ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভারতের কাছে আবারও জ্বালানি সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ
জার্মানিতে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ রক্ষার দৃঢ় অঙ্গীকারে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালন
খাদ্য মূল্যস্ফীতির ‘লাল’ তালিকায় বাংলাদেশ, তীব্র ঝুঁকির দিকে যাচ্ছে দেশ
পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর থেকে ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করছে ভারত
জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ২ গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ইমামসহ নিহত ২
যে মামলায় জামিন পেলেন ইনু, মেনন ও বিচারপতি মানিক
কুষ্টিয়ায় মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয় অগ্রযাত্রা, তরুণদের স্বেচ্ছাসেবী দলে যোগদানের ঢল
১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর, শুক্রবার:
এই দিনে কুষ্টিয়া ও আশপাশের অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। পাকিস্তানি বাহিনীর ঘন ঘন পশ্চাদপসরণ এবং সরঞ্জাম সংকটের সুযোগে মুক্তিবাহিনী শহর ও গ্রাম—উভয় দিক দিয়ে অগ্রসর হয়। দিনের শেষভাগে মুক্তিবাহিনী কুষ্টিয়ার বেশ কয়েকটি কৌশলগত পয়েন্ট নিয়ন্ত্রণে নেয়, যা পশ্চিমাঞ্চলের যুদ্ধকে আরও গতি দেয়।
এই সময়টিতে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক বিশেষ প্রবণতা দেখা যায়—অসংখ্য তরুণ, বিশেষ করে স্কুল-কলেজের ছাত্র এবং সাধারণ কৃষক-শ্রমিকেরা স্বেচ্ছায় মুক্তিবাহিনীতে যোগ দিতে শুরু করে। স্থানীয় জনগণ তাদের কাপড়, খাবার, ওষুধ এবং এমনকি ব্যক্তিগত সঞ্চয় দিয়ে সাহায্য করেছিল। কুষ্টিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অস্থায়ী প্রশিক্ষণ শিবির স্থাপন করা হয়, যেখানে নতুন যোগদানকারীদের হাতে দ্রুত অস্ত্রধারণ ও মৌলিক
প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। ঐতিহাসিক দলিল থেকে জানা যায়, ১০ ডিসেম্বরের অগ্রগতি শুধু সামরিক দিক থেকেই নয়—মানসিক ও সামাজিক দিকেও স্বাধীনতার লড়াইকে নতুন মাত্রা দিয়েছিল। পাকিস্তানি বাহিনী বুঝতে শুরু করে যে, জনসমর্থন হারানোর সাথে সাথে তাদের অবস্থান আর ধরে রাখা সম্ভব নয়। এই দিনের পর কুষ্টিয়া অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতি পাকবাহিনীর কর্মকৌশলকে একেবারে বিপর্যস্ত করে দেয় এবং পশ্চিমাঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধে পরবর্তী দ্রুত সাফল্যের ভিত্তি তৈরি হয়।
প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। ঐতিহাসিক দলিল থেকে জানা যায়, ১০ ডিসেম্বরের অগ্রগতি শুধু সামরিক দিক থেকেই নয়—মানসিক ও সামাজিক দিকেও স্বাধীনতার লড়াইকে নতুন মাত্রা দিয়েছিল। পাকিস্তানি বাহিনী বুঝতে শুরু করে যে, জনসমর্থন হারানোর সাথে সাথে তাদের অবস্থান আর ধরে রাখা সম্ভব নয়। এই দিনের পর কুষ্টিয়া অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতি পাকবাহিনীর কর্মকৌশলকে একেবারে বিপর্যস্ত করে দেয় এবং পশ্চিমাঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধে পরবর্তী দ্রুত সাফল্যের ভিত্তি তৈরি হয়।



