলছে আওয়ামী লীগের কার্যালয় হামলা-মামলা-আটকের মধ্যেই সারাদেশে মিছিল-কার্যালয় খুলছে তৃণমুলের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা নবগঠিত বিএনপি সরকারের সন্মতিতেই ‘কালের কন্ঠে” রাষ্ট্রপতি’র খোলামেলা সাক্ষাৎকার! চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে উদ্যোক্তারা ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হতে পারেন: ডিসিসিআই সভাপতি মার্কিন শুল্কের নতুন অস্থিরতায় বাংলাদেশি রপ্তানিতে আরো তীব্র হবে অনিশ্চয়তা চাগোস দ্বীপ নিয়ে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা: স্টারমারকে হুঁশিয়ারি, সামরিক ঘাঁটি নিয়ে উদ্বেগ মেক্সিকোতে কার্টেল সংঘাতের ছায়া, আতঙ্কের মধ্যেই বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তুতি