ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কারামুক্ত হলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর
দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের ‘মহিমান্বিত’ করে শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে সংসদ: ছাত্র ইউনিয়ন-ফ্রন্টের প্রতিবাদ
সংসদে রাজাকারদের জন্য শোক প্রস্তাব: ৪১ বিশিষ্ট নাগরিকের প্রতিবাদ
ইউনূসের পদাঙ্ক অনুসরণে তারেক: দিবসের তালিকায় ফেরেনি ৭ই মার্চ, ১৫ই আগস্ট ও সংবিধান দিবস
দেশের জন্য রাশিয়া থেকে জ্বালানি ক্রয় নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতির ওপর: রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী
উপদেষ্টার শিশুকন্যার ‘ছাগল চোর নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী’ বনাম মির্জা আব্বাস: রাজনীতির বাকবাঁদল
৭৪ কারাগারে ২৩ অ্যাম্বুলেন্স: সংকটের অজুহাতে পথেই রাজনৈতিক বন্দিদের মৃত্যু
খুলনা-বরিশাল-রাজশাহীকে ‘বিদেশের মতো’ করে ফেলেছে আওয়ামী লীগ: রুমিন ফারহানা
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে খুলনা, বরিশাল ও রাজশাহী শহরগুলোকে বিদেশের মতো উন্নয়ন করা হয়েছে। সম্প্রতি একটি টকশোতে সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিনের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রুমিন ফারহানা, যিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন এবং বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেত্রী, এই বক্তব্যের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আমলের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, খুলনা, বরিশাল ও রাজশাহীকে আওয়ামী লীগ “বিদেশের মতো করে ফেলেছে”।
এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, কারণ এটি বিরোধীদের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের উন্নয়নকে সরাসরি প্রশংসা করার একটি উদাহরণ।
আওয়ামী লীগের দীর্ঘ
শাসনামলে (২০০৯-২০২৪) খুলনা, বরিশাল ও রাজশাহী বিভাগে ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে। খুলনায় পায়রা সেতু, মংলা বন্দরের সম্প্রসারণ, রূপসা সেতু; বরিশালে কীর্তনখোলা সেতু, পদ্মা সেতুর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা; রাজশাহীতে বড়াল নদীর উপর সেতু, আইসিটি পার্ক, বিমানবন্দর সম্প্রসারণসহ অসংখ্য প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। এসব উন্নয়নের ফলে এই অঞ্চলগুলোর শহরায়ন, যোগাযোগ, অর্থনীতি ও জীবনমানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে—যা অনেকে “বিদেশি মানের” বলে অভিহিত করেন। রুমিন ফারহানার এই স্বীকৃতি এমন এক সময়ে এসেছে যখন নতুন সংসদে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিত্ব না থাকায় রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। তিনি শপথ গ্রহণের পরও বলেছিলেন, সংসদে আওয়ামী লীগ না থাকায় দেশের প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষের প্রতিনিধিত্ব অনুপস্থিত। এই প্রেক্ষাপটে তার উন্নয়নের প্রশংসা
বিরোধীদের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগ আমলের অর্জনকে অস্বীকার না করে বাস্তবতা স্বীকার করার একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের মন্তব্য রাজনৈতিক পরিপক্কতা ও বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় বহন করে। এটি নতুন সরকারের জন্যও একটি বার্তা যে, পূর্ববর্তী সরকারের উন্নয়নকে অস্বীকার না করে তার ধারাবাহিকতা রক্ষা করা উচিত।আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে জানানো হবে।
শাসনামলে (২০০৯-২০২৪) খুলনা, বরিশাল ও রাজশাহী বিভাগে ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে। খুলনায় পায়রা সেতু, মংলা বন্দরের সম্প্রসারণ, রূপসা সেতু; বরিশালে কীর্তনখোলা সেতু, পদ্মা সেতুর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা; রাজশাহীতে বড়াল নদীর উপর সেতু, আইসিটি পার্ক, বিমানবন্দর সম্প্রসারণসহ অসংখ্য প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। এসব উন্নয়নের ফলে এই অঞ্চলগুলোর শহরায়ন, যোগাযোগ, অর্থনীতি ও জীবনমানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে—যা অনেকে “বিদেশি মানের” বলে অভিহিত করেন। রুমিন ফারহানার এই স্বীকৃতি এমন এক সময়ে এসেছে যখন নতুন সংসদে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিত্ব না থাকায় রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। তিনি শপথ গ্রহণের পরও বলেছিলেন, সংসদে আওয়ামী লীগ না থাকায় দেশের প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষের প্রতিনিধিত্ব অনুপস্থিত। এই প্রেক্ষাপটে তার উন্নয়নের প্রশংসা
বিরোধীদের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগ আমলের অর্জনকে অস্বীকার না করে বাস্তবতা স্বীকার করার একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের মন্তব্য রাজনৈতিক পরিপক্কতা ও বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় বহন করে। এটি নতুন সরকারের জন্যও একটি বার্তা যে, পূর্ববর্তী সরকারের উন্নয়নকে অস্বীকার না করে তার ধারাবাহিকতা রক্ষা করা উচিত।আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে জানানো হবে।



