ক্ষমতার মোহ নয়, সাধারণ মানুষের হৃদয়েই থাকতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু: ড. কামাল হোসেন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

ক্ষমতার মোহ নয়, সাধারণ মানুষের হৃদয়েই থাকতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু: ড. কামাল হোসেন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ |
স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর রাষ্ট্রক্ষমতায় বসার চেয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে থাকাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। সদ্য স্বাধীন দেশে তিনি চেয়েছিলেন সরকার পরিচালনার ভার সহকর্মীদের হাতে দিয়ে নিজে জনগণের সেবায় ও জনমত গঠনে কাজ করবেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ইতিহাসের এই বিরল ঘটনাটি তুলে ধরেছেন সংবিধান প্রণেতা ও প্রবীণ আইনজীবী ড. কামাল হোসেন। এক নজরে, ক্ষমতার প্রতি নির্লোভ দৃষ্টি: স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর বঙ্গবন্ধু নিজেই সরকার প্রধানের দায়িত্ব নিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। জনগণের নেতা: তিনি চেয়েছিলেন দাপ্তরিক ফাইলের বেড়াজালের বদলে গ্রাম-বাংলার সাধারণ মানুষের মাঝে থাকতে। নেতৃত্বের অপরিহার্যতা: প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের স্বার্থে তাকে শেষ পর্যন্ত দায়িত্ব গ্রহণ

করতে রাজি করানো হয়। বিস্তারিত প্রতিবেদন: ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি, স্বাধীন বাংলাদেশে রাষ্ট্র পরিচালনার রূপরেখা নিয়ে যখন আলোচনা চলছে, তখন এক ঐতিহাসিক প্রস্তাব দেন বঙ্গবন্ধু। ড. কামাল হোসেনের ভাষ্যমতে, বঙ্গবন্ধু তার সহকর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, "তোমরা গভর্মেন্ট চালাও, আর আমি মানুষের মধ্যে জনসমর্থন তোমাদের জন্য গড়তে থাকবো।" এই বক্তব্যে ক্ষমতার প্রতি বঙ্গবন্ধুর নির্লোভ মানসিকতা এবং জনগণের প্রতি তার গভীর ভালোবাসার বিষয়টি ফুটে ওঠে। তিনি মনে করতেন, সচিবালয়ের ফাইলের চেয়ে জনগণের সান্নিধ্য তার জন্য অনেক বেশি জরুরি। তবে সদ্য স্বাধীন ও যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশকে গড়ে তোলার জন্য বঙ্গবন্ধুর সরাসরি নেতৃত্ব ছিল অপরিহার্য। ড. কামাল হোসেন জানান, তারা তখন বঙ্গবন্ধুকে বুঝিয়েছিলেন যে, তিনি যদি রাষ্ট্রীয়

দায়িত্বে না থাকেন, তবে প্রশাসনিক কাজ স্থবির হয়ে পড়বে। কারণ, রাষ্ট্রের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য ফাইল শেষ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর কাছেই যাবে, তিনি যেখানেই থাকুন না কেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা অর্জনের বিষয়টিও ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বনেতারা বঙ্গবন্ধুকেই বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন। ড. কামাল হোসেন বলেন, "আন্তর্জাতিকভাবে তারা তখনই আমাদের ওপর আস্থা রাখবে, যখন দেখবে সরকার প্রধান আপনি।" শেষ পর্যন্ত দেশের স্বার্থ, প্রশাসনিক বাস্তবতা এবং সহকর্মীদের অনুরোধে বঙ্গবন্ধু সরকার পরিচালনার গুরুদায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন। ড. কামালের এই স্মৃতিচারণ প্রমাণ করে যে, বঙ্গবন্ধু কেবল একজন শাসক ছিলেন না, তিনি ছিলেন মাটি ও মানুষের অকৃত্রিম নেতা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
স্কুলে এসে শিশুরা যেন পাঠ্যপুস্তকে বৈষম্য না দেখে—এই অবদান শেখ হাসিনার একান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের স্থায়ী বহিষ্কারের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ সরকার বনাম ব্যবসায়ী বক্তব্য যুদ্ধে ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ সিলেটের বিশ্বনাথে শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী বাউলগানের আসরে হামলা ও ভাঙচুর ভারতের কাছে আবারও জ্বালানি সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ রূপবদল ও সুবিধাবাদের মোড়কে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন জার্মানিতে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ রক্ষার দৃঢ় অঙ্গীকারে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালন ২৬ মার্চ-বাংলাদেশের জন্মদিন খাদ্য মূল্যস্ফীতির ‘লাল’ তালিকায় বাংলাদেশ, তীব্র ঝুঁকির দিকে যাচ্ছে দেশ পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর থেকে ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করছে ভারত আইন বনাম মানবিকতা: মালয়েশিয়ায় ‘অপস ওমনিপ্রেজেন্ট’ অভিযান নিয়ে তীব্র বিতর্ক জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি ইরানে হামলা অব্যাহত রাখতে ট্রাম্পের ওপর চাপ দিচ্ছেন সৌদি যুবরাজ ১৭ বছর লড়াইয়ের পরও কেন বহিষ্কার, মুখ খুললেন রুমিন ফারহানা ডিএমপির ৪ থানায় ওসিকে বদলি ও পদায়ন হাদি হত্যার মূল ২ আসামিকে দিল্লি নিয়ে গেছে এনআইএ ঈদের রাতে বিএনপি নেতা মিন্টুর ‘সিক্স স্টার’ বাহিনীর তাণ্ডব আ.লীগ ছাড়া সংসদ, যা বললেন রুমিন ফারহানা নিজের ক্রাশের নাম প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী মাহিরা সাকিবকে যে বার্তা দিলেন প্রধান নির্বাচক