ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে জাবিতে সাংবাদিককে ‘হেনস্তা’
হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে দেশবাসীকে নির্বাচন বয়কটের ডাক ১৬৭৫ জন বিশিষ্টজনের, সঙ্গে ১২ দাবি
কাকে ভোট দিতে যাবেন?
জাতির সঙ্গে বেঈমানি ও প্রতারণাপূর্ণ নির্বাচন বর্জনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক সর্বোপরি দেশবাসীর প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আহ্বান
সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ব্যতীত জাতীয় নির্বাচন জাতির কাছে কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য হবে না।
কথা বলতে চাওয়া সাবেক এমপি তুহিনের মুখ ‘চেপে’ ধরলো পুলিশ
সিএমপির ওসির বিরুদ্ধে মাদক সরবরাহ ও বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ
কুষ্টিয়ায় মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয় অগ্রযাত্রা, তরুণদের স্বেচ্ছাসেবী দলে যোগদানের ঢল
১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর, শুক্রবার:
এই দিনে কুষ্টিয়া ও আশপাশের অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। পাকিস্তানি বাহিনীর ঘন ঘন পশ্চাদপসরণ এবং সরঞ্জাম সংকটের সুযোগে মুক্তিবাহিনী শহর ও গ্রাম—উভয় দিক দিয়ে অগ্রসর হয়। দিনের শেষভাগে মুক্তিবাহিনী কুষ্টিয়ার বেশ কয়েকটি কৌশলগত পয়েন্ট নিয়ন্ত্রণে নেয়, যা পশ্চিমাঞ্চলের যুদ্ধকে আরও গতি দেয়।
এই সময়টিতে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক বিশেষ প্রবণতা দেখা যায়—অসংখ্য তরুণ, বিশেষ করে স্কুল-কলেজের ছাত্র এবং সাধারণ কৃষক-শ্রমিকেরা স্বেচ্ছায় মুক্তিবাহিনীতে যোগ দিতে শুরু করে। স্থানীয় জনগণ তাদের কাপড়, খাবার, ওষুধ এবং এমনকি ব্যক্তিগত সঞ্চয় দিয়ে সাহায্য করেছিল। কুষ্টিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অস্থায়ী প্রশিক্ষণ শিবির স্থাপন করা হয়, যেখানে নতুন যোগদানকারীদের হাতে দ্রুত অস্ত্রধারণ ও মৌলিক
প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। ঐতিহাসিক দলিল থেকে জানা যায়, ১০ ডিসেম্বরের অগ্রগতি শুধু সামরিক দিক থেকেই নয়—মানসিক ও সামাজিক দিকেও স্বাধীনতার লড়াইকে নতুন মাত্রা দিয়েছিল। পাকিস্তানি বাহিনী বুঝতে শুরু করে যে, জনসমর্থন হারানোর সাথে সাথে তাদের অবস্থান আর ধরে রাখা সম্ভব নয়। এই দিনের পর কুষ্টিয়া অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতি পাকবাহিনীর কর্মকৌশলকে একেবারে বিপর্যস্ত করে দেয় এবং পশ্চিমাঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধে পরবর্তী দ্রুত সাফল্যের ভিত্তি তৈরি হয়।
প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। ঐতিহাসিক দলিল থেকে জানা যায়, ১০ ডিসেম্বরের অগ্রগতি শুধু সামরিক দিক থেকেই নয়—মানসিক ও সামাজিক দিকেও স্বাধীনতার লড়াইকে নতুন মাত্রা দিয়েছিল। পাকিস্তানি বাহিনী বুঝতে শুরু করে যে, জনসমর্থন হারানোর সাথে সাথে তাদের অবস্থান আর ধরে রাখা সম্ভব নয়। এই দিনের পর কুষ্টিয়া অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতি পাকবাহিনীর কর্মকৌশলকে একেবারে বিপর্যস্ত করে দেয় এবং পশ্চিমাঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধে পরবর্তী দ্রুত সাফল্যের ভিত্তি তৈরি হয়।



