ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাত পোহালেই ঈদ
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা
দেশবাসীসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর
বাংলাদেশ ও বিশ্বের মুসলমানদের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছে ৫ বাংলাদেশি: প্রতিমন্ত্রী
ঈদের ছুটিতে পদ্মা-যমুনা সেতুতে টোল আদায়ে নতুন রেকর্ড
সৌদির সঙ্গে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঈদ উদযাপন
গঙ্গা জলচুক্তির মেয়াদ শেষ ২০২৬-এ: নবায়ন নিয়ে বিরোধিতার মধ্যেই ফারাক্কায় তথ্যানুসন্ধানে বাংলাদেশি প্রতিনিধি দল
আগামী ২০২৬ সালেই শেষ হতে চলেছে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক 'গঙ্গা জলচুক্তি'র (Ganges Water Treaty) মেয়াদ। এই সন্ধিক্ষণে চুক্তি নবীকরণ নিয়ে যখন উত্তপ্ত আলোচনা চলছে, ঠিক তখনই গঙ্গার জলপ্রবাহ ও জলবণ্টন সংক্রান্ত তথ্য সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে ফারাক্কা ব্যারাজ পরিদর্শনে এল চার সদস্যের এক উচ্চপদস্থ বাংলাদেশি প্রতিনিধি দল।
জানা গেছে, এই প্রতিনিধি দলটি ভারতের কেন্দ্রীয় জল কমিশনের (Central Water Commission) আধিকারিকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করছে। তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো ফারাক্কায় গঙ্গার জলপ্রবাহ, জলের স্তর এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ হাইড্রোলজিক্যাল (Hydrological) তথ্য সংগ্রহ করা। দুই দেশের মধ্যে জলবণ্টনের বর্তমান পরিস্থিতি এবং আগামী দিনের রূপরেখা নির্ধারণে এই তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে। ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত ৩০ বছর মেয়াদী এই চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালে শেষ হতে চলায় কূটনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। তবে এবারের পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। সূত্রের খবর, ভারতীয় জনগনের একাংশ এবং স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে চুক্তি নবীকরণ না করার জন্য জোরালো আবেদন জানানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের গঙ্গা তীরবর্তী এলাকার ভাঙন এবং জলের নাব্যতার সমস্যাকে কেন্দ্র করে এই দাবি জোরালো হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, গঙ্গার জলবণ্টন ইস্যুটি আগামী দিনে ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত 'সংবেদনশীল অধ্যায়' হয়ে উঠতে পারে। চুক্তি নবীকরণের আগে সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও তার
চুলচেরা বিশ্লেষণ তাই উভয় দেশের জন্যই জরুরি। ২০২৬-এর আগে এই চুক্তি নিয়ে দিল্লির সাউথ ব্লক কী অবস্থান নেয় এবং প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য ও স্থানীয় দাবিদাওয়ার মধ্যে কীভাবে সামঞ্জস্য বিধান করে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল
পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে। ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত ৩০ বছর মেয়াদী এই চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালে শেষ হতে চলায় কূটনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। তবে এবারের পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। সূত্রের খবর, ভারতীয় জনগনের একাংশ এবং স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে চুক্তি নবীকরণ না করার জন্য জোরালো আবেদন জানানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের গঙ্গা তীরবর্তী এলাকার ভাঙন এবং জলের নাব্যতার সমস্যাকে কেন্দ্র করে এই দাবি জোরালো হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, গঙ্গার জলবণ্টন ইস্যুটি আগামী দিনে ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত 'সংবেদনশীল অধ্যায়' হয়ে উঠতে পারে। চুক্তি নবীকরণের আগে সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও তার
চুলচেরা বিশ্লেষণ তাই উভয় দেশের জন্যই জরুরি। ২০২৬-এর আগে এই চুক্তি নিয়ে দিল্লির সাউথ ব্লক কী অবস্থান নেয় এবং প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য ও স্থানীয় দাবিদাওয়ার মধ্যে কীভাবে সামঞ্জস্য বিধান করে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল



