ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কাঁচপুরে
অর্থপাচার মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা
‘নাই বাওয়া, হামার কিচ্ছু নাই, ঘর-বাড়ি সব হারাচি’
‘খালেদা জিয়া ১ টাকা রেখে পুরো বেতন এতিমখানায় দান করে দিতেন’, জানালেন প্রেস সচিব
আগস্টেই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ যুক্ত হবে জাতীয় গ্রিডে, জানালেন মন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী: দায়িত্বে পেয়েও পরিকল্পনার অনেক কিছুই বাস্তবায়ন করতে পারেননি আসিফ নজরুল
ক্যাঙ্গারু কোর্টের রায়ে আইনের অপমান: বঙ্গবন্ধু পরিবারকে টার্গেট করে দখলদার শাসনের নগ্ন রাজনৈতিক প্রতিহিংসা
আজ অবৈধ ও অসাংবিধানিক দখলদার সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন তথাকথিত আদালত থেকে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা, তার পরিবার ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, তা কোনো বিচারিক সিদ্ধান্ত নয় এটি একটি রাজনৈতিক আক্রমণপত্র, যা আগেই লেখা ছিল ক্ষমতাদখলকারীদের অন্ধকার কক্ষগুলোতে।
এই রায়ের পেছনে কোনো গ্রহণযোগ্য তদন্ত নেই, নেই সাক্ষ্য–প্রমাণের স্বচ্ছতা, নেই ন্যূনতম আইনি প্রক্রিয়ার মান। বরং এটি মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী একটি পরিবারকে টার্গেট করে পরিচালিত সুপরিকল্পিত প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ। ক্যাঙ্গারু কোর্টকে ব্যবহার করে বারংবার হাস্যকর, অবান্তর সব অভিযোগে শেখ পরিবারকে দুর্নীতির আখ্যা দেওয়ার এই মরিয়া চেষ্টা আসলে ইতিহাস মুছে ফেলার ব্যর্থ ষড়যন্ত্র ; যে ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় আত্মপরিচয়।
বাংলাদেশ
ছাত্রলীগ স্পষ্ট করে বলতে চায় বঙ্গবন্ধুতনয়া দেশরত্ন শেখ হাসিনা এবং তাঁর পরিবার বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের আশা-আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক; সকলে একেকটি রাজনৈতিক উত্তরাধিকার, ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতা এবং কোটি মানুষের আশা–আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তার পরিবারকে আঘাত করার অর্থ মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব, অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রচিন্তা এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ভিত্তির ওপর আঘাত হানা। যে সরকার নিজেই জনগণের রায়ে ক্ষমতায় নেই, যে সরকার রাষ্ট্রযন্ত্র দখল করে টিকে আছে, তাদের অধীনে প্রদত্ত কোনো রায় আইন নয়, এটি ক্ষমতার নোটিশ, ভয়ের ঘোষণা এবং প্রতিহিংসার দলিল মাত্র। আদালতকে ক্যাঙ্গারু কোর্টে পরিণত করে বঙ্গবন্ধু পরিবারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো মূলত স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন করার মরিয়া অপচেষ্টা। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ঘোষণা করছে এই রায় আমরা
প্রত্যাখ্যান করি, ঘৃণা করি এবং ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড় করাই। শেখ পরিবারকে হেয় করে, অপমান করে, ভয় দেখিয়ে বাংলাদেশকে তার ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় বঙ্গবন্ধু পরিবার কখনো আদালতের রায়ে নয়, জনগণের ভালোবাসা ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই টিকে আছে। এই দখলদার শাসনের প্রতিটি আগ্রাসী রায় তাদের পতনকে আরও অনিবার্য করে তুলছে। রায় দিয়ে যেমন ইতিহাস লেখা যায় না ষড়যন্ত্র দিয়ে তেমনি নেতৃত্ব মুছে ফেলা যায় না। বঙ্গবন্ধু পরিবার জনগণের সঙ্গে ছিল, আছে, থাকবে। এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তাঁদের নেতৃত্বে জনগণকে সাথে নিয়ে আবারো বাংলাদেশকে এই অন্ধকারাচ্ছন্ন মাৎস্যন্যায় থেকে মুক্তি দান করবে। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
ছাত্রলীগ স্পষ্ট করে বলতে চায় বঙ্গবন্ধুতনয়া দেশরত্ন শেখ হাসিনা এবং তাঁর পরিবার বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের আশা-আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক; সকলে একেকটি রাজনৈতিক উত্তরাধিকার, ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতা এবং কোটি মানুষের আশা–আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তার পরিবারকে আঘাত করার অর্থ মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব, অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রচিন্তা এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ভিত্তির ওপর আঘাত হানা। যে সরকার নিজেই জনগণের রায়ে ক্ষমতায় নেই, যে সরকার রাষ্ট্রযন্ত্র দখল করে টিকে আছে, তাদের অধীনে প্রদত্ত কোনো রায় আইন নয়, এটি ক্ষমতার নোটিশ, ভয়ের ঘোষণা এবং প্রতিহিংসার দলিল মাত্র। আদালতকে ক্যাঙ্গারু কোর্টে পরিণত করে বঙ্গবন্ধু পরিবারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো মূলত স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন করার মরিয়া অপচেষ্টা। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ঘোষণা করছে এই রায় আমরা
প্রত্যাখ্যান করি, ঘৃণা করি এবং ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড় করাই। শেখ পরিবারকে হেয় করে, অপমান করে, ভয় দেখিয়ে বাংলাদেশকে তার ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় বঙ্গবন্ধু পরিবার কখনো আদালতের রায়ে নয়, জনগণের ভালোবাসা ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই টিকে আছে। এই দখলদার শাসনের প্রতিটি আগ্রাসী রায় তাদের পতনকে আরও অনিবার্য করে তুলছে। রায় দিয়ে যেমন ইতিহাস লেখা যায় না ষড়যন্ত্র দিয়ে তেমনি নেতৃত্ব মুছে ফেলা যায় না। বঙ্গবন্ধু পরিবার জনগণের সঙ্গে ছিল, আছে, থাকবে। এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তাঁদের নেতৃত্বে জনগণকে সাথে নিয়ে আবারো বাংলাদেশকে এই অন্ধকারাচ্ছন্ন মাৎস্যন্যায় থেকে মুক্তি দান করবে। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু



