ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মার্কিন দূতাবাসের জন্য বিশেষ স্বতন্ত্র পুলিশ ইউনিটঃ বুরকিনা ফাসো’র কাতারে বাংলাদেশ
সক্ষমতা তলানিতে তিন বৃহৎ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের, ঘাটতি আড়াই হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে
নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে চট্টগ্রামে একদিনেই ছাত্রলীগের তিন মিছিল, উদ্দীপ্ত সারাদেশের নেতাকর্মীরা
রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির ১৩ বছর আজ
শেখ হাাসিনা সরকারের এনসিডি সেবা বন্ধ, বিনামূল্যের ওষুধ বঞ্চিত দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠী
অর্থনৈতিক চাপে ধুঁকছে বাংলাদেশ: ‘১৪ বোয়িং’ ক্রয়—মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির জগদ্দল পাথর
প্রকল্প বাতিল, অথচ হদিস নেই ১৫৪ কোটি টাকার!
ক্ষমতার নিশ্চয়তা ছাড়া ফিরবেন না তারেক: মায়ের বিপদেও ভরসা শুধুই ‘অনলাইন’—সমালোচনায় মুখর সাংবাদিক রুবিনা
মাঠে নেই, নেই রাজপথে। সুদূর লন্ডনে বসে ‘রিমোট কন্ট্রোলে’ দল চালানো বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার ‘ভার্চুয়াল রাজনীতি’ এবং দেশে ফেরার অনিচ্ছা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন সাংবাদিক রুবিনা ইয়াসমিন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় মন্তব্য করেছেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারেক জিয়া বাংলাদেশে পা রাখবেন না।
আজ এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে রুবিনা ইয়াসমিন তারেক জিয়ার রাজনৈতিক কৌশলকে প্রশ্নবিদ্ধ করে লেখেন, তারেক জিয়ার রাজনীতি এখন পুরোপুরি অনলাইননির্ভর। এমনকি তিনি তার অসুস্থ মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকেও দেখেন কেবল অনলাইনের পর্দায়।
স্ট্যাটাসে সবচেয়ে সমালোচিত ও স্পর্শকাতর বিষয়টি তুলে ধরে রুবিনা ইয়াসমিন আশঙ্কা প্রকাশ করেন, “আল্লাহ না করুক, খালেদা জিয়ার যদি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত
কিছু ঘটে, তবু তিনি দেশে ফিরবেন না; অনলাইনেই সব কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।” মায়ের চরম দুঃসময়েও সন্তানের সশরীরে উপস্থিত না হয়ে প্রযুক্তির আড়ালে থাকার এই মানসিকতা নিয়ে তিনি পরোক্ষভাবে নৈতিকতার প্রশ্ন তুলেছেন। তারেক জিয়ার প্রতি নেতাকর্মীদের অন্ধ আবেগের সমালোচনাও উঠে এসেছে তার লেখায়। তিনি উল্লেখ করেন, নেতা নিজে নিরাপদ দূরত্বে থেকে কর্মীদের খোঁজ যতটুকু না রাখছেন, তার চেয়ে ঢের বেশি ভালোবাসা কর্মীরা তাকে প্রদর্শন করছেন। কর্মীরা একজন ‘অনলাইননির্ভর ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী’র স্বপ্নকে অত্যন্ত সুন্দর মনে করে আত্মতৃপ্তিতে ভুগছেন, যা রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রুবিনা ইয়াসমিনের এই মন্তব্য তারেক জিয়ার ‘নিরাপদ রাজনীতি’র মুখোশ উন্মোচন করেছে। যেখানে কর্মীরা মামলা-হামলায় জর্জরিত, সেখানে নেতার
এমন শর্তসাপেক্ষ ফেরার নীতি দলে কতটা সুফল বয়ে আনবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।
কিছু ঘটে, তবু তিনি দেশে ফিরবেন না; অনলাইনেই সব কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।” মায়ের চরম দুঃসময়েও সন্তানের সশরীরে উপস্থিত না হয়ে প্রযুক্তির আড়ালে থাকার এই মানসিকতা নিয়ে তিনি পরোক্ষভাবে নৈতিকতার প্রশ্ন তুলেছেন। তারেক জিয়ার প্রতি নেতাকর্মীদের অন্ধ আবেগের সমালোচনাও উঠে এসেছে তার লেখায়। তিনি উল্লেখ করেন, নেতা নিজে নিরাপদ দূরত্বে থেকে কর্মীদের খোঁজ যতটুকু না রাখছেন, তার চেয়ে ঢের বেশি ভালোবাসা কর্মীরা তাকে প্রদর্শন করছেন। কর্মীরা একজন ‘অনলাইননির্ভর ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী’র স্বপ্নকে অত্যন্ত সুন্দর মনে করে আত্মতৃপ্তিতে ভুগছেন, যা রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রুবিনা ইয়াসমিনের এই মন্তব্য তারেক জিয়ার ‘নিরাপদ রাজনীতি’র মুখোশ উন্মোচন করেছে। যেখানে কর্মীরা মামলা-হামলায় জর্জরিত, সেখানে নেতার
এমন শর্তসাপেক্ষ ফেরার নীতি দলে কতটা সুফল বয়ে আনবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।



