ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আত্মশুদ্ধি, মানবপ্রেম ও ঐতিহ্যের মহামিলন
*বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর মার্কিন স্যাংশন,কূটনৈতিক ব্যর্থতা, আন্তর্জাতিকভাবে কোণঠাসা*
❝পোস্টাল ব্যালট ও ট্রান্সফার করা ভোটব্যাংক হলো জামাত এনসিপি জোটের ডামি নির্বাচনের সুপরিকল্পিত কৌশল❞
পাকিস্তানের ইশারায় ক্রিকেট ধ্বংস, ইউনুস সরকারের ব্যর্থতা আর আসিফ নজরুলের নীরবতা—বাংলাদেশের ক্রিকেট আজ নেতৃত্বহীন লাশ
শিবির ক্যাডারদের হাতে কারাগার, কারাগারে আটকে আওয়ামী লীগের উপর চলছে পরিকল্পিত গণহত্যা
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে স্বীকৃত সত্য : দক্ষিণ এশিয়ায় মূল্যস্ফীতির শিরোমণি বাংলাদেশ
এখন রাজাকারের সাথে কে যোগ দিছে? বলেন আপনারা দেশের মানুষ” – জনতার কথা
‘ক্যাঙ্গারু কোর্টের রায় মানি না’, ট্রাইব্যুনালের রায় প্রত্যাখ্যান করে আওয়ামী লীগের শাটডাউন ঘোষণা
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়কে 'প্রতিশোধমূলক' ও 'অবৈধ' আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছে সরকারি নির্দেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। দলটির পক্ষ থেকে এই রায়কে 'ক্যাঙ্গারু কোর্টের রায়' হিসেবে উল্লেখ করে এর প্রতিবাদে দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা শাটডাউন পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) দলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিও বার্তায় দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক এই রায়কে 'বাংলার জনগণের রায় নয়' বলে মন্তব্য করেন।
ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, “আজ যে রায় ঘোষণা করেছে এ রায় বাংলার জনগণ প্রত্যাখ্যান করে। বাংলার জনগণ এ রায় মানে না, মানবে না।”
আদালতের বিচার প্রক্রিয়াকে 'ক্যাঙ্গারু
কোর্ট' বা প্রহসনের বিচার হিসেবে ইঙ্গিত করে নানক বিচারিক কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “অবৈধ আদালত যে মামলার রায় দিয়েছে সেটি ১৪ অগাস্ট শুরু করে ১৭ই নভেম্বর মামলা শেষ করেছে। ৮৪ জন সাক্ষীকে সামনে রেখে ৫৪ জনকে হাজির করে ২০ দিনে মামলা শেষ করেছে। এই দুই মাসের মধ্যে মাত্র ২০ দিন আদালত চলেছে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, “এর প্রধান বিচারক গত এক মাস অনুপস্থিত ছিলেন। তারপরেও প্রতিশোধের লক্ষ্য নিয়ে মানুষের প্রিয় নেত্রীর বিরুদ্ধে যে রায় দিয়েছে,” তা গ্রহণযোগ্য নয়। শুধু রায় প্রত্যাখ্যান করেই থেমে থাকেনি দলটি। সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে নানক বলেন, “অচিরেই সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করবো।” কার্যক্রম নিষিদ্ধ
থাকা সত্ত্বেও এই রায়ের প্রতিবাদে মঙ্গলবার সারা বাংলাদেশে সকাল-সন্ধ্যা শাটডাউন পালনের মতো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। এই ঘোষণার মাধ্যমে দলটি রাজপথে তাদের সক্রিয় অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে। রায়ের প্রতিবাদে মঙ্গলবার সারা বাংলাদেশে সকাল-সন্ধ্যা শাটডাউন পালনের ঘোষণাও দেন তিনি।
কোর্ট' বা প্রহসনের বিচার হিসেবে ইঙ্গিত করে নানক বিচারিক কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “অবৈধ আদালত যে মামলার রায় দিয়েছে সেটি ১৪ অগাস্ট শুরু করে ১৭ই নভেম্বর মামলা শেষ করেছে। ৮৪ জন সাক্ষীকে সামনে রেখে ৫৪ জনকে হাজির করে ২০ দিনে মামলা শেষ করেছে। এই দুই মাসের মধ্যে মাত্র ২০ দিন আদালত চলেছে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, “এর প্রধান বিচারক গত এক মাস অনুপস্থিত ছিলেন। তারপরেও প্রতিশোধের লক্ষ্য নিয়ে মানুষের প্রিয় নেত্রীর বিরুদ্ধে যে রায় দিয়েছে,” তা গ্রহণযোগ্য নয়। শুধু রায় প্রত্যাখ্যান করেই থেমে থাকেনি দলটি। সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে নানক বলেন, “অচিরেই সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করবো।” কার্যক্রম নিষিদ্ধ
থাকা সত্ত্বেও এই রায়ের প্রতিবাদে মঙ্গলবার সারা বাংলাদেশে সকাল-সন্ধ্যা শাটডাউন পালনের মতো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। এই ঘোষণার মাধ্যমে দলটি রাজপথে তাদের সক্রিয় অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে। রায়ের প্রতিবাদে মঙ্গলবার সারা বাংলাদেশে সকাল-সন্ধ্যা শাটডাউন পালনের ঘোষণাও দেন তিনি।



