ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জাতিকে ভুল বুঝিয়ে আমেরিকার সঙ্গে দেশবিক্রির চুক্তি করেছেন ইউনূস
ঢালাও অভিযোগ, দুর্বল ভিত্তি : কার স্বার্থে এই মামলা?
পুলিশ হত্যা তদন্ত শুরু হলে পালানোর পরিকল্পনায় হান্নান মাসুদ
লোডশেডিং-ই কি এখন বিএনপি সরকারের সরকারি নীতি?
মব আতঙ্কে সরকারি বাসভবন ছাড়তে চাইছেন না ইউনূসসহ মবের হোতারা
খাম্বা তারেকের নেতৃত্বে আবারও সেই অন্ধকারযুগে ফিরছে বাংলাদেশ
জুলাইতে দাঙ্গাকারীদের চেয়ে বেশি সংখ্যক মৃত্যু হয়েছে পুলিশের!
কিচেন ক্যাবিনেটের আঠারো মাসের অন্দরমহলে
মুহাম্মদ ইউনূস একজন নোবেলজয়ী মানুষ। এই পরিচয়টা এতদিন ঢাল হিসেবে কাজ করেছে। কিন্তু ঢাল সরলে যা দেখা যায়, সেটা হলো একজন রাজনৈতিক সুবিধাবাদী, যিনি দশকের পর দশক ধরে বিদেশি দাতাগোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে সেটাকে ব্যক্তিগত ক্ষমতার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করেছেন।
এখন ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত হোসেন মুখ খুলেছেন। তিনি বলছেন, বড় সিদ্ধান্তগুলো কেবিনেটে হতো না, বাইরে হতো। একটু ভাবুন এই কথাটা। একটা সরকার আছে, উপদেষ্টারা আছেন, বৈঠক হয়, কিন্তু আসল সিদ্ধান্ত হয় অন্য কোথাও, অন্য কারো সঙ্গে আলোচনা করে। তাহলে প্রশ্ন হলো, ওই “কোথাও” জায়গাটা কোথায় ছিল, আর “কারো” পরিচয় কী?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুব বেশি দূর যেতে হয় না। ইউনূস সরকারের আমলে
বন্দর ব্যবস্থাপনার চুক্তি, বিভিন্ন বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া অর্থনৈতিক সুবিধা, আইএমএফ আর বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে যেভাবে দেনদরবার হয়েছে, সেগুলো দেখলে পরিষ্কার বোঝা যায় কার স্বার্থে এই সরকার চলেছিল। যে মানুষ সুদভিত্তিক মাইক্রোক্রেডিটকে গরিবের মুক্তির পথ বলে বিক্রি করে নোবেল পেয়েছেন, তিনি রাষ্ট্রক্ষমতায় বসে কোন দর্শনে দেশ চালাবেন, সেটা আন্দাজ করা কঠিন ছিল না। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে যা ঘটেছে, সেটাকে “গণঅভ্যুত্থান” বলে এখনো অনেকে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু ঘটনার টাইমলাইন, অর্থায়নের উৎস, আর আন্দোলনের ভেতরে যাদের সক্রিয় ভূমিকা ছিল তাদের পরিচয় দেখলে এই আখ্যানটা টেকে না। হেফাজত-জামায়াতের মাঠকর্মীরা যখন আন্দোলনের ভেতরে প্রকাশ্যে ঢুকে পড়ল, থানা জ্বলল, আনসারদের ওপর হামলা হলো, তখন বোঝা উচিত
ছিল এই তথাকথিত “ছাত্র আন্দোলন” কোথায় গিয়ে ঠেকেছে। সাখাওয়াত নিজেই বলেছেন, লুট হওয়া রাইফেল এখনো নিখোঁজ, কিছু ভিডিওতে এমন মানুষ দেখা যাচ্ছে যাদের চেহারা এবং গঠন স্থানীয় বলে মনে হয় না। এই তথ্যগুলো কিন্তু তিনি পদে থাকার সময় দেননি, পদ ছাড়ার পরে দিচ্ছেন। আর সেটাই হলো আরেকটা প্রশ্ন। উনি কেন আগে বলেননি? কারণ সিস্টেমের ভেতরে থেকে সত্যি কথা বলা যায় না, এটা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন পরোক্ষভাবে। যারা দ্বিমত করতেন, তারা ছোটখাটো বিষয়ে দ্বিমত করতেন, বড় সিদ্ধান্তে না। এই স্বীকারোক্তি আসলে গোটা ইউনূস সরকারের চরিত্রের সংক্ষিপ্তসার। এই সরকারের মূল ডিজাইনটা ছিল একটা নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে এমন একটা কাঠামো বসানো যেটা আন্তর্জাতিক দাতাগোষ্ঠীর কাছে
জবাবদিহি করবে, দেশের মানুষের কাছে না। তাই কেবিনেটের বাইরে সিদ্ধান্ত হওয়াটা দুর্ঘটনা না, এটা পরিকল্পিত। কেউ যাতে প্রশ্ন না তুলতে পারে, কেউ যাতে অভ্যন্তরে থেকে বাধা না দিতে পারে, সে জন্যই এই আড়াল। জামায়াত এই নির্বাচনে ৭৭টি আসন পেয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটা কখনো হয়নি। এই সংখ্যাটা হঠাৎ করে আসেনি। ইউনূস সরকারের আঠারো মাস ধরে যে রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে, সেটাই এই ফলাফলের জমিন তৈরি করেছে। ধর্মভিত্তিক রাজনীতিকে যেভাবে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে যেভাবে কোণঠাসা করা হয়েছে, সেটা কোনো আদর্শের কারণে না, কারণ এই শক্তিগুলো ছিল ক্ষমতা দখলের অন্যতম হাতিয়ার। সব চোরের গোমর একদিন ফাঁস হয়। সাখাওয়াতের এই সাক্ষাৎকার সেই প্রক্রিয়ার একটা
ছোট্ট শুরু মাত্র।
বন্দর ব্যবস্থাপনার চুক্তি, বিভিন্ন বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া অর্থনৈতিক সুবিধা, আইএমএফ আর বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে যেভাবে দেনদরবার হয়েছে, সেগুলো দেখলে পরিষ্কার বোঝা যায় কার স্বার্থে এই সরকার চলেছিল। যে মানুষ সুদভিত্তিক মাইক্রোক্রেডিটকে গরিবের মুক্তির পথ বলে বিক্রি করে নোবেল পেয়েছেন, তিনি রাষ্ট্রক্ষমতায় বসে কোন দর্শনে দেশ চালাবেন, সেটা আন্দাজ করা কঠিন ছিল না। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে যা ঘটেছে, সেটাকে “গণঅভ্যুত্থান” বলে এখনো অনেকে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু ঘটনার টাইমলাইন, অর্থায়নের উৎস, আর আন্দোলনের ভেতরে যাদের সক্রিয় ভূমিকা ছিল তাদের পরিচয় দেখলে এই আখ্যানটা টেকে না। হেফাজত-জামায়াতের মাঠকর্মীরা যখন আন্দোলনের ভেতরে প্রকাশ্যে ঢুকে পড়ল, থানা জ্বলল, আনসারদের ওপর হামলা হলো, তখন বোঝা উচিত
ছিল এই তথাকথিত “ছাত্র আন্দোলন” কোথায় গিয়ে ঠেকেছে। সাখাওয়াত নিজেই বলেছেন, লুট হওয়া রাইফেল এখনো নিখোঁজ, কিছু ভিডিওতে এমন মানুষ দেখা যাচ্ছে যাদের চেহারা এবং গঠন স্থানীয় বলে মনে হয় না। এই তথ্যগুলো কিন্তু তিনি পদে থাকার সময় দেননি, পদ ছাড়ার পরে দিচ্ছেন। আর সেটাই হলো আরেকটা প্রশ্ন। উনি কেন আগে বলেননি? কারণ সিস্টেমের ভেতরে থেকে সত্যি কথা বলা যায় না, এটা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন পরোক্ষভাবে। যারা দ্বিমত করতেন, তারা ছোটখাটো বিষয়ে দ্বিমত করতেন, বড় সিদ্ধান্তে না। এই স্বীকারোক্তি আসলে গোটা ইউনূস সরকারের চরিত্রের সংক্ষিপ্তসার। এই সরকারের মূল ডিজাইনটা ছিল একটা নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে এমন একটা কাঠামো বসানো যেটা আন্তর্জাতিক দাতাগোষ্ঠীর কাছে
জবাবদিহি করবে, দেশের মানুষের কাছে না। তাই কেবিনেটের বাইরে সিদ্ধান্ত হওয়াটা দুর্ঘটনা না, এটা পরিকল্পিত। কেউ যাতে প্রশ্ন না তুলতে পারে, কেউ যাতে অভ্যন্তরে থেকে বাধা না দিতে পারে, সে জন্যই এই আড়াল। জামায়াত এই নির্বাচনে ৭৭টি আসন পেয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটা কখনো হয়নি। এই সংখ্যাটা হঠাৎ করে আসেনি। ইউনূস সরকারের আঠারো মাস ধরে যে রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে, সেটাই এই ফলাফলের জমিন তৈরি করেছে। ধর্মভিত্তিক রাজনীতিকে যেভাবে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে যেভাবে কোণঠাসা করা হয়েছে, সেটা কোনো আদর্শের কারণে না, কারণ এই শক্তিগুলো ছিল ক্ষমতা দখলের অন্যতম হাতিয়ার। সব চোরের গোমর একদিন ফাঁস হয়। সাখাওয়াতের এই সাক্ষাৎকার সেই প্রক্রিয়ার একটা
ছোট্ট শুরু মাত্র।



